শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দেবহাটায় মাদক ও অনৈতিকতার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাদক ও অনৈতিকতার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, অনৈতিকতা, চুরি ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (২২ মে) বিকেল পাঁচটায় পারুলিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র এলাকায় নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- চালিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। বিশেষ করে মাদক ব্যবসা, চুরি-ছিনতাই ও অসামাজিক কার্যকলাপের (পতিতাবৃত্তি) কারণে স্থানীয় যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে।

 

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এলাকায় কথিত “খোদে গং” নামে পরিচিত একটি চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘিœত করার অভিযোগ রয়েছে। তাদের দৌরাত্ম্যের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবিলম্বে এই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

 

মানববন্ধনে স্থানীয়রা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অপরাধমূলক কর্মকা- বন্ধে প্রশাসন যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সানা ও সাধারণ সম্পাদক হাসান শরাফি। এ ছাড়া বিএনপি নেতা সাফায়েত হোসেন বাচ্চু, জামায়াত নেতা আব্দুল হান্নান, চিকিৎসক ফজলুর রহমান, সোহরাব হোসেন ও আব্দুস সামাদ মোল্ল্যাসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সচেতন নাগরিকেরা মানববন্ধনে অংশ নেন।

 

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।