দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার পল্লীতে ৯ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। মামলা পরবর্তী পুলিশের দ্রুত অভিযানে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন উপজেলার চর রহিমপুর গ্রামের ঐ ধর্ষিতার মা (৩৮)।
মামলার এজাহার মতে জানা গেছে, বাদিনীর কন্যা উপজেলার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। গত ৩ জুলাই শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাদিনীর কন্যা তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী চরশ্রীপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪) এর মুদি ও চায়ের দোকানে খাবার কেনার জন্য যায়।
বাদিনী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, উক্ত আসামী তাদের প্রতিবেশী। তার মেয়ে আসামী মোস্তাফিজুরের দোকানে খাবার কেনার জন্য গেলে আসামী তার মেয়েকে বিবাহ করবে বলে প্রতিশ্রুতি ও প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে তার মেয়ে আসামীর কথায় রাজি না হলে তৎক্ষণাৎ তার দোকানে কোন লোকজন না থাকার সুযোগে আসামী মোস্তাফিজুর রহমান তার মেয়েকে দোকান ঘরের মধ্যে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে থাকে।
একপর্যায়ে মেয়ের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তার মেয়েকে উদ্ধার ও আসামীকে দোকান ঘরের মধ্যে আটকিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীকে আটক ও ভিকটিমকে জিম্মায় নেয়। বাদিনী এজাহারে আরো উল্লেখ করেছেন, পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটনার বিষয়ে তিনি তার মেয়ের নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার কথা প্রকাশ করে এবং আসামী ইতোপূর্বে তার মেয়েকে বিবাহের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে এবং ধর্ষণ করার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছে বলে জানায়।
এবিষয়ে দেবহাটা থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-০৫, তাং- ০৩-০৭-২৬ ইং। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামীকে আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দী গ্রহণ ও তার মেডিকেল পরীক্ষা করার জন্য সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনী তদন্ত অব্যাহত আছে বলে ওসি জানান।











