শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় পাটের চেয়ে পাটকাঠির চাহিদা বেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় পাটের চেয়ে পাটকাঠির চাহিদা বেশি

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় জ্বালানি হিসেবে পাটকাঠি চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। গ্রামের পাশাপাশি এখন শহরাঞ্চলেও রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে পাটকাঠির কদর ও চাহিদা ব্যাপক। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও সহজলভ্যতার কারণে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এর ব্যবহার বাড়ছে। এক সময়ে গ্রামে রান্নার কাজে ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান জ্বালানি ছিল পাটকাড়ি। এছাড়াও গ্রামাঞ্চলে ঘরের বেড়া, ঘর ও চালা নির্মাণে পাটকাড়ি, ফসলের ক্ষেত, মাটির চুলায় রান্নায় পাটকাটি ব্যাবহার হতো। রান্নার জ্বালানি হিসেবে গ্রামের পাশাপাশি শহরের রয়েছে পাটকাড়ির ব্যাপক চাহিদা।

প্রাচীন কাল থেকে রান্নার জ্বালানি, ঘরের বেড়া, পানের বরজ, গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন সৌখিন পাটজাত পণ্য তৈরির কাজে পাটকাঠির জুড়ি নেই। বর্তমানে বিভিন্ন পার্টিকেল বোর্ড তৈরি ছাড়াও বিভিন্ন কলকারখানায় পাটকাঠি ব্যবহার হচ্ছে। যার ফলে পাটকাঠির মূল্য ক্রমশ বেড়েই চলেছে। একসময় শুধুমাত্র জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হতো পাটকাঠি। এখন পাটকাঠির বহুমুখী ব্যবহারের কারণে কদর বেড়েছে কয়েক গুন।

পাট চাষিরা জানান, পাটের যে বর্তমান বাজারমূল্য তাতে খুব একটা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না তারা, তবে তুলনামূলকভাবে পাটকাঠির মূল্য আগের চেয়ে অনেক বেশি। পাট বিক্রয় করে খুব বেশি লাভবান না হলেও পাটের কাঠিতে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন চাষিরা।

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের পাটচাষী কেরামত সরদার জানান, শ্রমিকের দাম বেশি হওয়ায় পাটের আবাদের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হয়। তবে পাটকাঠির দাম বেশি হওয়ায় সেটি পুশিয়ে যাচ্ছে। পাটকাঠির প্রচুর চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় পাট চাষীদের খরচ অনেকাংশে বেচে যাচ্ছে। ছোট ছোট আটি হিসাবে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানী হিসাবে গৃহবধুদের কাছে পাটকাঠির চাহিদা খুব বেশি। পাটকাঠি দিয়ে সহজে উনুন জ্বালানো যায় ও সহজে রান্না করা যায়। এইজন্য গৃহবধুদের কাছে পাটকাঠির চাহিদা বেশি।

একসময় পাটের আঁশ ছাড়ানোর পর অবহেলায় পড়ে থাকত পাটকাঠি। রান্নার জ্বালানি, ঘরের বেড়া কিংবা পানের বরজ তৈরিতে সীমিত ব্যবহারেই ছিল এর কদর। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন পাটকাঠিও হয়ে উঠেছে কৃষকের বাড়তি আয়ের অন্যতম উৎস।
একসময় যাকে অবহেলা করা হতো, আজ তা লাভজনক ব্যবসায় রূপ নিয়েছে। পাটের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করে এখন কৃষকরা বাড়তি আয় করছেন, যা তাদের আর্থিক স্বস্তি দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, আগে শুধু পাটকাঠি রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন পাটকাঠি দিয়ে ঘরও নির্মাণ, পার্টিক্যাল বোর্ড ও পাটকাঠি পুড়িয়ে এর ছাই দিয়ে কম্পিউটারের প্রিন্টিং মেশিনের কালি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়াও চারকল গুলোতে ব্যাপক হারে ব্যবহার হচ্ছে পাটখড়ি। ফলে চাহিদাও বেড়েছে পাটকাঠির। উপজেলায় উৎপাদিত পাটের গুণগত মান ভালো হওয়ায় এর চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করেও কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন।

Ads small one

কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খান আল মুস্তাসীম বিল্লাহ সজল। সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অত্র উপজেলায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জনকারী বাঐডাংগা ব্রজলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী বৈশাখী খাতুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী নলধা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অভিজিৎ দেবনাথ এবং লখপুর আলহাজ্ব আম্বিয়া ইছহাক কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের শিক্ষার্থী জয়ীতা দাম দিশাকে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী জনাব জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্যে সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া সমাজের দায়িত্ব। কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান শুধু তাদের অর্জনকে সম্মানিত করে না, বরং অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করে। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে খান আল মুস্তাসীম বিল্লাহ সজল বলেন, “ফকিরহাট উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের সাফল্য পুরো এলাকার জন্য গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান এবং তাদের উৎসাহিত করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমি শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।”

সহ-সভাপতি শেখ মীজানুর রহমান বলেন, “কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান একটি মহৎ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠস্বর সাংস্কৃতিক একাডেমির ক্রীড়া সম্পাদক মল্লিক আবু মুছা, সাংগঠনিক সম্পাদক শিবনাথ রায়, অর্থ সম্পাদক মুছা কালিমুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সহ-দপ্তর সম্পাদক রেজীনা আক্তার, প্রচার সম্পাদক মান্না দে, আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আলী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শেখ আল ইমরান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রামীম চৌধুরী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক রিমি রহমান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইনামুল হক সবুজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সমীরণ রায় এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বাসন্তী রায় প্রমূখ।

ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন স্থানে ওষুধ স্প্রে শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন স্থানে ওষুধ স্প্রে শুরু

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা ও লার্ভা নিধনে ছিটানো হচ্ছে ওষুধ। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের উদ্যোগে ফলতিতা মৎস্য আড়তের বিভিন্ন গর্ত, ড্রেন সহ বিভিন্ন স্থানে লার্ভা ধ্বংসে ওষুধ ছিটানো হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা শেখ ইফতেখার আহমেদ পলাশ, মোড়ল কামরুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী মঈন উদ্দিন মেরু, মূলঘর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মাসুদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক খান আরিফুজ্জামান পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত গোলদার শুভ, বিএনপি নেতা মোড়ল সাইফুল ইসলাম, মো: কামরুজ্জামান কাম, মো: আফজাল হোসেন, যুবদল নেতা বাধন, ছাত্রদল নেতা সাবিতুল ইসলাম, সাগর, মো: সোহেল, স্বেচ্ছাসেক দলের নেতা ওবাইদুল্লাহ, হাসান, জাওয়াদ, সৈয়দ শাহানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া এদিন সকাল ৯টায় ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মানসা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনে ওষুধ ছিটানো শুরু হয়েছে। এসময় অত্র ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: সোহেল রানা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য রবীন্দ্রনাথ হালদার বাটুলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, আহত ৩

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এতে নারীসহ অন্তত তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ২০৪, তারিখ: ৪/৭/২০২৬) করা হয়েছিল।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কেরালকাটা এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতার পরিবারের সাথে বিবাদীদের দীর্ঘদিন ধরে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।

প্রতিবাদে এগিয়ে এলে বাদী মোছাঃ জিনিয়া আফরিন মৌ (১৮) কে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এ সময় তার প্রতিবেশী চাচা আবু সাইদ (৩০) উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে বিবাদীরা লোহার স্টিক দিয়ে পিটিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। বাধা দিতে গেলে বাদীর মাকেও মারপিট করে ফুলা জখম করা হয়।

এ ছাড়া হামলাকারীরা ব্যবসায়ী মোঃ ইনারুল ইসলামের (৩২) একটি চায়ের দোকান ভাঙচুর করে ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা এবং ঘর থেকে ওয়ার্ডরোব ও বাক্স ভেঙে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় ও সাক্ষীরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে আবু সাইদ কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।