শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাইকগাছায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়িতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা শাখার আহবায়ক শ্রী প্রাণকৃষ্ণ দাশের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শ্রী হিমাদ্রী শেখর দে ও সন্তোষ সরদার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বিএনপি সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতের মতো বিএনপি বর্তমানেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে বলেন, সকল ধর্মের লোক ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একসাথে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। দেশকে গড়তে হলে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

 

সেজন্য সকল ধর্মের মানুষের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে। তিনি তাঁর নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বহুগোত্রের অনেক বর্ণের, নানান সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীর জনসাধারণের সমন্বয়ে গঠিত দেশ, এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নামে কোন গোষ্ঠী নাই, আমরা সবাই বাংলাদেশী। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী সাধন কুমার ভদ্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ, থানা অফিসার-ইন-চার্জ মোঃ আব্দুল আউয়াল, উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি শ্রী সমীরণ কুমার সাধু, জেলা শাখার সদস্য শ্রী অলোক মজুমদার।

অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব ইমদাদুল হক, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুস সত্তার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, বিএনপি নেতা সেলিম রেজা লাকি, মোস্তফা মোড়ল, রুহুল কুদ্দুস, শ্রী মৃত্যুঞ্জয় সরদার, জগদীশ দে, কৃষ্ণেন্দু দত্ত, মানবেন্দ্র মন্ডল, সুরঞ্জন চক্রবর্তী, রবীন্দ্র নাথ রায়, সন্তোষ কুমার সরকার, সুজিত কুমার মন্ডল, বাবুরাম মন্ডল, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, মমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

 

আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে শ্রীমতী রমা পাল গীতা পাঠ করেন। আলোচনা সভা শেষে পাইকগাছা সদরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা রইচপুরে জনদুর্ভোগ কমাতে জামায়াত যুব বিভাগের রাস্তা সংস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা রইচপুরে জনদুর্ভোগ কমাতে জামায়াত যুব বিভাগের রাস্তা সংস্কার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী রইচপুর ব্রিজের দুই পাশে খানা-খন্দে ভরা সড়কের কারনে যাতায়াতে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টি হলেই ব্রিজের দুই পাশে কাদা-পানি জমে থাকে। ফলে মোটরসাইকেল, ভ্যান, রিকশা ও বাইসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে এবং সাধারণ পথচারীদের হেঁটে চলার পরিবেশও থাকে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রইচপুর ব্রিজের ওপর দিয়েই আশপাশের প্রায় ২০ থেকে ৩০টি গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন। এছাড়া এলাকাটি মৎস্য চাষ ও কৃষিনির্ভর হওয়ায় স্থানীয় ফসল ও উৎপাদিত মালামাল পরিবহনের একমাত্র প্রধান পথ এটি। সড়কটির এহেন নাজুক অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ কৃষক।

এমন পরিস্থিতিতে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সাময়িক সংস্কারের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুব বিভাগ। স্থানীয় যুব কমিটির সভাপতি আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে সংগঠনটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকরা একত্রিত হয়ে ব্রিজের দুই পাড়ের কাদা সরিয়ে এবং ইট দিয়ে সাময়িকভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেন।

এ বিষয়ে রইচপুর যুব বিভাগের সভাপতি আব্দুস সামাদ বলেন, “জনসাধারণের দুর্ভোগ ও প্রতিনিয়ত ঘটা দুর্ঘটনা কমাতে আমাদের সংগঠনের নিজস্ব চেষ্টায় এই সাময়িক সংস্কার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে এটি স্থায়ী কোনো সমাধান নয়। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, এলজিইডি ও সাতক্ষীরা পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জোর দাবি জানাচ্ছি- অতি দ্রুত যেন রইচপুর ব্রিজের উভয় পাশে স্থায়ী সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”

উক্ত স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কার কাজের সময় উপস্থিত ছিলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমীর হাফেজ মাওলানা নূরুল হক, ওয়ার্ড সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, স্থানীয় স্বেচ্ছাসে হাসানুজ্জামান সবুজসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং যুব কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় এলাকাবাসী অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি স্থায়ীভাবে মেরামতের জন্য জেলা প্রশাসক ও পৌর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খুবশিঘ্রই ভিসি নিয়োগ: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খুবশিঘ্রই ভিসি নিয়োগ: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আইনও প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান তৃতীয় অধিবেশনে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেকের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন ভিসি নিয়োগ দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলার জনসংখ্যা ২১ দশমিক ৯৭ লাখ এবং খানার সংখ্যা ৫ দশমিক ৬৭ লাখ। এই বিপুল জনসংখ্যান জন্য স্থানীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত ভিত্তিক উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্ঠি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাতক্ষীরা একটি জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণঙ্গভাবে চালু হলে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী, তথ্য প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, কৃষি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণা উদ্ভাবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠার সুযোগ রয়েছে। ব্যানবেইস এর তথ্যানুযায়ী সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, শ্যামনগর ও আশাশুনি চারটি উপজেরায় আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।

 

এছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা সাব রিজিউনাল সেন্টার এর অধীনে স্টাডি সেন্টার তালিভুক্ত রয়েছে। এসব তথ্য জেলার উচ্চ শিক্ষা, প্রযুক্ত নির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণে একটি বিদ্যমান ভিত্তি স্থাপন করেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনী ভিত্তি ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। খুবশিঘ্রই ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

্উল্লেখ্য, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর জাতীয় সংসদে ‘সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৩’ পাস হয়।

শ্যামনগরের চকবার-গাইনবাড়ী সড়ক ভেঙে গেছে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের চকবার-গাইনবাড়ী সড়ক ভেঙে গেছে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবার থেকে গাইনবাড়ী যাওয়ার একমাত্র সড়কটি ভেঙে চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ভারি বর্ষণের চাপে রাস্তাটি বর্তমানে পার্শ্ববর্তী ঘের ও খালের সঙ্গে প্রায় একাকার হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে চলতি বছর পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এই রাস্তাটি তিনবার ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ, নারী এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষার পর দায়সারা গোছের সাময়িক মেরামত করা হলেও কোনো টেকসই সমাধান করা হয় না। যে কারণে সামান্য বৃষ্টি বা পানির চাপে বারবার একই চিত্র ফিরে আসে। এই পরিস্থিতিতে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয়রা। জরুরি ভিত্তিতে কেবল জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার নয়, বরং স্থায়ীভাবে রাস্তাটি উঁচুকরণ ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে চকবার–গাইনবাড়ী সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কার এবং জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।