বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছার বোয়ালিয়ায় চলাচলের রাস্তায় মাটি-বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার বোয়ালিয়ায় চলাচলের রাস্তায় মাটি-বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, থানায় অভিযোগ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার বোয়ালিয়া হিতামপুরের দীর্ঘদিনের মালামাল বহন ও চলাচলের রাস্তায় মাটি এবং বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় বিপাকে পড়েছেন ভাটা মালিকসহ অনেকেই। বালু ও মাটি দিয়ে মসজিদের ইট বহনে বাধা সৃষ্টি করায় মুজিবুর মল্লিক নামের এক ভুক্তভোগী এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া হিতামপুর মৌজার জনৈক সমীরণ সাধুর একটি পুরোনো ইটভাটা রয়েছে। ভাটার দক্ষিণ পাশে মালামাল বহন ও চলাচলের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার নিচ দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে। এদিকে দীর্ঘদিনের এই চলাচলের রাস্তায় একই এলাকার চায়না সাধু ও তাঁর পরিবার মাটি ও বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন মুজিবুর মল্লিক।

 

তিনি জানান, চলাচলের রাস্তাটি চায়না সাধু ও তাঁর পরিবারের নয়। এ রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন ভাটার মালামাল বহন ও এলাকার লোকজন চলাচল করে আসছে। ভাটা থেকে এলাকার দুটি মসজিদের অনুকূলে কয়েক হাজার ইট প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তায় মাটি ও বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কারণে ইট বহন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির লোকজন চায়না সাধু ও তাঁর ছেলে বরুণ সাধুর সঙ্গে কথা বললেও তারা সৌজন্যমূলক আচরণ না করে বাজে ব্যবহার করেন। বাধ্য হয়ে এ ঘটনায় চায়না সাধুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান মুজিবুর মল্লিক।

এ প্রসঙ্গে এলাকার অনেকেই জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন ও জামিলুর রহমান রানাসহ অনেকেই চায়না সাধুকে চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার অনুরোধ করলেও তাঁরা তা উপেক্ষা করে মাটি ও বালু ভরাটের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

এ বিষয়ে চায়না সাধুর ছেলে বরুণ সাধু দাবি করেন, ঘেরা সরিয়ে নিচ দিয়ে ইট বহন করার পরামর্শ দেওয়া ছাড়াও ইট নেওয়ার জন্য তাঁরা দুজন শ্রমিকের মজুরি দিতে চেয়েছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আউয়াল কবির।

Ads small one

সম্পাদকীয়/সুন্দরবনে অপরাধের দৌরাত্ম্য: দরকার কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক সততা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/সুন্দরবনে অপরাধের দৌরাত্ম্য: দরকার কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক সততা

বিশ্ব ঐতিহ্য ও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাকৃতিক সুরক্ষাব্যুহ সুন্দরবন আবারও সংবাদের শিরোনামে এসেছে। তবে কোনো ইতিবাচক অর্জনে নয়, বরং অপরাধচক্রের লাগামহীন তৎপরতার খবরে। সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে পাচারের সময় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ভোলা নদী থেকে ২৩০ টন কয়লাবোঝাই কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। এর পাশাপাশি খুলনা রেঞ্জের বানিয়াখালী স্টেশনের আওতাধীন ময়দাপাশা খাল এলাকা থেকে হরিণের খণ্ডিত অংশ ও শিকারের সরঞ্জামসহ এক শিকারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই দুটি ঘটনা আলাদা হলেও উভয়ের মূল বার্তা একই—সুন্দরবনের ভেতরে অসাধু চক্রের বিচরণ ও অবৈধ কার্যক্রম চরম উদ্বেগের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

কয়লা পাচারের ঘটনাটি কেবল একটি সাধারণ চোরাচালান নয়; এর পেছনের মাত্রা বেশ ব্যাপক। মোংলার জয়মনি এলাকায় নোঙর করা মাদার ভেসেল থেকে বাজারমূল্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকার এত বড় অঙ্কের কয়লা অবৈধভাবে খালাস করে সুন্দরবনের মতো একটি সংরক্ষিত ও সংবেদনশীল নদীপথ দিয়ে নির্বিঘ্নে পরিবহনের দুঃসাহস কীভাবে তৈরি হলো, তা এক বড় প্রশ্ন। সুন্দরবনের ভেতরে কোনো বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে যে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকার কথা, এই ঘটনা সেখানে গলদের বিষয়টিই স্পষ্ট করে। বন বিভাগের টহল দল অভিযান চালিয়ে এটি ধরেছে—যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়; কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়, এমন কোনো বড় চক্র বা প্রভাবশালী মহল কি এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে?

অন্যদিকে, সুন্দরবনের ঐতিহ্য ও অন্যতম মূল আকর্ষণ চিত্রা হরিণ শিকারের ঘটনাটি আরও নির্মম ও স্থায়ী ক্ষতির কারণ। ৭০ মিটার দীর্ঘ ছিটকা ফাঁদ, ধারালো অস্ত্র ও জবাই করা হরিণের অবশিষ্টাংশসহ শিকারি আটকের ঘটনা প্রমাণ করে, বন বিভাগের নানামুখী নিষেধাজ্ঞা ও কঠোরতার পরও বনে চোরাশিকারিদের রমরমা বাণিজ্য থেমে নেই। একশ্রেণির সুযোগসন্ধানী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রের চাহিদার কারণে সুন্দরবনের প্রাণীবৈচিত্র্য আজ মারাত্মক হুমকির মুখে।

সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়; এটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল। আর এই বনের বাস্তুতন্ত্র (ইকোসিস্টেম) টিকে থাকে এর বন্যপ্রাণী এবং জলপথের বিশুদ্ধতার ওপর। বনের সংরক্ষিত অঞ্চলে অননুমোদিত কার্গো চলাচল, কয়লা বা জ্বালানির মতো ক্ষতিকর পদার্থের পরিবহন কিংবা বন্যপ্রাণী হত্যা কেবল বনের আইন লঙ্ঘন নয়, বরং পুরো উপকূলীয় পরিবেশের ওপর এক মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনে।
বন বিভাগ শরণখোলা ও কয়রা থানায় পৃথক মামলা দায়ের করেছে এবং আসামিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলা হওয়া অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ, কিন্তু কেবল চুনোপুঁটি শ্রমিক বা দু-একজন শিকারিকে ধরে এই ব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব নয়। কয়লা পাচারের পেছনে আসল মদদদাতা বা ক্রয়-বিক্রয়ের অসাধু সিন্ডিকেট কে বা কারা, তা নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে। পাশাপাশি হরিণ শিকারের ক্ষেত্রেও মাংস বিক্রির অবৈধ বাজারের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে।

সুন্দরবন রক্ষায় বন বিভাগের টহল ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর (যেমন ড্রোন নজরদারি ও স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং) করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে বনকর্মী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে কারও অবহেলা বা অসাধু চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর ওপর এই তাণ্ডব বন্ধ না হলে সুন্দরবন তাঁর স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও সুরক্ষাবলয় হারিয়ে ফেলবে, যার চড়া মাশুল দিতে হবে পুরো দেশকে।

চার মাসের সংসার, প্রথম দুর্গোৎসবেই নববধূর করুণ বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
চার মাসের সংসার, প্রথম দুর্গোৎসবেই নববধূর করুণ বিদায়
মিলন বিশ্বাস: বিয়ের মাত্র চার মাস। নতুন সংসারের স্বপ্ন আর বাবার বাড়িতে প্রথম দুর্গোৎসবের আনন্দ সবকিছু যেন এক মুহূর্তেই থমকে গেল। বিজয়া দশমীতে দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে আকস্মিক অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারালেন তন্নি দে (২০) নামে এক নববধূ। উৎসবের আনন্দঘন মুহূর্ত পরিণত হলো শোক আর কান্নায়। তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের মেয়ে। চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটাই ছিল তাঁর প্রথম দুর্গোৎসব।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে যান তন্নি। সেখানে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তিনি। কিন্তু আনন্দের সেই মুহূর্তেই হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। উপস্থিত স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
ঘটনার পরপরই বিসর্জনস্থলের উৎসবমুখর পরিবেশ শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়। যে উৎসবে সিঁদুরের রঙে রঙিন হওয়ার কথা ছিল বিজয়ার শেষ বিকেল, সেখানে নেমে আসে কান্নার আবহ। মেয়েকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েন বাবা মহাদেব দেসহ পরিবারের সদস্যরা।
তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মজুমদার ও স্থানীয় সূত্রে এ মৃত্যুর খবর জানা গেছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বিসর্জনস্থলে এক নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায় তাঁদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর বিদায়ের করুণ সুরের মধ্য দিয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোক থেকে বিদায় নিয়েছেন দেবী দুর্গা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা অনুযায়ী, বুধবার সকালে দর্পণ-বিসর্জনের মাধ্যমে দেবীকে বিদায় জানান ভক্তরা। পরে সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসার মতো আসুরিক প্রবৃত্তি বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এসব প্রবৃত্তি ত্যাগ করে পরস্পরের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য।
গত ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে চন্ডীপাঠ, বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে ‘আনন্দময়ীর’ আগমনে শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। পরবর্তী ৫ দিন রাজধানীসহ দেশের পূজামন্ডপগুলোতে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব শেষ হয়।
সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক (বাবার বাড়ি) থেকে স্বর্গলোকের কৈলাসে স্বামীর ঘরে ফিরে যান। আগামী বছর শরৎকালে তিনি পুনরায় ধরণীতে ফিরে আসবেন।
এর আগে দুপুরে বিভিন্নস্থানে বের হয় বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রা ও বিসর্জনে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন মন্ডপ থেকে ভ্যান নৌকা ট্রাকসহ বিভিন্ন বাহনে করে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা নদ-নদী জলাশয়ের পাশে জড়ো হতে থাকেন। এবছর জেলায় সর্বোচ্চ ৬১২টি মন্ডপে সুষ্ঠ শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।