মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ট্র্যাকিং জোরদার হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ট্র্যাকিং জোরদার হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কোনো চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজধানীর মিরপুর ও মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর এলাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের পরীক্ষায় পরিবেশ নিয়ে আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষার মাঠ প্রশাসন এবং সামাজিক কমিউনিটি— সবাই এবার শতভাগ সহযোগিতা করছে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে কেউ কাউকে বিরক্ত করছে না, সবাই চায় শিক্ষার্থীরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিক।

মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁসকারী বা গুজব রটনাকারীরা যে ধরনের আধুনিক যন্ত্র বা প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তা প্রতিহত করার মতো উন্নত কারিগরি সক্ষমতা ও টেকনিক্যাল হ্যান্ড আমাদের রয়েছে। সাইবার ক্রাইম স্পেশালিস্টদের সাথে আমরা নিয়মিত সমন্বয় করছি। তিনি আরো জানান, প্রশ্নপত্র পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মোবাইল নম্বর সাইবার ক্রাইম অথরিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যদি কোথাও কোনো অপ্রীতিকর বা সন্দেহজনক ঘটনা ঘটে, তবে আমাদের সাইবার টিম মুহূর্তের মধ্যেই ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সেই লোকেশন শনাক্ত করতে সক্ষম। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।

এ বছরই প্রথমবারের মতো প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশ্নপত্র পরিবহনে ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ পদ্ধতি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমি সশরীরে কেন্দ্রগুলোয় গিয়ে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছি। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে ফুটেজগুলো ডিজিটাল ড্রাইভে সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যাতে কোনো অভিযোগ উঠলে তা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কারিকুলাম ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই সরাসরি সুপারভিশন শুরু করেছি। সামনের দিনগুলোতে এটি ননস্টপ (ধারাবাহিক) চলবে। আমরা ক্লাসরুম লেভেলে গিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করছি।

আকস্মিক কেন্দ্র পরিদর্শনের কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, আমি আগে থেকে জানিয়ে বা প্রোটোকল নিয়ে কেন্দ্রে যেতে চাই না। তাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায় না। আমি সরাসরি ক্লাসরুম ও বাথরুমের পরিবেশ পর্যন্ত দেখছি, যাতে আমাদের আগামী দিনের ত্রুটিগুলো সংশোধন করা সহজ হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

Ads small one

কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ঘাস মারার বিষপান করে রহিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার শিশু কন্যা নুসরাত (৯) ও ছেলে রহিম (২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে বাবার বাড়ির পাশে স্থানীয় বিদ্যালয়ের পিছনে গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় রহিমা খাতুন তার শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিমকে ঘাস মারার বিষ খাওয়ায়ে নিজেও খান। এলাকার মানুষ টের পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ রহিমা খাতুন মারা যান। শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিম বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার আটঘরা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন। তার বাবার বাড়ি কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মতলেব।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সমরেশ দত্ত বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ মারা যান। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য তার স্বজনদেরকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে এসএসসি,দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় প্রথমদিনে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৫০ জন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থী ২১৮২ জন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ১০ জন, দাখিলে দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ৩৭ জন ও কারিগরির দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩ জন। উপস্থিত শিক্ষার্থী এসএসসিতে ১৩৩৯ জন, দাখিলে ৭৩৩ জন ও কারিগরিতে ১১০ জন। এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্র হল নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দাখিলের দুটি কেন্দ্র হল শ্যামনগর কেন্দ্রিয় দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষা¥ী কাদেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। কারিগরি পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি হল শ্যামনগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম-এর বদলিজনিত কারণে এক আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার মন্ডল।
বিদায়ী বক্তব্যে গাজী সাইফুল ইসলাম তালা উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিইটিসি ইন্সট্রাক্টর মো. ঈমান উদ্দীন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম এবং অন্যান্য সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ।
তালা উপজেলার ২১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বক্তারা বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।