শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বর্ণাঢ্য আয়োজনে রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
বর্ণাঢ্য আয়োজনে রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা এলাকায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন ‘রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরা’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) আলোচনা সভা, প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নতুন জার্সি উন্মোচন ও কেক কাটার মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের পরিচালক গোলাম সকলের দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন। তিনি সংগঠনের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামীতে আরও সুন্দর ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

দিনটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরা দহাকুলা একাদশ এবং রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরা গড়েরকান্দা একাদশ।
গড়েরকান্দা একাদশ টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় গড়েরকান্দা একাদশ। নির্ধারিত ১২ ওভারে ওপেনার তামিমের দুর্দান্ত ও অপরাজিত ১০৬ রানের ওপর ভর করে দলীয় রান দাঁড়ায় ১৭২। দহাকুলা একাদশের পক্ষে অধিনায়ক বাবু ৩টি উইকেট শিকার করেন।
এদিকে দহাকুলা একাদশ: ১৭৩ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দহাকুলা একাদশ। ওপেনার বনির অপরাজিত ১১৩ এবং দলীয় অধিনায়ক বাবুর অপরাজিত ৫৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে সহজ জয় পায় দলটি।
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য দহাকুলা একাদশের অধিনায়ক বাবু টুর্নামেন্টের ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হন।
খেলা শেষে সংগঠনের নতুন জার্সির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক সাইমুন হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সাজিদ।
এছাড়াও সদস্য তামিম, সুমন, আব্দুল্লাহ, যুব, রাকিব, সবুজ, নিহাদ, শোহান, সাকিব, মিতুল, নাজমুল, সবুর, রিফাতসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: গত ২০২৫ সালের ২৩ মে মাত্র কয়েকজন উদ্যমী যুবকের হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছিল ‘রয়েল স্ট্রাইকার্স সাতক্ষীরা’। গত এক বছরে বিভিন্ন খেলাধুলা, সামাজিক ইভেন্ট ও ভ্রমণের মাধ্যমে সংগঠনটি নিজেদের সুসংগঠিত করেছে। মাত্র এক বছরেই এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫০ জন ছাড়িয়ে গেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।