বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

বিপজ্জনক ভবনে বিচারকাজ: পাইকগাছা চৌকি আদালতের সার্বিক সংস্কার জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
বিপজ্জনক ভবনে বিচারকাজ: পাইকগাছা চৌকি আদালতের সার্বিক সংস্কার জরুরি

সম্পাদকীয়

খুলনার পাইকগাছা চৌকি আদালত ভবনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি রাতের আঁধারে আদালতের সিএসআই (কোর্ট সাব-ইনস্পেক্টর) কক্ষের ছাদের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। সৌভাগ্যবশত ঘটনাটি রাতে ঘটায় বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে কাঠামোগতভাবে চরম জরাজীর্ণ এই ভবনে প্রতিদিন বিচারক, আইনজীবী, আদালত কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ সদস্য এবং শত শত বিচারপ্রার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।

১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর চার দশকের বেশি সময় পার হলেও ভবনটির যথাযথ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকট। দেয়াল ও ছাদে বড় ধরনের ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া এবং বর্ষা মৌসুমে ছাদের ওপর পলিথিন ও ত্রিপল টাঙিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালানোর ঘটনা কেবল বিচার ব্যবস্থার প্রশাসনিক কাঠামোর দৈন্যই প্রকাশ করে না, বরং এটি যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দেয়।

রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অঙ্গ বিচার বিভাগের স্থানীয় কার্যালয়টি যদি নিজেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তবে সেখানে আসা সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কাজের পরিবেশ চরমভাবে বিঘিœত হয়। দুর্ঘটনাকবলিত কক্ষের মতো অন্যান্য অংশও যে যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে নাÑতার কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিটি সরকারি ভবনের নিরাপত্তা ও কাঠামোগত সক্ষমতা যাচাই একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, কিন্তু পাইকগাছা আদালতের ক্ষেত্রে তার চরম অবহেলা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

যেকোনো সম্ভাব্য দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এখন অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অনতিবিলম্বে পুরো ভবনটির প্রকৌশলগত মূল্যায়ন ও পরীক্ষা সম্পন্ন করা। যদি বিদ্যমান কাঠামোটি সংস্কারের উপযোগী হয়, তবে দ্রুততার সঙ্গে এর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে হবে। আর ভবনটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষিত হলে, অবিলম্বে নতুন ও আধুনিক আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক। একটি সুরক্ষিত ও যথোপযুক্ত কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা বিচারপ্রার্থী ও আদালতÑসংশ্লিষ্ট সবার মৌলিক অধিকার।

Ads small one

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

পত্রদূত রিপোর্ট: ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতাজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ আব্দুল আলিম। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ফুসফুস বিশেষজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধানে শেখ আব্দুল আলিমের অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি নিজ জেলা সাতক্ষীরায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার কাক্সিক্ষত কোনো উন্নতি হয়নি, বরং শারীরিক জটিলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাঁকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং রাজধানীর ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। শেখ আব্দুল আলিম সাতক্ষীরার স্থানীয় সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তিনি সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রেও একজন পরিচিত মুখ। তাঁর হঠাৎ এমন গুরুতর অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরার গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজ ও স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরিবার ও তাঁর সহকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী নিবিড় চিকিৎসার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য (শেফায়ে কামেলা) কামনায় সব সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীর কাছে বিনীতভাবে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছেন।

কোটিপতি বাবার একমাত্র সন্তান, মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক যুবক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
কোটিপতি বাবার একমাত্র সন্তান, মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক যুবক

মামুনুর রশিদ খান, মণিরামপুর (যশোর): যশোরের মণিরামপুরে মাদক বিক্রি ও সরবরাহের অভিযোগে মো. বিল্লাল হোসেন (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ৫ নম্বর হরিদাসকাটি ইউনিয়নের চান্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকদ্রব্য, বিশেষ করে গাঁজা কেনাবেচা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বাবা বিত্তশালী এবং তিনি পরিবারের একমাত্র সন্তান হওয়া সত্ত্বেও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে চান্দুয়া গ্রামে গাঁজা বিক্রির সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। স্থানীয়দের দাবি, সে সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ১২টি পোটলায় ভাগ করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশ সূত্রে মাদকদ্রব্যের একটি পোটলা উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিল্লালকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা বলেন, তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে মাদক বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মুন্সিগঞ্জের জেলেখালিতে ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
মুন্সিগঞ্জের জেলেখালিতে ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি ত্রিপানী বিদ্যাপীঠ মাঠে ১০ সেপ্টেম্বর ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুদীপ্তি যুব সংঘ আয়োজিত এই ফাইনালে মুখোমুখি হয় সুদীপ্তি যুব সংঘ ও আসিয়া দই ফিন্নি ভান্ডার ফুটবল একাদশ।

শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় মাঠে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে আসিয়া দই ফিন্নি হাউসকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সুদীপ্তি যুব সংঘ।
খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন ৮ নম্বর ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান সাদেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আবদুর রাজ্জাক সরদার, প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম মল্লিকসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। খেলায় ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন রিজভী।

দীর্ঘদিন পর ত্রিপানী বিদ্যাপীঠ মাঠে এমন বৃহৎ একটি ক্রীড়া আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ফাইনাল খেলা উপভোগ করতে মাঠে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল। দর্শকদের করতালি, উচ্ছ্বাস ও সমর্থনে পুরো মাঠ এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়। সুন্দর ও প্রাণবন্ত এই আয়োজন উপভোগ করতে পেরে দর্শকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও নিয়মিত এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে সুদীপ্তি যুব সংঘের আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান তাঁরা।