বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

‎বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ: ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কূটনীতির নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
‎বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ: ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কূটনীতির নতুন সম্ভাবনা

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে তিনি দায়িত্ব নেন। এর আগে ২ জুনের গোপন ব্যালট ভোটে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকোরিসকে ৯৯-৯১ ভোটে হারিয়ে তিনি নির্বাচিত হন। প্রায় চার দশক পর আবারও একজন বাংলাদেশি এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তরর্জাতিক দায়িত্বে এলেন।

 

সাধারণ পরিষদের সভাপতি ১৯৩টি দেশের কোনো একটির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন না, তাঁকে সব সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয় ও সংলাপ এগিয়ে নিতে হয়। তাই এই পদে বসে বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তর আদায় করা সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্বরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোচনার পরিসর তৈরি করা, বিভিন্ন পক্ষকে এক টেবিলে আনা এবং আন্তরর্জাতিক মনোযোগ কোনো নির্দিষ্ট সংকটের দিকে ধরে রাখা এসব ক্ষেত্রে সভাপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হতে পারে রোহিঙ্গা সংকট। বছরের পর বছর ধরে এই সংকটের বোঝা বাংলাদেশ বহন করছে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে আন্তরর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখা এখনো জরুরি। একইভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু অর্থায়ন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থের প্রশ্নেও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিশ্বমঞ্চে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।

‎জাতিসংঘের এই দায়িত্বকে বাংলাদেশ যদি শুধু গৌরবের বিষয় হিসেবে উদ্যাপন করে থেমে যায়, তাহলে বড় সুযোগটি অপূর্ণ থেকে যাবে। বরং এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক পরিকল্পনা কোন ইস্যুতে বাংলাদেশ কী অবস্থান নেবে, কোন দেশগুলোর সঙ্গে কীভাবে কাজ করবে এবং দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও কীভাবে এই আন্তরর্জাতিক যোগাযোগকে দেশের স্বার্থে কাজে লাগানো যাবে।

‎ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘকে পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। এই ভাবনাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১৯৪৫ সালের বিশ্ব আর আজকের বিশ্ব এক নয়। জলবায়ু সংকট, যুদ্ধ, শরণার্থী সমস্যা, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার আন্তরর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। জাতিসংঘকেও এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বাংলাদেশের জন্য আরও একটি শিক্ষা এখানে রয়েছে। আন্তরর্জাতিক অঙ্গনে একটি দেশের গ্রহণযোগ্যতা শুধু বড় অর্থনীতি বা সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না। দক্ষ কূটনীতি, দায়িত্বশীল অবস্থান এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাও একটি দেশের প্রভাব বাড়াতে পারে। ড. খলিলুর রহমানের এই দায়িত্বকে বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক পুঁজি হিসেবে দেখা যেতে পারে।

 

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জন্য এখন অভিনন্দনের সময়ের পাশাপাশি কাজের সময়ও। রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ঝুঁকি, অর্থনৈতিক স্বার্থ কিংবা বহুপাক্ষিক সংস্কার প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি কূটনীতি। ড. খলিলুর রহমানের সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য হবে না, তাঁর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে কতটা দায়িত্বশীল, ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সেটিই হয়ে উঠবে বড় প্রশ্ন। জাতিসংঘের এই দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য সম্মানের, আর সেই সম্মানকে স্থায়ী অর্জনে পরিণত করাই হবে আসল সাফল্য।

Ads small one

অবৈধ স্থাপনায় আটকে ছিল সড়কের কাজ, অবশেষে উচ্ছেদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
অবৈধ স্থাপনায় আটকে ছিল সড়কের কাজ, অবশেষে উচ্ছেদ

ইব্রাহিম খলিল: সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড়বাজারের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দিবা-নৈশ কলেজের সামনের সড়ক সম্প্রসারণের কাজে বাধা হয়ে থাকা একটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা পৌরসভা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি উচ্ছেদ করা হয়। অবৈধ স্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সড়কের কাজ আগামী শনিবার অথবা রোববার থেকে আবার শুরু হবে বলে জানিয়েছে সাতক্ষীরা পৌরসভা।

সাতক্ষীরা শহরের পি এন হাইস্কুলের সামনে থেকে পিটিআই হয়ে সুলতানপুর সড়কের সম্প্রসারণ ও ঢালাইয়ের কাজ চলছিল দীর্ঘ তিন মাস আগে থেকে। কাজটি সুলতানপুর বড়বাজারের প্রবেশদ্বার দিবা-নৈশ কলেজের সামনে পৌঁছালে ২৯ জুন স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ স্থাপনার কারণে ওই অংশে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে যানবাহন চলাচল, দুর্ভোগ ও ভোগান্তির শিকার হয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা ওই স্থাপনার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল। সড়ক প্রশস্ত করে যানজট নিরসন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে গত ২৯ জুন স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। পরে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের সামনের অংশে সড়কের কাজ বন্ধ রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা পৌরসভা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সড়ক সম্প্রসারণের কাজে বাধা হয়ে থাকা স্থাপনাটি উচ্ছেদ করে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এখানে একটি অবৈধ স্থাপনা ছিল। স্থাপনাটির জন্য রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। বিধি অনুযায়ী যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়, ঠিক সেভাবেই আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করেছি। সাতক্ষীরা পৌরসভার লোকজন ও আমাদের এস্টিমেটর ছিল। আমরা অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করেছি।

অভিযানের আগে স্থাপনার মালিককে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, স্থাপনার যে ইট বা অন্যান্য মালামাল রয়েছে, সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের সময় দেওয়া হয়েছিল। এর আগে আমরা তাদের নোটিশ দিয়েছিলাম। নোটিশ দেওয়ার পরও তারা মালামাল সরাননি। আমরা আসার পর তাদের আরও এক ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম। ওই সময়ের মধ্যে তারা দোকানের মালামাল সরিয়ে নেন। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পর আমরা আমাদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করি এবং সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।

সাতক্ষীরা পৌরসভার কর্মকর্তা লিয়াকত আলী বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সড়কের কাজ আগামী শনিবার অথবা রোববার থেকে আবার শুরু হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত শেষ হলে সুলতানপুর বড়বাজারের প্রবেশমুখে যানজট কমবে এবং যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও সহজ হবে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর সাতক্ষীরা সফরসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর সাতক্ষীরা সফরসূচি

পত্রদূত ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান চার দিনের সফরে যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে সফর করবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে তিনটায় যশোর পিটিআই মিলনায়তনে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি।

১৩ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টায় তিনি সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ের সব বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সাতক্ষীরা জেলার সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, বিজিবির সিও, র‌্যাবের সিও, পুলিশ সুপারসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পৌর প্রশাসক, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জিপি-পিপি, প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ওই দিন বিকেল তিনটায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সব অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন মন্ত্রী।

১৪ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টায় তিনি খুলনা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার সব পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সকাল ১০টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে তিনি খুলনা জেলার জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দপ্তরপ্রধান ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় তিনি খুলনা জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

১৫ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টায় বাগেরহাট জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। সকাল ১০টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার জনপ্রতিনিধি, দপ্তরপ্রধান ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় তিনি বাগেরহাট জেলা বিএনপির নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সফর শেষে ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে বাগেরহাট ত্যাগ করবেন।

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
আইনমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

পত্রদূত ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী এবং সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আসাদের সঙ্গে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মতবিনিময় সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি। ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, কামরুল ইসলাম ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্য হেদায়েতুল ইসলাম, শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, আইনজীবী নূরুল ইসলাম, আইনজীবী এম এম আশেক-ই-ইলাহী মুন্না, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ আর মুকুল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আকবর আলী ও সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নুরুল আমিন, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ জাহান শিলা, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. হাসান শাহরিয়ার রিপন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহেব আলী, জেলা জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা সাইবার দলের সভাপতি এস আই আশা, জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক ফয়জুল কবির খান, সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের সদস্যসচিব মো. ফারুক হোসেন এবং সেতারা নাসরীন প্রমুখ।

সভায় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বরের মতবিনিময় সভা সফল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নেতা-কর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিত থেকে সভাটি সফল করার আহ্বান জানানো হয়।

আগামী রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা বিএনপির সদস্য এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।