বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

মুচমুচে চিপস, সুগন্ধি তরকারি থেকে শুরু করে জিভে জল আনা মিষ্টি কিংবা স্মুদি; সবখানেই ভারতীয় রান্নাঘরে কাঁঠালের কদর বহু পুরোনো। গাছের সবচেয়ে বড় ফল হিসেবে পরিচিত এই কাঁঠাল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উৎপাদিত হলেও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল তার বিশাল উৎপাদন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে এক অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছে। স্থানটি হলো তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার পানরুটি শহর, যাকে বলা হয় ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’।

যদিও এটি কোনও প্রাতিষ্ঠানিক খেতাব নয়, তবুও ব্যাপক চাষাবাদ ও জমজমাট বাণিজ্যের কারণে পানরুটি ভারতের কাঁঠাল রাজধানী হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এখানকার উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পানরুটির কাঁঠালের বিশেষত্ব হলো এর প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ, শক্ত ও রসালো কোয়া, তীব্র সুগন্ধ এবং বিশাল আকৃতি। এখানকার কাঁঠাল শুধু কাঁচা বা পাকা ফল হিসেবেই বিক্রি হয় না, বরং এটি দিয়ে চিপস ও হরেক রকমের মিষ্টিও তৈরি করা হয়।

ভরা মৌসুমে পানরুটির পাইকারি বাজার, রাস্তার ধারের দোকানগুলো কাঁঠালে ভরে ওঠে এবং তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়। কেরালা, কর্ণাটক বা আসামের মতো রাজ্যেও প্রচুর কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তবে পানরুটি তার সুনির্দিষ্ট চাষ পদ্ধতি এবং শক্তিশালী বাজার নেটওয়ার্কের কারণে আলাদা। এখানকার বহু কৃষক পরিবারের কাছে কাঁঠাল চাষের ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। কাঁঠালের পাশাপাশি পানরুটি কাজুবাদাম চাষের জন্যও বিখ্যাত, যা তামিলনাড়ুর অন্যতম প্রধান কৃষি কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চলের পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Ads small one

শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেপ্তার

বাগআঁচড়া (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম ওজনের ১৮ পিস স্বর্ণেরবার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেলসহ আলাউদ্দিন (৫২) নামে এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোরের নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন।

এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে দশটার দিকে শার্শা থানাধীন দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামস্থ প্রাইম ব্রিকস্ নামক ইটভাটা সংলগ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের উপর থেকে আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আলাউদ্দিন (৫২) উপজেলার হাড়িখালী যদুনাথপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।

পুলিশ জানায়, স্বর্ণের চালান পাচার হবে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খাজুরা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তি আলাউদ্দিন গ্রেপ্তার করেন পুলিশ। এসময় অপর দুই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামির হেফাজতে থাকা ১৮ পিস স্বর্ণেরবার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন জানান এঘটনায় চোরাচালান বিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে, এবং পালাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান স্বর্ণের মান, আনুমানিক বাজার মূল্য নির্ধারণ ও যশোর ট্রেজারি শাখায় স্বর্ণেরবার গুলো জমা দেওয়ার বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘেœ উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। এ সময় তিনি পূজামন্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার সব পূজামন্ডপের প্রতিমা একযোগে বিসর্জন দেওয়ার নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শারদীয় দুর্গাপূজার নবমীতে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার সব্দালপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গামন্দিরসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখেন। তিনি পূজামন্ডপে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়, সে জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।”

তিনি আরও বলেন, “কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সবাইকে দুর্গোৎসব উদ্যাপন করতে হবে। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।”

প্রতিমা বিসর্জন প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার সব পূজামন্ডপের প্রতিমা একযোগে বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পূজা উদ্যাপন কমিটি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। বিসর্জন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশ সুপার পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) বায়েজিদ ইসলাম, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান, এসআই আব্দুর রউফ, এএসআই অমিত হাসান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্য এবং আশাশুনি থানার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

পাইকগাছায় এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, আহত ৪৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, আহত ৪৯

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় গত এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু এবং ৪৯ জন আহত হয়েছে। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) পাইকগাছা উপজেলা শাখা সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় তুলে ধরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনার এমন চিত্র উঠে এসেছে।

২১ অক্টোবর বুধবার সকালে ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর হতে ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এলাকার সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেন নিসচা উপজেলা শাখার সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ। নিসচা তথ্য অনুযায়ী গত এক বছরে অত্র উপজেলায় ছোট বড় ৬৩ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, এতে ৮ জনের মৃত্যু এবং ৪৯ জন আহত হয়।

সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক এইচ এম শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম ইলিয়াস হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জি এম শুকুরুজ্জামান, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক মিজানুর রহমান, নিসচা সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, অ্যাডভোকেট একরামুল ইসলাম, মোঃ হুরায়রা বাদশা, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, এসএম বাবুল আক্তার, কাজী সোহাগ, আবু হানিফ মিলন, ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।