বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভুল নম্বরে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করে মালিককে দিল শ্যামনগর থানা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
ভুল নম্বরে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করে মালিককে দিল শ্যামনগর থানা পুলিশ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নুর আলম নামে এক ব্যক্তির বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ভুল নম্বরে চলে যাওয়া ৯ হাজার ৬০০ টাকা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার সময় প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

জানা যায়, সম্প্রতি নুর আলম ভুলবশত ৯ হাজার ৬০০ টাকা অন্য একটি বিকাশ নম্বরে পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশনায় এএসআই জাফর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লেনদেনের সূত্র অনুসন্ধান শুরু করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুল নম্বরে পাঠানো ওই টাকা কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানা এলাকার একটি নম্বরে চলে গেছে। পরবর্তীতে ভৈরব থানা পুলিশের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত টাকা শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে নুর আলমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নুর আলম বলেন, এত দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা উদ্ধার করে শ্যামনগর থানার ওসি টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এটা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে শ্যামনগর থানা পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছে, সাধারণ ডায়রির অভিযোগের ভিত্তিতে ভুল লেনদেনের অর্থ উদ্ধারে আইনগত প্রক্রিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অর্থ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দেয়া হয়েছে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহম্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম।

এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজসহ অন্যরা। সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ডেইলি স্টারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সময় টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক ই এলাহী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোমিনুর রহমান, বৈশাখী টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শামীম পারভেজ, মুক্তস্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম, ডা: মহিদার রহমান, হৃদয় বার্তার সম্পাদক জি এম মোশাররফ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আমিনুর রহমান, শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, মাহমুদ হাসান, ফয়জুল হক বাবু, এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ, গাজী ফরহাদ, সাইদুল বাসার, সরদার আবু সাঈদ, সাইফুল আযম খান মামুন, শেখ মাসুদ আলীসহ অন্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম.বেলাল হোসাইন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গণমাধ্যকর্মীরা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ভূমিকা রাখা, মাদক, সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজি মুক্ত জেলা গঠনের দাবি জানান। এর জবাবে যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, “অনলাইন জুয়া, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার রয়েছি। আমাদের দলের কোনো নেতা বা কর্মী যদি মাদক কিংবা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকে এবং তা প্রমাণিত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বিন্দুমাত্র পিছপা হব না। এছাড়া সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন তিনি।

 

সাতক্ষীরার দেড় বছরে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনায় অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার দেড় বছরে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনায় অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাল্যে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ১৬ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হয়েছে। গত দেড় বছরের মধ্যে এসব বিয়ে হয় বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে তিন ছাত্রীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় তারা আবার বাবার বাড়িতে ফিরে পড়াশোনা শুরু করেছে।

২৪ সেপ্টেম্বর ওই ১৬ ছাত্রীর অভিভাবককে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন ছাত্রীও উপস্থিত ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইউএনওর কার্যালয়ের সভাকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্রী ও অভিভাবকেরা বসে আছেন। সাতক্ষীরা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা তাঁদের তথ্য ও নথিপত্র যাচাই করছিলেন। পরে ইউএনও অর্ণব দত্ত উপস্থিত হয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বৈঠকে এক অভিভাবক জানান, তাঁর মেয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করে। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালানো ওই অভিভাবক বলেন, কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকতে হওয়ায় মেয়ের ওপর সব সময় নজর রাখা সম্ভব হয়নি। আরেক অভিভাবক জানান, মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁর মেয়ে পঞ্চগড়ের এক যুবকের সঙ্গে গোপনে বিয়ে করে। পরে মেয়েকে ফিরিয়ে এনে পারিবারিকভাবে বিয়ে দিলেও তা নিবন্ধিত হয়নি।

আরেকজন অভিভাবক বলেন, বখাটেদের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতেই তিনি তাঁর ১৫ বছরের মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ইউএনও তাঁকে প্রশ্ন করেন, বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল কি না। ওই অভিভাবক জানান, তিনি কাউকেই জানাননি।

ইউএনও অর্ণব দত্ত বলেন, কোনো ছাত্রী বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকলে বিষয়টি প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে জানতে হবে এবং পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান এ দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

বৈঠক শেষে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় যে মেয়েদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো যাবে না এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ইউএনও।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘স্মল এরিয়া এস্টিমেশন’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বাল্যবিবাহের হারে সাতক্ষীরা জেলা অষ্টম স্থানে রয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বাল্যবিবাহের হার ৬২ শতাংশের বেশি।

সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি প্রকল্পের শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি প্রকল্পের শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে পরিচালিত ‘সাতক্ষীরা রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিস্টেমস পাইলট প্রজেক্ট’-এর শিখন ও অর্জন বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করে উন্নয়ন সংস্থা ‘উত্তরণ’। সেভ দ্য চিলড্রেন কোরিয়ার অর্থায়ন ও সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি পরিচালিত হয়।

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রজেক্ট অফিসার নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবির এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস।
কর্মশালায় প্রকল্পের ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উত্তরণের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আবু হাসনাত।

কর্মশালায় জানানো হয়, রিভার্স অসমোসিস প্ল্যান্ট, গভীর নলকূপ, পিএসএফ ও স্কুলভিত্তিক মিনি আরও সিস্টেমের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এখন নিরাপদ সুপেয় পানি পাচ্ছে।