বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন সিস্টেম নিয়ে সাতক্ষীরায় সেমিনার অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন সিস্টেম নিয়ে সাতক্ষীরায় সেমিনার অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন সিস্টেমের পরিবর্তন, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বদরুদ্দোজাসহ জেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন সিস্টেমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ভূমি সেবাকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে দ্রুত ও দুর্নীতিমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেমিনারে ভূমি সেবা সংক্রান্ত আধুনিক প্রযুক্তি, অনলাইন সেবা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে ভূমি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয় শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বার্ষিক বনভোজন ও দেয়াল পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বার্ষিক বনভোজন ও দেয়াল পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন

শেখ আব্দুল আলিম: উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক বনভোজন, মেধা পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ২১ মে (বৃহস্পতিবার) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ সময় শিশুদের স্বরচিত লেখা ও আঁকা ছবি নিয়ে প্রকাশিত দেয়াল পত্রিকা ‘চেতনা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

সকাল সাড়ে আটটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আহমেদুর রহিম ও উপাধ্যক্ষ ছন্দা রাহা।

এর আগে অতি প্রত্যুষেই ছোট ছোট সোনামণিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ। শিশুদের হাতে সকালের নাশতা তুলে দেওয়ার পর শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। অনুষ্ঠানে গত ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের হাতে মেধা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রিয় সহপাঠীদের পুরস্কার প্রাপ্তির মুহূর্তে মুহুর্মুহু করতালি আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা।

অধ্যক্ষ মো. আহমেদুর রহিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশ ও পড়াশোনার পাশাপাশি বিনোদনের সুযোগ করে দিতেই আমাদের এই নিয়মিত আয়োজন।”

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদ্যালয়ের বার্ষিক দেয়াল পত্রিকা “চেতনা”র মোড়ক উন্মোচন। অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ যৌথভাবে এর মোড়ক খোলেন। দেয়াল পত্রিকায় নিজেদের স্বহস্তে আঁকা চিত্রাঙ্কন, স্বরচিত গল্প, কবিতা ও ছড়া স্থান পাওয়ায় আনন্দের বাড়তি আমেজ তৈরি হয় শিক্ষার্থীদের মাঝে।

দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও গজল পরিবেশন করে। সবশেষে অনুষ্ঠিত হয় সবার কাক্সিক্ষত র‌্যাফেল ড্র। এবারের লটারিতে প্রথম পুরস্কার জিতে নেয় কেজি শ্রেণির মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থী আবরার আহছান আনান। এ ছাড়া বিশেষ আকর্ষণীয় ৫০তম পুরস্কারটি জিতে নেয় দ্বিতীয় শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী আফিয়া সুলতানা।

সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলাসংলগ্ন পশ্চিম সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে আমিনুর রহমান (৪৫) নামের এক জেলের গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপকূলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত জেলের পরিবারের অভিযোগ, বন বিভাগের টহল দলের ছোড়া গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে বন বিভাগ বলছে, বনরক্ষীদের সঙ্গে জেলেদের ধস্তাধস্তির সময় ‘মিসফায়ার’ হয়ে গুলি বেরিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বন বিভাগের দুই কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাতনামা ৯ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছে নিহত জেলের পরিবার। অন্যদিকে বনরক্ষীদের ওপর হামলার অভিযোগে বন বিভাগের পক্ষ থেকেও একটি মামলা করা হয়েছে। তবে আসামিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নিহত আমিনুর রহমান সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোরা গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার তাঁর ভাতিজা অলিউল্যাহ বাদী হয়ে কয়রা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, পশ্চিম বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শামীম রেজাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনাস্থল কয়রা থানা এলাকায় হওয়ায় নিহত জেলের স্বজনেরা কয়রায় এসে মামলা করেছেন। পাশাপাশি বন বিভাগের পক্ষ থেকেও একটি মামলা করা হয়েছে। বন বিভাগের শরবতখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তাদির রহমান মামলাটি করেন।

আমিনুর রহমানের ভাতিজার করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আমিনুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া ধরেন। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও তাঁদের সহযোগীরা জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করেন। প্রায় ১৫ দিন আগেও আমিনুরের থেকেও টাকা নেওয়া হয়। এ নিয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিত-া হয়। তখন তাঁকে ‘সুযোগ পেলে দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এজাহারে বলা হয়, ১৩ মে নিজের ভাতিজা অলিউল্যাহসহ কয়েকজনকে নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যান আমিনুর। ১৮ মে সকাল সাতটার দিকে কয়রার আওতাধীন সুন্দরবনের পাতকোষ্টা এলাকার বেশো খালে মাছ ধরার সময় বন বিভাগের একটি টহল দল সেখানে পৌঁছায়। বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন আমিনুরের কাছে টাকা চান। কিন্তু তিনি রাজি না হলে তাঁকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের একজন রাইফেল দিয়ে গুলি করেন। গুলিটি তাঁর শরীর ভেদ করে বেরিয়ে যায়। এতে তিনি নৌকার ওপর লুটিয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষণ পর মারা যান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং তাঁর বিরুদ্ধে গুলি করার অভিযোগও সঠিক নয়। ঘটনাস্থলটি ছিল সুন্দরবনের প্রবেশ নিষিদ্ধ অভয়ারণ্য এলাকা। সেখানে বন বিভাগের স্মার্ট টহল টিম দায়িত্ব পালন করছিল। তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে টহল চালিয়ে ওই এলাকার ১১টি নৌকা জব্দ করা হয়, অধিকাংশই শ্যামনগরের সোরা গ্রামের। তাঁর অভিযোগ, ওই এলাকার কিছু লোক সংঘবদ্ধভাবে নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করা এবং বনরক্ষীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে।

বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের আওতায় একটি ‘স্মার্ট টহল টিম’ গঠন করা হয়। খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলামের সই করা আদেশে দাকোপ ও কয়রা উপজেলার আওতাধীন বনাঞ্চলে টহলের নির্দেশ দেওয়া হয়। দলের নেতৃত্বে ছিলেন শরবতখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তাদির রহমান। সহকারী টিম লিডার ছিলেন কালাবগী ফরেস্ট স্টেশনের ফরেস্টার মো. আতিয়ার রহমান। এ ছাড়া কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের ফরেস্টার মো. আছাদুজ্জামানসহ মোট আটজন সদস্য ওই টহল দলে ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন বিভাগের এক সদস্য বলেন, প্রবেশ নিষিদ্ধ পাটকোষ্টা এলাকার ঝালিয়া শতমুখী খালে জেলেদের নৌকা দেখতে পেয়ে টহল দল সেখানে যায়। এ সময় জেলেরা দা, কুড়াল ও বৈঠা নিয়ে বনরক্ষীদের দিকে তেড়ে আসেন। ধস্তাধস্তির সময় এক বনরক্ষীর হাতে থাকা রাইফেল ভেঙে যায় এবং আরেকজনের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। একপর্যায়ে অনাকাক্সিক্ষতভাবে একটি গুলি বের হয়ে যায়। ওই গুলিই আমিনুর রহমানের শরীরে লাগে।

স্মার্ট টহল টিমের নেতা মোক্তাদির রহমান বলেন, বনরক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

এদিকে জেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গত সোমবার সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্যামনগরের গাবুরা এলাকার ডুমুরিয়া, দৃষ্টিনন্দন ও চাঁদনীমুখা পয়েন্টে লোকজন জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ১০ থেকে ১২টি ট্রলারে করে পাঁচ শতাধিক গ্রামবাসী ওই জেলের লাশ নিয়ে নীলডুমুর খেয়াঘাটে পৌঁছান। এ সময় দাতিনাখালী ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকা থেকে আরও কয়েক শ লোক তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনে লাশ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে রেঞ্জ কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরা, জানালা, গ্রিল, ফটকসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন। বন বিভাগের দাবি, হামলাকারীরা রান্নাঘরে ঢুকে প্লেট, পিরিচ, গামলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুরের পাশাপাশি চাল, ডালসহ কিছু খাদ্যসামগ্রীও নিয়ে যান।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, হামলাকারীরা যাকে সামনে পেয়েছে, তাকেই মারধর করেছে। এতে তাঁদের পাঁচজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জেলের মৃত্যুর ঘটনাটি খুলনা রেঞ্জ এলাকায় হলেও হামলা চালানো হয়েছে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে। তাঁর ভাষ্য, পুরো ঘটনার পেছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, বনরক্ষীদের সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জেলের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটিতে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ও অন্যটিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা আছেন।

উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, উপকূলে জীবিকার সংকট ও সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে বন বিভাগ ও জেলেদের মধ্যে তৈরি হওয়া অবিশ্বাসের সম্পর্ক পরিস্থিতিকে দিন দিন জটিল করে তুলেছে। জেলে নিহতের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনা আর না ঘটে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিআরটিএ’র রোড শো ও মনিটরিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিআরটিএ’র রোড শো ও মনিটরিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও ঘরমুখী মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাতক্ষীরায় পরিবহণ কাউন্টার মনিটরিং ও রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের সংগীতার মোড়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেল ও জেলা ট্রাফিক পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এই কার্যক্রম চালানো হয়।

 

বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় ঢাকাগামী বিভিন্ন পরিবহণ কাউন্টারে এই তদারকি করা হয়। এ সময় দূরপাল্লার চালক, যাত্রী ও পথচারীদের মাঝে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচি সঞ্চালনা ও সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) উসমান সরওয়ার আলম। কাউন্টার তদারকির সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ওবায়দুল রহমান, উচ্চমান সহকারী মো. নাসির উদ্দিনসহ ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহণ শ্রমিক নেতারা। ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে বিআরটিএ’র এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ যাত্রীরা।