শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

মানুষকে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া থেকে আটকাতে পারি না: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
মানুষকে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া থেকে আটকাতে পারি না: আইনমন্ত্রী

দেশে যেকোনও পরিস্থিতিতে সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মানবপাচার আগের মতো ব্যাপক নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, মানবপাচার এখন আর আগের মতো এতটা ব্যাপক নেই। আপনাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশে বেকারত্বের সংকট রয়েছে। আমরা মানুষকে জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া থেকে আটকাতে পারি না।’

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর (ইউএনওডিসি) আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মানবপাচার হলো সবচেয়ে গুরুতর, অমানবিক এবং নিষ্ঠুর কাজগুলোর একটি। এই প্রক্রিয়ায় ঠগ, অপরাধী ও মাফিয়ারা অর্থ আদায় করে। তারা এ দেশের জীবনের বিনিময়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। সরকার এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

মানবপাচার রোধে বেশ কিছু আইন সংশোধন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেশ কিছু আইন সংশোধন করেছি। আমরা মানবপাচারের সংজ্ঞাকে অনেক বেশি বাস্তবসম্মত করেছি, যা মানবপাচারের বিস্তৃত পরিসরে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ২০২৬ সালের মানবপাচার আইনের অধীনে আমরা এই ধরনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমরা ১৮৮৭ সালের জুয়া আইন সংশোধন করেছি এবং অনলাইন জুয়া, পাচার এবং এ জাতীয় অবৈধ কার্যক্রমকে আমাদের আইনি কাঠামোর আওতায় এনেছি। এ ছাড়া আরও কিছু আইন প্রবর্তন করেছি যা মানবপাচারের দিকটিও কাভার করতে পারে।’

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে মানবপাচার বিষয়ক প্রোটোকল অনুসমর্থন করেছে। আর তখন থেকেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।’

এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ সতর্ক। কিন্তু তাদের জনবলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, অভিযোগকারীদের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ও অন্য বিষয়াদি পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’

ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যবহার করে বিদেশে গিয়ে অনেকেই সেখানে অবৈধ অভিবাসী হয়ে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের সহায়তাও চাইছি, কীভাবে আমরা বিদেশে যাওয়া অভিবাসী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারি।’

নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেকোনও পরিস্থিতিতে আমাদের নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের কিছু ঘাটতি থাকতে পারে, তবে আমরা আপনাদের যেকোনও ভালো সুপারিশকে স্বাগত জানাই।’

আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে আজকের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে।

Ads small one

চিকিৎসাসেবা হতে হবে মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক যুগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ: প্রতিমন্ত্রী অমিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
চিকিৎসাসেবা হতে হবে মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক যুগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ: প্রতিমন্ত্রী অমিত

বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আমরা চিকিৎসাসেবা দিতে এসেছি। চিকিৎসাসেবা হতে হবে মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক যুগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেনতেনভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আত্মতৃপ্তিতে ভোগার কোন সুযোগ নেই। প্রতিটি নাগরিকের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের এক সাথে কাজ করতে হবে।

তিনি আজ (শুক্রবার) দুপুরে যশোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সিজারিয়ান সেকশনসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যশোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট। এটিকে প্রাথমিকভাবে ৩০ শয্যাবিশিষ্টতে রূপান্তর করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ৫০ শয্যাবিশিষ্টতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের সেবার পরিধি কিভাবে আরো বৃদ্ধি করা যায় তা চেষ্টা করা হবে। আগামী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এখানে একটি নয়তলা ভবন নির্মাণের আশ^াস দেন তিনি।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। স্বাগত বক্তৃতা করেন যশোর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মো: দিলদার হোসেন। এসময় যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সিভিল সার্জন ডা. মো: মাসুদ রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সিজারিয়ান সেকশনসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং ভর্তি মা ও নবজাতক শিশুদের খোঁজ-খবর নেন।

সকালে বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুরোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জীবানুনাশক স্প্রে ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে উদ্যোগ নিলে ডেঙ্গুরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন। নিজে সচেতন না হলে ডেঙ্গুরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। যশোরবাসীকে নিরাপদ ও ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে আমাদের করণীয় রয়েছে। একটু সচেতন হলেই পরিবারসহ সকলেই নিরাপদ থাকতে পারি।

অনুষ্ঠানে যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিকালে প্রতিমন্ত্রী চাঁচড়া ইউনিয়নে নদিয়া বর্মন পাড়ায় উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। তথ্যবিবরণী

 

সাতক্ষীরায় জেলা গণসংহতি আন্দোলনের জরুরি আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা গণসংহতি আন্দোলনের জরুরি আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে জেলা শাখার উদ্যোগে জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক প্রভাষক মামুনুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা গণসংহতি আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলফাত হোসেন, প্রভাষক রবিউল ইসলাম, সদস্য সচিব রুবেল গাইন, শ্যামনগর উপজেলা জিএসএর আহ্বায়ক জিএম মাহফুজ, আশাশুনি উপজেলা জিএসএর সদস্য সচিব ছুরাত আলী, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জিএসএর সংগঠক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সংগঠক মাসুদ, জেলা কমিটির সদস্য নাজনীন নাজরানা বেবীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকারভিত্তিক আন্দোলনকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

কেশবপুরে ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় অভিভাবকরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় অভিভাবকরা

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলার গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করায় অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ৬১ বছর ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছ ঐতিহ্যবাহী ওই বিদ্যালয়টি।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এতো দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান চলছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, ১৯৬৫ সালে এলাকার কয়েকজন গুণী মানুষের হাত ধরে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। বর্তমানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়টিতে পড়া- লেখা করলেও শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, কমনরুম, শিক্ষকদের জন্য আলাদা টয়লেট ও ভবনের অবস্থা নিয়ে রয়েছে নানা সমস্যা। দীর্ঘদিনের পুরোনো ভবনের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ভবনের দেয়াল ও ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদের মধ্যে দিয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। যে কোন সময় এই জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, পুরোনো ভবনের কারণে তারা অনেক সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিব আল-হাসান বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাস করার সময় ভয় লাগে। আমরা দ্রুত নতুন ভবন চাই।”

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিহাব উদ্দিন বলেন, “ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে ফাটল ধরেছে বিভিন্ন স্থানে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।” একজন অভিভাবক রাবেয়া বেগম বলেন, জরাজীর্ণ ভবনে ছেলে মেয়েদের কাটিয়ে সারাক্ষণ উদ্বেগ উৎকন্ঠায় থাকতে হয়। সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। তিনি আরও বলেন দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা গেলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও উন্নত হবে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জন কুন্ডু বলেন, “বিদ্যালয়ের ভবনটি অনেক পুরোনো এবং জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। ভবনটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। শ্রেণি কক্ষে যাতে কোনো ভাবেই পাঠদান না করানো হয় সেটি বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।