মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

মান্দারবাড়িয়া: বাংলাদেশের পরবর্তী পর্যটন বিস্ময় হওয়ার অপেক্ষায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মান্দারবাড়িয়া: বাংলাদেশের পরবর্তী পর্যটন বিস্ময় হওয়ার অপেক্ষায়

মো. মামুন হাসান

বাংলাদেশের পর্যটনের কথা উঠলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন কিংবা কুয়াকাটার নাম। অথচ দেশের দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলে এমন একটি সমুদ্র সৈকত রয়েছে, যার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা একসঙ্গে বিবেচনা করলে সেটি শুধু একটি নতুন পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উপকূলীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। সেই সৈকতের নাম মান্দারবাড়িয়া।

অদ্ভুত এক বৈপরীত্য হলো, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের পাশেই প্রায় আট কিলোমিটার দীর্ঘ এই সমুদ্র সৈকত আজও দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে অজানা। সুন্দরবনের পশ্চিম অংশ ঘেঁষে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত এই সৈকত একদিকে যেমন অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার, অন্যদিকে এটি বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি, টেকসই পর্যটন এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের এক অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনা। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এবং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাহীনতার কারণে এই সম্পদ এখনো জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায়নি।

বিশ্বের অনেক দেশ আজ তাদের অর্থনীতির বড় অংশ গড়ে তুলেছে প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনের ওপর। তারা বুঝতে পেরেছে, পাহাড়, বন, নদী কিংবা সমুদ্র শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; এগুলো জাতীয় সম্পদ। বাংলাদেশও যদি একই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, তাহলে মান্দারবাড়িয়া হতে পারে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের নতুন কেন্দ্র।

মান্দারবাড়িয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর অনন্য ভূপ্রাকৃতিক অবস্থান। এক পাশে সুন্দরবনের নিবিড় ম্যানগ্রোভ বন, অন্য পাশে বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশি। একই ভ্রমণে একজন পর্যটক সমুদ্র, বন, নদী, বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র্যের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। পৃথিবীর খুব কম পর্যটন গন্তব্যেই এমন সমন্বিত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। এই বৈশিষ্ট্যই মান্দারবাড়িয়াকে কক্সবাজারের প্রতিযোগী নয়, বরং সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি আন্তর্জাতিক ইকো ট্যুরিজম গন্তব্যে পরিণত করতে পারে।

বর্তমান সময়ে পর্যটনের নতুন ধারা হলো অভিজ্ঞতাভিত্তিক ভ্রমণ। মানুষ এখন কেবল সমুদ্র দেখতে চায় না; তারা প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে চায়। তারা চায় পাখির ডাক শুনতে, ম্যানগ্রোভের নৌপথে ভেসে যেতে, লাল কাঁকড়ার বিচরণ দেখতে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করতে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাকে কাছ থেকে জানতে। মান্দারবাড়িয়া এই সবকিছু একসঙ্গে দিতে সক্ষম।

কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের সামনে দাঁড়ায়। এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও মান্দারবাড়িয়া কেন আজও জাতীয় পর্যটন মানচিত্রে যথাযথ স্থান পায়নি? উত্তরটি খুবই স্পষ্ট। আমরা এখনো পর্যটনকে ব্যয় হিসেবে দেখি, বিনিয়োগ হিসেবে নয়। ফলে যেখানে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন ছিল, সেখানে বছরের পর বছর কেটেছে অবহেলায়। অথচ পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ মানে শুধু রাস্তা বা রিসোর্ট নির্মাণ নয়; এটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তোলা, নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

এখন সময় এসেছে মান্দারবাড়িয়াকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার। এটি শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়; এটি হতে পারে বাংলাদেশের প্রথম ম্যানগ্রোভ ইকো কোস্ট। এখানে পরিকল্পিতভাবে কার্বন নিরপেক্ষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে সৌরবিদ্যুৎচালিত নৌযান, পরিবেশবান্ধব ভাসমান ইকো লজ, সীমিত ধারণক্ষমতাভিত্তিক পর্যটন, গবেষণা কেন্দ্র এবং কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম একসঙ্গে পরিচালিত হবে। এতে যেমন জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে, তেমনি স্থানীয় জনগোষ্ঠীও পর্যটনের প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী হবে।

আরও একটি সাহসী উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। সরকার চাইলে মান্দারবাড়িয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ম্যানগ্রোভ রিসার্চ অ্যান্ড ইকো ট্যুরিজম ইনোভেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, পরিবেশবিদ, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যৌথভাবে গবেষণা পরিচালনা করবে। এতে বাংলাদেশ শুধু পর্যটন নয়, জলবায়ু গবেষণার ক্ষেত্রেও বৈশ্বিক পরিচিতি অর্জন করতে পারবে।

বিশ্বব্যাপী উপকূলীয় পর্যটন জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। উপযুক্ত পরিকল্পনা, নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং কার্যকর প্রচারণার মাধ্যমে মান্দারবাড়িয়াও কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি শক্তিশালী উৎসে পরিণত হতে পারে। এই সম্ভাবনার কথাই বিভিন্ন বিশ্লেষণে তুলে ধরা হয়েছে।

মান্দারবাড়িয়ার সৌন্দর্যের অভাব নেই। অভাব রয়েছে দূরদর্শী পরিকল্পনার। ইতিহাস সাক্ষী, যে দেশ তার প্রাকৃতিক সম্পদের মূল্য বুঝতে পারে, সেই দেশই টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশের জন্য মান্দারবাড়িয়া সেই বিরল সুযোগগুলোর একটি, যা এখনো আমাদের হাতছাড়া হয়নি। প্রশ্ন একটাই, আমরা কি সময় থাকতে এই সম্ভাবনাকে চিনতে পারব, নাকি আরেকটি জাতীয় সম্পদও অবহেলার ইতিহাসে হারিয়ে যাবে?

লেখক: মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান,ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

 

 

Ads small one

চব্বিশের জুলাই বিপ্লব: একাত্তরের অসমাপ্ত আকাক্সক্ষার তাত্ত্বিক পুনরুত্থান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
চব্বিশের জুলাই বিপ্লব: একাত্তরের অসমাপ্ত আকাক্সক্ষার তাত্ত্বিক পুনরুত্থান

এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমাজতাত্ত্বিক ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব এবং কাঠামোগত রূপান্তরকারী ঘটনা। এই অভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতন ছিল না, বরং এটি ছিল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে গড়ে ওঠা একটি হাইব্রিড মাফিয়া রেজিম এর বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও তৎকালীন শাসকদলের ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক সাধারণ নাগরিকদের ওপর দীর্ঘদিনের নিপীড়ন, ভোটাধিকার হরণ এবং একাধিপত্যবাদী ‘হেজেমনি’ সমাজকে একটি গভীর রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। জেনারেশন জেড শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনটি দ্রুতই রাষ্ট্রের দমন যন্ত্রগুলোর সহিংসতার মুখে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিবাদের পতন আন্দোলনের রূপ নেয়। এই বিপ্লবের মূল চালিকাশক্তি ছিল মেধার অবমূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ এবং নাগরিক হিসেবে নিজেদের হারানো মানবিক মর্যাদা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার পুনরুদ্ধার করা।
এই আন্দোলনের মাস মোবিলাইজেশন বা সামাজিক গতিশীলতার চরিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ সর্বজনীন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। তরুণ শিক্ষার্থীরা যখন রাজপথে নৈতিক প্রতিরোধের দেয়াল গড়ে তোলে, তখন তা সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে আলোড়িত করে। রিকশাচালক, তৈরি পোশাক শ্রমিক, মধ্যবিত্ত অভিভাবক, শিক্ষক থেকে শুরু করে আপামর জনতা দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক কাতারে শামিল হয়, যা ‘ইনক্লুসিভ সোশ্যাল মুভমেন্ট থিওরি’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক আন্দোলন তত্ত্বের একটি ক্ল্যাসিক্যাল উদাহরণ। রাষ্ট্রীয় হিংস্রতার মুখেও সাধারণ মানুষের এই অদম্য প্রতিরোধ মূলত রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের যে সামাজিক চুক্তি থাকার কথা, তার চরম লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিদ্রোহ ছিল। চব্বিশের এই তরুণ সমাজ প্রমাণ করেছে যে, বন্দুকের নল বা ভয়ের সংস্কৃতি দিয়ে একটি সচেতন জনসমষ্টির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে চিরতরে দমন করে রাখা অসম্ভব।
চব্বিশের এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের গভীর রাজনৈতিক ও আদর্শিক শিকড় সন্ধান করতে গেলে আমাদের অনিবার্যভাবে ফিরে যেতে হয় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল স্পিরিটের কাছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব কোনো বিচ্ছিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং এটি ১৯৭১ সালের অসমাপ্ত গণতান্ত্রিক ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেরই একটি ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে তিনটি মূল নীতি ঘোষণা করা হয়েছিল—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর যে চরম অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্য চাপিয়ে দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে লড়াই করেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, স্বাধীনতার পরবর্তী দশকগুলোতে এবং বিশেষ করে বিগত ১৫ বছরে, সেই স্বাধীনতার চেতনাকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে দেশে একটি নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদের জন্ম দেওয়া হয়েছিল, যেখানে সাধারণ নাগরিকেরা আবার বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হয়।
ফলে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার মিলটি অত্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক ও তাত্ত্বিক। একাত্তরে বাঙালি জাতি যেভাবে একটি ঔপনিবেশিক মানসিকতাসম্পন্ন সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে নিজেদের ভোটাধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের জন্য লড়াই করেছিল, চব্বিশের ছাত্র-জনতাও ঠিক একইভাবে একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জনগণের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে। উভয় আন্দোলনেই ছাত্র ও তরুণ সমাজ রাজনৈতিক ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করেছে এবং সাধারণ মানুষকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসার নৈতিক শক্তি জুগিয়েছে। একাত্তরে যা ছিল ভৌগোলিক ও সার্বভৌম স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই, চব্বিশে এসে তা রূপ নিয়েছে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ফ্যাসিজম থেকে মুক্তি এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের লড়াইয়ে। চব্বিশের জুলাই বিপ্লব একাত্তরের সেই মূল স্পিরিট—অর্থাৎ প্রকৃত সাম্য ও ন্যায়বিচারের আদর্শ দিয়েই একাত্তরের চেতনাকে অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিজমের পতন ঘটিয়েছে এবং রাষ্ট্রকে জনগণের সামগ্রিক কল্যাণের একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক কাঠামো হিসেবে পুনর্র্নিমাণের নতুন পথ দেখিয়েছে। এ সুযোগকে আর হারানো যাবে না। এখনই সময় তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে মহান জুলাই ও স্বাধীনতার সাম্য, সামাজিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সকল ফ্যাসিস্ট, স্বাধীনতা বিরোধী ও মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। লেখক: এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক আহ্বায়ক, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি

 

ঢাকায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাতক্ষীরার এক ব্যক্তির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
ঢাকায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাতক্ষীরার এক ব্যক্তির মৃত্যু

 

পত্রদূত রিপোর্ট: রাজধানী ঢাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের তিনতলা থেকে নিচে পড়ে মো. মোজাফফর হোসেন (৪৮) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোজাফফর হোসেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের গোবরদাড়ি গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদের (ওয়াদুদ আমিন) ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার গোবরদাড়ি গ্রামে নিহতের নিজ বাসভবনে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মোজাফফর হোসেনের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

 

 

 

 

 

আশাশুনিতে জন্মাষ্টমী পালনে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জন্মাষ্টমী পালনে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের প্রস্তুতি সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট আশাশুনি উপজেলা শাখার আয়োজনে ২০২৬ সালের শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আশাশুনি বাজার কালীমন্দিরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উপজেলা সভাপতি তুষার কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রীতিষ রায়ের সঞ্চালনায় সভায় সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বশীল নেতারা অংশ নেন।
সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী জন্মাষ্টমীতে শোভাযাত্রা ও সদর পরিষদ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। পাশাপাশি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।