মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

যেসব অভ্যাসে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে আপনার চার্জার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
যেসব অভ্যাসে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে আপনার চার্জার

চার্জিং কেবল আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এমন এক প্রযুক্তি, যাকে আমরা সাধারণত গুরুত্ব দিই না—যতক্ষণ না এটি হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায় এবং ফোনে চার্জ দেওয়ার উপায় থাকে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই কেবল নষ্ট হওয়ার পেছনে বড় কারণ আমরা নিজেরাই। একটু যত্ন নিলেই এগুলোর আয়ু অনেক বাড়ানো সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড লাইফ সাইকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল পেক্ট তার ল্যাবে নিয়মিত চার্জিং কেবল পরীক্ষা করেন—ভাঙেন, টানেন, অতিরিক্ত ব্যবহার করেন, এমনকি এক্স-রে করে ভেতরের ক্ষতিও দেখেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যেন ইলেকট্রনিক্সের মর্গ।’

অনেকের ধারণা, কেবল সঠিকভাবে পেঁচিয়ে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পেক্ট এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চার্জিং কেবল কীভাবে পেঁচিয়ে রাখা হচ্ছে, সেটি আসলে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঢিলেঢালা করে বা একটু এলোমেলোভাবে রাখলেও সাধারণত তাতে ক্ষতি হয় না।

তাহলে কেবল নষ্ট হয় কীভাবে?

সমস্যার মূল: প্লাগের গোড়া
বিশেষজ্ঞদের মতে, চার্জিং কেবল সাধারণত নষ্ট হয় সেই জায়গায় যেখানে তারটি প্লাগের সঙ্গে যুক্ত থাকে। কারণ ব্যবহারের সময় এই অংশটিতেই সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে।
ধরুন একটি পেপার ক্লিপ। একই জায়গায় বারবার বাঁকালে সেটি একসময় ভেঙে যায়। চার্জিং কেবলের ভেতরের ধাতব তারও একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার বাঁকানো বা চাপ পড়ার ফলে ধাতুর ভেতরে সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে, যা শেষে ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়।

যেসব অভ্যাস কেবল নষ্ট করে

তার ধরে টেনে প্লাগ খুলে ফেলা: অনেকেই কেবল ধরে টান দেন, কিন্তু এতে প্লাগের সংযোগস্থলে চাপ পড়ে। সবসময় প্লাগ ধরে খুলতে হবে।

অতিরিক্ত টান দিয়ে ব্যবহার: ছোট কেবল দিয়ে দূরের সকেটে পৌঁছাতে গেলে কেবল টানটান হয়ে যায়, যা ক্ষতিকর।

ব্যবহারের সময় বাঁকানো: বিছানায় শুয়ে ফোন ব্যবহার করার সময় প্লাগ বাঁকিয়ে রাখা খুব সাধারণ অভ্যাস—এটিই বড় ক্ষতির কারণ।

গাড়িতে চাপ দিয়ে রাখা: ফোন চার্জে রেখে কাপ হোল্ডারে রাখলে কেবলের ওপর চাপ পড়ে, বিশেষ করে গাড়ি চলার সময়।

ভালো কেবল কেনা জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সস্তা কেবল দ্রুত নষ্ট হওয়ার বড় কারণ। তাই একটু ভালো মানের কেবল কেনা দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক।

বিশেষ করে ব্রেইডেড (বোনা) কেবল। যেগুলোর ওপর নাইলনের জাল থাকে। সেগুলো বেশি টেকসই। এগুলো ভাঙার সম্ভাবনা কম এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।

চার্জিং কেবল খুব সাধারণ একটি জিনিস মনে হলেও, একটু ভুল ব্যবহারে এটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু সঠিকভাবে ব্যবহার করলে একটি ভালো কেবল অনেক বছর টিকে যেতে পারে।

অতএব, কেবলকে অবহেলা না করে একটু যত্ন নিন— এতে আপনার টাকা বাঁচবে, আর পরিবেশের ওপরও চাপ কমবে।

সূত্র: বিবিসি

Ads small one

সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত এবং নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে সক্রিয় এসব বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫২ জন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-৬ সদর দপ্তর, খুলনা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারীদের কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র‌্যাব-৬সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে। তিনি সাতক্ষীরা শহরতলীর খেলারডাঙগী এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৩৪)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালতলা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের দোকানের কর্মচারী তালতলা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে ভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম তার ভ্যানে বালু লোড দেওয়ার এক পর্যায়ে মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পিছনে প্রসাব করতে বসেন।

 

এসময় বিলের মধ্যে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে জানান। আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো বোরখা পরিহিত নারীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

 

খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান’র নেতৃত্বে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন। এসময় ঘটনা স্থল থেকে পুলশ একটি এন্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় লাশটি কহিনুর বেগমের।

 

ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারন উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদের উদ্যোগে সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ মাগরিব থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে এই বিশেষ মাহফিল শুরু হয়।

 

মাওলানা রোকনুজ্জামান বিপ্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পেশ করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আফজাল হোসেন জিহাদী।

 

এ ছাড়া মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে আলোচনা করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেবৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি