রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জোরালো সহযোগিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক রাডারে সর্বদা সক্রিয় থাকে এবং অন্য কোনও বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংঘাত বা সংকটের আড়ালে চাপা পড়ে না যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা ও কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে দ্রুত মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কোঅপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপনসিবিলিটিজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশাসনিক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব রাজনীতির নেতৃস্থানীয় দেশ এবং জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এ সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধান করা সম্ভব। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাসহ (ইউএনএইচসিআর) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই— আশ্রিত প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন (ইউএনএইচসিআর’র হিসাবে ১ দশমিক ২ মিলিয়ন) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে (এফডিএমএন) যেন আমরা পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারি। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা ও নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।

সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৯ বছর ধরে বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয়, খাদ্য, জমি, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মৌলিক নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় নাগরিক উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পের চারপাশে সীমান্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও সুনিয়ন্ত্রিত যাতায়াত ব্যবস্থার মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার প্রতি স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বে এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সফলভাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করেছিল। অতীতের সেই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও শতভাগ সফল প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর্মুলেশন কমিটি অন রোহিঙ্গা অ্যাফেয়ার্স’ গঠিত হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপর একটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি সক্রিয় রয়েছে।

তিনি বলেন, বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সরকার একটি সর্বাত্মক ‘হোল-অব-গভর্নমেন্ট’ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা ছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রদত্ত মানবিক সহায়তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সমাধানের তাগিদকে কমিয়ে দিতে পারে। তাই জরুরি ত্রাণ সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের দ্রুত একটি ‘ট্রানজিশনাল স্ট্র্যাটেজি’ বা রূপান্তরকালীন কৌশলে যেতে হবে, যার মূল লক্ষ্য হবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও ফিরে যাওয়ার উপযোগী উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, টেকসই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, জাতীয় ঐক্য ও শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামোর সমন্বয়ে বাংলাদেশ দ্রুতই রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে সক্ষম হবে।

আইজিসিএফ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আদনান রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে গোলটেবিল আলোচনাটি শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানান, গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি আইভো ফ্রেইসেন, বিআইআইএসএস’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শরণার্থী সেলের প্রধান ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, আইইউবি-র অধ্যাপক ড. কাজী মাহমুদুল রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা সাকিব এবং ইউল্যাবের সহকারী অধ্যাপক অবন্তী হারুন, অ্যাকশন-এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির এবং দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রাহীদ এজাজ প্রমুখ।

Ads small one

কয়রার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি শামিম সম্পাদক মুছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
কয়রার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি শামিম সম্পাদক মুছা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ১নং কয়রা তরুণ সংঘের ২ বছর মেয়াদী কার্য-নির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

নির্বাচনে সভাপতি পদে ২৮ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শামীম হোসেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কোহিনূর ইসলাম পেয়েছেন ২৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আবু মুছা। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন পেয়েছেন ২৩ ভোট। অপরদিকে সহ-সভাপতি পদে মোঃ আল আমিন ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাংগঠনিক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জয়নুল আবেদীন। তিনি ২৭ ভোট পেয়েছেন।

 

এর আগে ৭ টি পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ১নং কয়রা তরুন সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছেন। নিবিঘেœ ভোটরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সকলের সহযোগিতায় একটি ভাল ভোট করায় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এদিকে নব নির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

কেশবপুরে মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরের শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শনিবার কেশবপুর প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে গভর্নিং বডির সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হাসান লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার ভাই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে শাহাদাত বরণ করেন। তার আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং এলাকায় উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে আমার পিতা সাবেক এমপি মরহুম মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন নিজের জমি ও শ্রম দিয়ে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ কলেজটি আমাদের আবেগ, দায়বদ্ধতা ও এলাকার মানুষের প্রতি অঙ্গীকার।

 

প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে ও সংশ্লিষ্ট সকলের অনুরোধে আমি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব নিয়েই কলেজের নতুন ভবন নির্মানসহ অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করেছি। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এ কলেজের নিয়ন্ত্রন দখলের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

 

প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ কলেজটি যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, শিক্ষার পরিবেশ যেন অক্ষুন্ন থাকে তার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, গভর্নিং বডির সদস্য আব্দুল খালেক, বিএনপি নেতা বাবলুর রহমান, মুশফিকুর রহমান ও শুভ্র।

সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দা:) মোঃ আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল খায়ের প্রমূখ।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল, রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুর রহমান খোকন, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অডিটর ও আলিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম আব্দুর রকিব, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদ প্রমূখ।

এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খেজুরডাঙ্গা আর কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস।