রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা কেন কক্সবাজার বা সিলেট হতে পারল না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা কেন কক্সবাজার বা সিলেট হতে পারল না

মো. মামুন হাসান

বাংলাদেশের মানচিত্রে পর্যটনের কথা উঠলেই প্রথম সারিতে আসে কক্সবাজার, সিলেটের চা-বাগান কিংবা হাওরাঞ্চলের নাম। অথচ খুলনা বিভাগের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলার সম্পদ ও বৈচিত্র্য কোনো অংশেই কম নয়। বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের সিংহভাগই এই জেলায় অবস্থিত, যাকে বলা যায় সুন্দরবনের প্রকৃত প্রবেশদ্বার। এছাড়া রয়েছে মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক যশোরেশ্বরী কালীমন্দির, কপোতাক্ষ নদ, আকাশলীনা ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট এবং শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা। তবে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পর্যটন মানচিত্রে এখনো কাঙ্ক্ষিত স্থান করে নিতে পারেনি জেলাটি। কক্সবাজার বা সিলেট সফল হতে পারলেও সাতক্ষীরা কেন পিছিয়ে রয়েছে এবং এই দুই জেলার উন্নয়ন মডেল এখানে কীভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব—তা নিয়ে একটি সুস্পষ্ট বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

কক্সবাজার ও সিলেটের পর্যটন খাতের সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে যোগাযোগ অবকাঠামো। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স’ অনুযায়ী, আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং পর্যটকবান্ধব পরিবেশই যেকোনো গন্তব্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রধান ভিত্তি। বিমানবন্দর, রেল সংযোগ এবং প্রশস্ত মহাসড়কের কল্যাণে কক্সবাজার আজ ঢাকা থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে পরিণত হয়েছে। সিলেটের চিত্রও একই রকম; সুসংগঠিত সড়ক ও আকাশপথের কারণে ছুটির দিনগুলোতেও সেখানে বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। পক্ষান্তরে, সাতক্ষীরায় অবকাঠামোগত ঘাটতি প্রকট। জেলার প্রায় ৮০ শতাংশ সড়ক এখনো অনুন্নত। বিশেষ করে শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুরের মতো উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোতে পাকা রাস্তা, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট বিদ্যমান। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মৌলিক সুবিধাই যেখানে নিশ্চিত নয়, সেখানে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা কঠিন।

দ্বিতীয়ত, বর্তমান যুগের ভ্রমণপিপাসুরা কেবল প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন না; তারা চান পূর্ণাঙ্গ এক অভিজ্ঞতা। যার মধ্যে রয়েছে মানসম্মত আবাসন, নিরাপদ খাবার, বিনোদনের বিকল্প ব্যবস্থা এবং সার্বিক নিরাপত্তা। কক্সবাজারে বহু বছরের সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরায় মান্দারবাড়িয়া সৈকতের মতো মনোরম স্থান থাকলেও সেখানে পর্যটকদের রাত্রিযাপনের উপযোগী হোটেল বা রিসোর্ট নেই। ফলে দর্শনার্থীদের দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

তৃতীয় মূল কারণ জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর প্রচারণার অভাব। সুন্দরবন বললেই সাধারণ মানুষের মনে প্রথমে বাগেরহাটের মংলা বা বাগেরহাট সদরের ছবি ভেসে ওঠে; সাতক্ষীরার নাম সেখানে উপরিভাগে আসে না। ভ্রমণ গাইড, সরকারি প্রচার-প্রচারণা এবং গণমাধ্যমের কেন্দ্রবিন্দু দীর্ঘদিন অন্য জেলার দিকে থাকায় সাতক্ষীরা তার নিজস্ব ব্র্যান্ডিং গড়ে তুলতে পারেনি। এর পাশাপাশি সীমান্ত সংলগ্ন জেলা হওয়ার কারণে নিরাপত্তা সম্পর্কিত এক ধরনের অমূলক সংশয়ও পর্যটকদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি করে।

তবে কক্সবাজার বা সিলেটের উন্নয়ন মডেল সরাসরি সাতক্ষীরায় অনুকরণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। কক্সবাজারের মতো অতিরিক্ত পর্যটক ও বহুতল ভবনের উপস্থিতি সুন্দরবনের সংবেদনশীল ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে। পরিবেশগতভাবে স্পর্শকাতর এই অঞ্চলে বড় ধরনের অবকাঠামোগত নির্মাণ বিপর্যয় ডেকে আনবে। তাই সাতক্ষীরার জন্য প্রয়োজন একটি বিশেষায়িত টেকসই পরিকল্পনা, যেখানে প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি পাশাপাশি চলবে। সম্প্রতি সরকার যে ‘কমিউনিটি বেসড ট্যুরিজম’ গাইডলাইন তৈরি করেছে—যেখানে স্থানীয় অধিবাসীদের পর্যটন কর্মকা-ে সরাসরি যুক্ত করার কথা বলা হয়েছেÑতা সাতক্ষীরার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সিলেটের চা-বাগানের মতো এখানেও নদীভ্রমণ, স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও ছোট পরিসরের ইকো-রিসোর্টভিত্তিক মডেল গড়ে তোলা যেতে পারে। যেমনটা দেখা যায় মালদ্বীপে; বিশাল স্থাপনার বদলে বুটিক ইকো-রিসোর্ট ও নান্দনিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তারা বিশ্বমানের পর্যটন গড়ে তুলেছে।

এই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়নে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি:
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন: জেলা সদরের সঙ্গে শ্যামনগরসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর সড়ক ও নৌপথের যোগাযোগ আধুনিকীকরণ করা।

পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ: বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনা দিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরের টেকসই ইকো-রিসোর্ট নির্মাণে উৎসাহিত করা।

সমন্বিত পর্যটন সার্কিট: মান্দারবাড়িয়া সৈকত, যশোরেশ্বরী মন্দির ও গুড়পুকুরের মেলাকে একই সুতোয় বেঁধে দর্শনার্থীদের জন্য সহজ পরিকল্পনা তৈরি করা।

জাতীয় ব্র্যান্ডিং: সুন্দরবনের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাতক্ষীরাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা।

সাতক্ষীরার প্রয়োজন অন্য কোনো জেলার অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং নিজস্ব প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদী টেকসই মডেল গড়ে তোলা। পরিকল্পিত পদক্ষেপ ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে এটি কেবল পর্যটন খাতেই নয়, সামগ্রিকভাবে জেলার অর্থনৈতিক চিত্রে এক দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। লেখক: মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ,সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা

Ads small one

রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ হওয়ার কারণ জানা গেলো ল্যাব পরীক্ষায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ হওয়ার কারণ জানা গেলো ল্যাব পরীক্ষায়

খুলনার পাইকগাছায় রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার ‘সম্ভাব্য’ কারণ বর্ণনা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। ল্যাব পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলের বরাতে সংস্থাটি বলছে, রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক (এক ধরনের আয়রন ও প্রোটিনযুক্ত উপাদান, যা পেশিকোষে অক্সিজেন জমা রাখে এবং এর জন্য মাংসের লাল বা গোলাপি রঙের দেখায়) পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তরের কারণে মাংস সবুজ রঙ ধারণ করেছে।

গত ২৭ অগাস্টের ল্যাবরেটরি পরীক্ষার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিএফএসএ। সেখানে বলা হয়, নমুনায় কোনও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী সিউডোমোনাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে কোনও পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। যা নিশ্চিত করে, এই রঙ পরিবর্তন কোনও ব্যাক্টেরিয়াঘটিত বা পচনের কারণে ঘটেনি।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, রেফ্রিজারেটরে রাখা মাংস স্বাভাবিক তাপমাত্রায় না এনে হঠাৎ বেশি তাপের সংস্পর্শে এলে মাংসের লাল রং তৈরির উপাদান পরিবর্তন হয়ে সবুজ রং হয়ে থাকতে পারে। তবে মাংসে ক্ষতিকারক কোনও ব্যাকটেরিয়া বা পচনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাইকগাছায় রান্নার পর সবুজ হয়ে যাওয়া মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ল্যাবরেটরি থেকে পাওয়া পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিএফএসএর খাদ্য বিশ্লেষণ শাখার প্রতিবেদন বলছে, স্পেক্ট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, ফ্রিজে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে সবুজ রঙ ধারণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিএফএসএর খুলনা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আজকেই এ প্রতিবেদন আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই নমুনা মাংসগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে। আমাদের কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে মাংসগুলো সবুজ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।’

গত ২২ জুলাই কুলনার পাইকগাছা পৌরসভার মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা কর্মস্থলে একসঙ্গে ভোজের আয়োজন করেন। সেজন্য বাজার থেকে গরুর মাংস কিনে আনেন তারা। তবে রান্নার সময় গরুর মাংসের রং বদলে সবুজ হয়ে যেতে শুরু করে। এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে স্থানীয় থানায় হাজির হন রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বেকারির কর্মচারীদের ভাষ্য, তেল-মশলা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না শুরুর কিছুক্ষণ পরই মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং বদলে নীলচে-সবুজ হতে থাকে। যতই নাড়াচাড়া করা হচ্ছিল, পরিবর্তিত রং ততই গাঢ় হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে তারা চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে অন্যদের ডাকেন। পরে রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে যান তারা মাংস বিক্রেতার দোকানে। তিনিও এ ঘটনা দেখে বিস্মিত হন। পরে তারা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখান তাদের থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে কড়াইসহ তারা থানায় যান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবুজ মাংসের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নিয়ে দেশব্যাপী শুরু হয় আলোচনা। এর প্রেক্ষিতে মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে পরীক্ষার জন্য নমুনা ২৬ জুলাই বিএফএসএর ল্যাবে পাঠানো হয়।

মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘গরুর মাংসের লালচে রঙের উপাদানকে মায়োগ্লোবিন বলা হয়। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা মাংস হঠাৎ করে অনেক বেশি তাপের সংস্পর্শে এলে ওই উপাদানের পরিবর্তন হতে পারে। তখন মাংসের লাল রং সবুজ হয়ে যেতে পারে।’

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য বিশ্লেষক নাজিয়া সুলতানার স্বাক্ষরিত পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাংসের নমুনায় কোনও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা রং তৈরিকারী ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়নি। মাংসে পচা গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। তাই মাংস পচে যাওয়ার কারণে বা কোনও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে রং পরিবর্তন হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোকলেছুর রহমান বলেন, ফলাফলে ‘ধারণা করা হচ্ছে’ বলা হয়েছে। কারণ, এ ধরনের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে ধারণা করা হয়। তাই সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত কারণ হিসেবে না বলে ‘ধারণা করা হচ্ছে’ বলা হয়েছে।

মাংস বিক্রেতা ইসমাইল শুরু থেকেই মাংসে কোনও সমস্যা থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। তার ভাষ্য, একই মাংস থেকে আরও কয়েকজন ক্রেতার কাছে মাংস বিক্রি করা হয়েছিল। শুধু মডার্ন বেকারির কর্মচারীরাই অভিযোগ করেছিলেন।

মডার্ন বেকারির কর্মচারী লিটন হোসেন বলেন, ‘আমরা ওই মাংস খাইনি। প্রশাসনকে জানিয়ে ফিরে এসে মাংস ফেলে দিয়েছিলাম। এখন পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। ওই মাংসে নাকি ক্ষতিকর কিছু ছিল না।’

আলিপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আলিপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আলিপুর ইউনিয়নে এক প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাদীউজ্জামান বাদশাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান চান্দু। সভা পরিচালনা করেন আলিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নুরুজ্জামান পল্টু।
সভায় ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিসমূহ সফল করতে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শ্যামনগরে ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: বেসরকারি সংস্থা রুপান্তরের আয়োজনে শ্যামনগরে ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকালে শ্যামনগর উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন উত্তরণের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাজমা আক্তার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বুড়িগোয়ালিনী ও কৈখালী ইউনিয়নের প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পেশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা শাহানা হামীদ, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি গাজী আল ইমরান, শিক্ষক-সাংবাদিক রণজিৎ বর্মণ, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সভাপতি আলী আশরাফ, অ্যাডভোকেট মুনসুর আলী, কৈখালী ইউনিয়নের আ. রশিদ, নাছিমা খাতুন, লাকী আক্তার, তুলসী রানী প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আমিনুর রহমান। সহযোগিতায় ছিলেন সংস্থার পক্ষে সাদ্দাম হোসেন, নয়ন হরি ও রিপন।