রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার ল্যাব রিপোর্ট প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার ল্যাব রিপোর্ট প্রকাশ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আলোড়ন তোলা গরুর মাংস রান্না করার পর সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। প্রাথমিক ল্যাব পরীক্ষায় মাংসে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পচনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ ও রান্নার উচ্চ তাপের প্রভাবে মাংসের রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনই এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ল্যাব রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২২ জুলাই পাইকগাছায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে উজ্জ্বল সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে জনস্বাস্থ্য ও মাংসের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক দেখা দেয়।

পরিস্থিতি বিবেচনায় কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সম্প্রতি পাওয়া ওই ল্যাব রিপোর্টে জানানো হয়, পরীক্ষায় মাংসের নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এমনকি পিগমেন্ট উৎপাদনকারী ‘সিউডোমোনাস’ ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি কিংবা মাংস পচনের কোনো দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। ফলে ঘটনার সঙ্গে ব্যাকটেরিয়াজনিত পচন বা জীবাণুর সংশ্লিষ্টতা খারিজ করা হয়েছে।

ল্যাবের স্পেক্ট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মাংসটি দীর্ঘ সময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। পরে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসায় মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক ও গাঠনিক রূপান্তর ঘটে। এই পরিবর্তনের ফলেই মাংস উজ্জ্বল সবুজ রং ধারণ করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২২ জুলাই পাইকগাছা বাজারের মাংস বিক্রেতা ইসমাইলের কাছ থেকে মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা চার কেজি গরুর মাংস কেনেন। বেকারিতে ওই মাংস রান্না করার সময় স্বাভাবিক লালচে রং বদলে উজ্জ্বল সবুজ হয়ে যায়। বিষয়টি দেখে আতঙ্কিত হয়ে বেকারির কর্মীরা রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয় মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পাঠায়।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনমনে সৃষ্টি হওয়া আতঙ্ক দূর করতে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করতে পরীক্ষার প্রতিবেদনের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত ‘সবুজ মাংস’ কেন্দ্রিক বিভ্রান্তির অবসান ঘটল।

 

 

Ads small one

সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা ও খুলনা বিভাগীয় আম্পায়ার্স এসোসিয়েশনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা ও খুলনা বিভাগীয় আম্পায়ার্স এসোসিয়েশনের শোক

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্কোরার সাইদুর রহমান ভূঁইয়া (৫৬) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) ভোর ৬ টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাইদুর রহমান ২০১৩-১৪ সেশনে বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশন খুলনা বিভাগ থেকে ‘বেস্ট স্কোরার অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছিলেন।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগীয় এবং সাতক্ষীরা জেলা শাখা। বিবৃতিতে সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। বিবৃতিদাতারা হলেন- এসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, সহ-সভাপতি খন্দকার কবির হাসান দিপু ও শেখ রবিউল ইসলাম শিবলু, সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান সৈকত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ শেখ আখেরুজ্জামান তাপস, দপ্তর সম্পাদক সঞ্জীব কুমার ব্যাণার্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফজলুল করিম, এবং কার্যকরী সদস্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট সম্পাদক ইকরামুল ইসলাম লালু, মো. জিয়াউর রহমান সবুজ, অহিদুজ্জামান শামিম, আরিফ হোসেন জেম, ফিরোজ রহমান, শেখ দারুজ্জামান রুবেল, শেখ রফিকুর রহমান লাল্টু, মো. মহাসীন আলী ও এস এম হাবিবুল হাসান। পৃথক বিবৃতিতে খুলনা বিভাগীয় শাখার সভাপতি আবু মোঃ আখতারুজ্জামান (মুকুল) গভীর শোক ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাত নসিব করার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

 

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এবং পারিবারিক সমতা তৈরিতে পুরুষ ও যুবদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে সিসিডিবি-শক্তি প্রকল্প কার্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘সিসিডিবি শক্তি প্রজেক্ট’-এর বাস্তবায়নে মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ২৫ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে সভাপতি ও প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন সিসিডিবি-শক্তি প্রকল্পের এরিয়া ম্যানেজার নিলীমা রানী। সহায়ক প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন শুভ্রা রানী ম-ল ও তন্দ্রা রানী। কর্মশালায় জেন্ডার সমতা, নারীর অধিকার ও নারীদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবারের পুরুষের ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিতের লক্ষ্যে সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিতের লক্ষ্যে সেমিনার

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার তালায় এক সেমিনার ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় দাতা সংস্থা ‘মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল’-এর সহায়তায় এবং ‘মুক্তি ফাউন্ডেশন’-এর বাস্তবায়নে খেশরা ইউনিয়নের শালিখা ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তি ফাউন্ডেশনের পরিচালক গোবিন্দ ঘোষ।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন শালিখা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু। প্রকল্প কর্মকর্তা ও প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন মোল্যা প্রজেক্টের বিভিন্ন বিষয় ও নিরাপদ প্রসবের গুরুত্ব নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর বর্তমান হার, বাড়িতে ও হাসপাতালে প্রসবের চিত্র এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার ধাপগুলো তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় অংশ নেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, স্থানীয় ইমাম, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের প্রতিনিধি, কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তা ও উপকারভোগী গর্ভবতী নারীরা।
বক্তারা বলেন, দেশে এখনো ৩৩ থেকে ৩৬ শতাংশ সন্তান প্রসব বাড়িতে হওয়ায় জটিলতা বাড়ছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ১৩৬ জন মা এবং প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ২০ জন নবজাতক মারা যাচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক সময়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার মাধ্যমে মাতৃ ও শিশু মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে সভায় একমত পোষণ করা হয়।