বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরার জলবায়ু সংকট ও বেঁচে থাকার লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার জলবায়ু সংকট ও বেঁচে থাকার লড়াই

মো. মামুন হাসান

সাতক্ষীরা বাংলাদেশের সেই জেলাগুলোর একটি, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন আর দূরের কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নয়, বরং প্রতিদিনের বাস্তবতা। উপকূলবর্তী এই জেলার মানুষ প্রতিনিয়ত লড়ছেন লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় আর ভাঙনের সঙ্গে, আর এই লড়াইয়ের ক্ষতচিহ্ন এখনো দগদগে।

২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা আঘাত হানে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায়। প্রায় পনেরো ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা উপকূল। সতেরো বছর পার হলেও সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি।

একসময় সবুজ বনানী ও কৃষি ফসলে ভরপুর ছিল গাবুরা, পদ্মপুকুরসহ উপকূলীয় অঞ্চল, ধান, পাট, শাকসবজিতে সমৃদ্ধ ছিল পুরো এলাকা। কিন্তু আইলার পর লবণাক্ততায় অনাবাদি হয়ে পড়েছে বিস্তীর্ণ জমি, চারদিকে এখন শুধু মাছের ঘের, সবুজের উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে।

এই সংকট শুধু অতীতের নয়, বর্তমানেও প্রবহমান। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী জেলায় মোট আটশ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে আড়াইশ কিলোমিটারই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত এসব বাঁধে ব্যাপক ভাঙন ও ফাটল দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি জুন মাসের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, শুধু শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলাতেই চল্লিশটি পয়েন্টে প্রায় বিশ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, যা বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করছে। কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া, ইছামতি ও বেতনা নদীর তীরবর্তী এলাকার লক্ষাধিক মানুষ প্রতি বর্ষা মৌসুমে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় দিন কাটান।

লবণাক্ততার প্রভাব শুধু কৃষিতেই সীমাবদ্ধ নয়, তা মানুষের সুপেয় পানির অধিকারকেও কেড়ে নিয়েছে। প্রথম আলোর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী শ্যামনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট চলছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বিষয়টি এতটাই গুরুতর যে সম্প্রতি উচ্চ আদালত পর্যন্ত এই সংকট নিরসনে নেওয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন চেয়েছেন। উপকূলের বহু পরিবারকে এখন পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় নতুন সংকট তৈরি করছে। কৃষিকাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও তাদের শ্রমের যথাযথ স্বীকৃতি না পাওয়া, যা জলবায়ু সংকটের সামাজিক মাত্রাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

তবে হতাশার মধ্যেও কিছু আশার আলো দেখা যাচ্ছে। রাইজিংবিডির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে সাতাশ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে, যার অগ্রগতি বর্তমানে বাষট্টি শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির অর্থায়নে শ্যামনগরে আরও আড়াই কিলোমিটার স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মিত হচ্ছে। এই উদ্যোগগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে উপকূলবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব হতে পারে।

সাতক্ষীরার এই সংকট মোকাবিলায় কয়েকটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।

প্রথমত বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ কেবল প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয়ত সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও দুর্নীতিমুক্ত পরিকল্পনা প্রয়োজন, কেননা এই খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে সংকট রয়েই যাবে।

তৃতীয়ত লবণাক্ততা সহনশীল ফসলের জাত সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের বিকল্প জীবিকার প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে তারা কেবল চিংড়ি ঘেরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না থেকে বহুমুখী আয়ের পথ খুঁজে পান।

চতুর্থত জলবায়ু অভিযোজনে নারীর ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সাতক্ষীরার মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই বেঁচে থাকতে শিখেছেন, কিন্তু এই লড়াই একা তাদের চালিয়ে যাওয়ার কথা নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন সরকার, স্থানীয় প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত ও আন্তরিক উদ্যোগ, যাতে উপকূলের এই জনপদ আবারও তার হারানো সবুজ ও জীবনের ছন্দ ফিরে পেতে পারে।

লেখক: মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা।

Ads small one

শ্যামনগরের নীলডুমুরে মুরগির ঘরে ১০ ফুটের অজগর, খেয়ে ফেলেছে ৬ হাঁস-মুরগি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরের নীলডুমুরে মুরগির ঘরে ১০ ফুটের অজগর, খেয়ে ফেলেছে ৬ হাঁস-মুরগি
এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর এলাকায় একটি মুরগির ঘর থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট লম্বা ও ২৫ থেকে ৩০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ ও কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যরা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নীলডুমুর এলাকার আতিয়ার রহমান গাজীর ছেলে মুক্তার গাজীর মুরগির ঘর থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা অজগরটিকে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকার কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবারের সন্ধানে অজগরটি লোকালয়ে ঢুকে মুক্তার গাজীর মুরগির ঘরে আশ্রয় নেয়। এ সময় অজগরটি ঘরের মধ্যে থাকা হাঁস-মুরগির ওপর আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ছয়টি হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলে বলে জানান বাড়ির মালিক।
মুক্তার গাজী বলেন, “রাতে আমার মুরগির ঘরের মধ্যে অজগরটি ঢুকে পড়ে। সকালে দেখি মুরগিগুলো ঘর থেকে বের হচ্ছে না। পরে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে দেখি বিশাল বড় একটি অজগর সাপ রয়েছে।
 বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগ ও সিপিজির সদস্যদের জানাই। খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে অজগরটি উদ্ধার করে।”
খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্য ও সিপিজির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে অজগরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরে বন বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অজগরটিকে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকা থেকে কিছুটা দূরে বনের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নীলডুমুর এলাকার একটি মুরগির ঘর থেকে বড় আকৃতির একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। অজগরটির দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৮ থেকে ১০ ফুট এবং ওজন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কেজি। উদ্ধার শেষে এটিকে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকার কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়েছে।”
সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মাঝেমধ্যেই লোকালয়ে অজগরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী চলে আসার ঘটনা ঘটে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, খাদ্যের সন্ধান কিংবা প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে এসব বন্যপ্রাণী কখনো কখনো লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসে। এ ধরনের প্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনার উপকূলীয় উপজেলা পাইকগাছায় বিরামহীন হালকা ও ভারী বৃষ্টিপাতে স্বাভাবিক জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বিরামহীন টানা বৃষ্টিপাতের ফলে খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

 

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে উপজেলার পৌর সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকা এবং কাঁচা রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একটানা বৃষ্টির কারণে দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক, কৃষিশ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ কাজে বের হতে পারছেন না। এতে তারা চরম অর্থনৈতিক সংকটে ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়েছেন।

 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ও নিচু সড়কগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়ায় এবং রাস্তায় কাদা জমে যাওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্বাভাবিক পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে নিচু এলাকার ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং জোয়ারের পানি ও বৃষ্টির কারণে পুকুর ও চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে নিচু এলাকার অনেক বাড়ির উঠান এমনকি রান্নাঘরেও পানি ঢুকে পড়েছে। এতে গৃহিণীদের রান্নাবান্নাসহ স্বাভাবিক গৃহস্থালি কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আমনের বীজতলা এবং মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় চাষিরা। কিছু কিছু নিচু এলাকার সবজি খেত ইতোমধ্যে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

 

নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় শিবসা ও কপোতাক্ষ নদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বেড়িবাঁধের বাইরে থাকা নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

 

উপকূলীয় এলাকার মানুষ একদিকে বৃষ্টির পানি ও অন্যদিকে জোয়ারের তীব্রতার কারণে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা শুরু করেছে ইরানে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা শুরু করেছে ইরানে

মার্কিন বিমান বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরবের দুই ট্যাংকার জাহাজে হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে ফের সামরিক অভিযান শুরু করেছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে শুরু হয়েছে এ হামলা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) পূর্বাঞ্চলীয় সময় দুপুর ১২টা