বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সৌদি আরবে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েন কীসের ইঙ্গিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েন কীসের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ নিরসনে যখন ইসলামাবাদে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই ১১ এপ্রিল সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় পাকিস্তান একটি বড় ও দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম আল-মনিটর এ খবর জানিয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই বিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। সৌদি আরবে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হলেও আক্রমণের ছয় সপ্তাহ পর এই দেরিতে মোতায়েন ইঙ্গিত দেয় যে পাকিস্তান অত্যন্ত ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে সৌদি আরব বেশ কয়েকবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। যদিও কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের তুলনায় সৌদি আরবে হামলার তীব্রতা কিছুটা কম ছিল। তবু ধারণা করা হয়েছিল যে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণ আরও আগেই ঘটবে।

তবে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ার পর ৭ এপ্রিল জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এরপরই ইসলামাবাদ রিয়াদকে নিরাপত্তায় আশ্বস্ত করতে মাঠে নামে।

সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৬০-এর দশক থেকেই পাকিস্তান সৌদি আরবের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে। ১৯৬৭ সালে দেশ দুটির মধ্যে প্রথম প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে নিয়মিত সেনা বিনিময় ও যৌথ মহড়া হয়ে আসছে। ১৯৮২ সালে সৌদি সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেখানে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন ছিল। ২০১৭ সাল থেকে পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরীফ সৌদি নেতৃত্বাধীন ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশন পরিচালনা করছেন, যা ইসলামাবাদকে সৌদির নিরাপত্তা কাঠামোর গভীর অংশে স্থান দিয়েছে।

নতুন এসএসডিএ চুক্তিটি এই অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের সংখ্যা ৫০ হাজারে উন্নীত হতে পারে। চুক্তিটির শর্তাবলি কিছুটা অস্পষ্ট রাখা হয়েছে, যাতে কোনও কঠোর প্রতিশ্রুতি ছাড়াই আঞ্চলিক হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে অংশীদারত্ব বাড়ানো যায়।

পাকিস্তানের এই সামরিক পদক্ষেপের সময়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা যখন ইসলামাবাদে চলছিল, তখনই এই মোতায়েনের ঘটনা ঘটলো। যুদ্ধের এই সন্ধিক্ষণে আলোচনার ঝুঁকি ছিল অনেক বেশি। আলোচনা ব্যর্থ হলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরান বড় ধরনের হামলা চালাতে পারতো, যা সৌদি আরবকে সরাসরি যুদ্ধে টেনে নিতো।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান একটি চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিয়েছিল। কৌশলগত বিশ্লেষক চৌধুরী নাতিফ ওবায়েদ বলেন, ১৩ হাজার সেনার সম্ভাব্য মোতায়েন কেবল রুটিন মহড়া নয়, বরং এটি উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় ফরোয়ার্ড ডিফেন্স পজিশনিংয়ের ইঙ্গিত। তার মতে, ইসলামাবাদ তার প্রথাগত ‘ভারসাম্য বজায় রাখার’ নীতি থেকে বেরিয়ে এসে উপসাগরীয় নিরাপত্তায় সরাসরি সামরিক ভূমিকা রাখার দিকে ঝুঁকছে।

তিনি আরও বলেন, ইরান যদি পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে, তবে পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান আরও সক্রিয় হতে পারে। প্রতিরক্ষা থেকে তারা সক্রিয় বিমান প্রতিরক্ষা ভূমিকায় চলে যেতে পারে। তবে সৌদি আরবের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান সরাসরি কোনও আক্রমণাত্মক অপারেশনে যাবে না বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিরক্ষা শিল্প পরামর্শক হায়দার হোসেনের মতে, এই মোতায়েন ‘পর্যায়ক্রমিক উত্তেজনা’ কৌশলের অংশ। তিনি বলেন, যদি শুরুতেই এই মোতায়েন করা হতো, তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার পথ বন্ধ হয়ে যেত। কারণ তেহরান একে নিরপেক্ষতা নয়, বরং সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি মিত্রতা হিসেবে দেখতো। গত ১২ মার্চ জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই এই সমন্বয় করা হয়েছিল।

তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ইসলামাবাদ প্রথমে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দিয়েছিল। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ৩ মার্চ জানিয়েছিলেন, তিনি ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং সৌদি আরবের ওপর হামলা না করার নিশ্চয়তা চেয়েছেন। তবে সেই নিশ্চয়তা বেশি দিন টেকেনি, কারণ সেদিনই ইরান সৌদি আরবে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।

আন্ডারস্ট্যান্ড মিনা-এর প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাই ডিউ-গুন্ডারসেনের মতে, ইরান আগে থেকেই নিশ্চয়তা নিয়েছিল যে সৌদি ভূমি থেকে কোনও আক্রমণ চালানো হবে না। তাই পাকিস্তানের এই মোতায়েনকে উত্তেজনার চেয়ে ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা’ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

জেনেভাভিত্তিক ভূ-কৌশলগত বিশ্লেষক তোরেক ফারহাদি বলেন, এসএমডিএ চুক্তিটি ব্যবসা, ধর্ম ও সংস্কৃতির বাইরে দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। এই চুক্তি পাকিস্তানকে সৌদি আরবের এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্র করে তুলেছে, আর ইরানও বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন।

সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে অর্থনৈতিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ। এসএমডিএ চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘এক দেশের ওপর আগ্রাসন মানেই উভয়ের ওপর আগ্রাসন’। তবে এর বাস্তবায়নের জন্য বড় ধরনের লজিস্টিক ও অপারেশনাল সমর্থন প্রয়োজন।

এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার ঠিক একদিন আগে সৌদি অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-জাদান ইসলামাবাদ সফর করেন, যা সৌদি আরবের আর্থিক সমর্থনেরই ইঙ্গিত। আবুধাবি ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের আমানত তুলে নেওয়ার পর সৌদি আরব ও কাতার ৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করেছে এবং রিয়াদ অতিরিক্ত ৩ বিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা প্রদান করেছে। কয়েক দশক ধরে পারমাণবিক কর্মসূচির তহবিল থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সময় পর্যন্ত সৌদি আরব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে কাজ করেছে। নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি তাই কেবল সামরিক সহযোগিতার ওপর নয়, বরং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।