সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

আমচাষী সুরক্ষায় প্রয়োজন সাতক্ষীরার পাইকারি বাজার সম্প্রসারণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
আমচাষী সুরক্ষায় প্রয়োজন সাতক্ষীরার পাইকারি বাজার সম্প্রসারণ

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা আজ দেশের আম অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু ও মাটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এ জেলার আম শুধু আগেভাগে পাকে না, স্বাদ ও গুণগত মানেও আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—পুকুরপাড় থেকে বাড়ির আঙিনা—সবখানেই আমগাছের উপস্থিতি যেন এই অঞ্চলের কৃষি ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক।

চলতি মৌসুমে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার আম বিক্রি ও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। হিমসাগর, আ¤্রপালি, ন্যাংড়া, গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগসহ ৩০-৪০টি জাতের আম শুধু দেশীয় বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে বিদেশে রপ্তানির জন্য চেষ্টা শুরু করে কৃষি বিভাগ। তবে ২০১৬ সাল থেকে সাতক্ষীরার আম প্রথম ইটালীতে রপ্তানির মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে আম রপ্তানি শুরু হওয়া এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর চাহিদা তৈরি হওয়াÑএটি বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য ইতিবাচক বার্তা।

প্রশাসনের কেমিক্যালমুক্ত আম উৎপাদন এবং ক্যালেন্ডারভিত্তিক ৫ মে সংগ্রহ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এতে ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি অপরিপক্ক আম বাজারজাত হওয়া নিয়ন্ত্রণে আসছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আম সংগ্রহ শুরু হওয়ায় চাষিরাও ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন। ঐদিন সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের আমচাষি আবু সাইদের বাগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আম সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) বিষ্ণুপদ পাল। তিনি জানান, আম এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে। প্রাকৃতিক অনুকূলতা, চাষিদের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ—সবই রয়েছে। এখন প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন। বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ও রপ্তানি কাঠামো শক্তিশালী করা গেলে সাতক্ষীরার আম শুধু দেশের গর্বই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। আজ থেকে বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহ শুরু হওয়া এই ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করেছে।

তবে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম দেশ—বিদেশে বেশ কদর অর্জন করেছে। ফলে বাজারে আগে ওঠায় তুলনামূলক ভালো দাম আশা করেন এখানকার চাষিরা। এই আশাব্যঞ্জকের আড়ালে একটি বড় সমস্যা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছেÑবাজার ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫—২৬ মৌসুমে সাতক্ষীরায় মোট ৪ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হিমসাগর ১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর, আম্রপালি ৮৯৯ হেক্টর, ন্যাংড়া ৫৬৪ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৩৮২ হেক্টর, গোপালভোগ ২১৯ হেক্টর, লতা ১৪৩ হেক্টর, মল্লিকা ৮০ হেক্টর, বোম্বাই ৫০ হেক্টর, হাঁড়িভাঙ্গা ২ হেক্টর ও অন্য স্থানীয় জাত ২৪৩ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক আবাদে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১,২৫০ হেক্টর, কলারোয়ায় ৬৫৮, তালায় ৭১৫, দেবহাটায় ৩৭০, কালিগঞ্জে ৮৩৯, আশাশুনিতে ১৪৫ ও শ্যামনগরে ১৬০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ রয়েছে।

গত মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদন হয়েছিল ৭০ হাজার ৮৮০ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন, বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০০ মেট্রিক টন আম। এছাড়াও জেলায় আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি এবং মোট আমচাষির সংখ্যা ৫০ হাজার ৭৪৫ জন। এর মধ্যে নিবন্ধিত চাষি রয়েছেন ৩৫১ জন। তবে ৫০ হাজারের বেশি চাষির সম্পৃক্ততাÑএত বড় একটি খাতের জন্য একটি মাত্র পাইকারি বাজার কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। সুলতানপুর বড়বাজারকেন্দ্রিক বেচাকেনা চাষিদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জায়গার অভাব, যানজট ও বিশৃঙ্খলার কারণে তারা প্রায়ই ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আম চাষিরা। তাদের অভিযোগ, সাতক্ষীরায় একটি মাত্র বাজার (সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার) থাকায় সবাইকে সেখানেই আম বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজার ও সংলগ্ন রাস্তায় পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বিক্রির সময় চাষিদের পড়তে হচ্ছে নানা ভোগান্তিতে। এতে করে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

এখানেই মূল প্রশ্নÑসাতক্ষীরার আম কি শুধুই উৎপাদনের সাফল্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি অর্থনীতিতে রূপ নেবে? যদি দ্বিতীয়টি লক্ষ্য হয়, তবে বাজার সম্প্রসারণ, ভ্রাম্যমাণ পাইকারি হাট, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং জেলা পর্যায়ে আম মেলার আয়োজন এখন সময়ের দাবি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে চাষিরা সরাসরি উপকৃত হবেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও কমবে।

অন্যদিকে, রপ্তানি খাতেও স্থিতিশীলতা দরকার। এক বছরে ১২০ মেট্রিক টন, পরের বছরে ৮০, আবার ১০০Ñএই ওঠানামা প্রমাণ করে পরিকল্পনার ধারাবাহিকতার অভাব রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে মান নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক প্যাকেজিং ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।

সাতক্ষীরার আম এখন এক সম্ভাবনার মোড়ে দাঁড়িয়ে। প্রাকৃতিক সুবিধা, চাষির পরিশ্রম ও প্রশাসনিক উদ্যোগÑসবই আছে। যা প্রয়োজন, তা হলো সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, তবে সাতক্ষীরার আম শুধু দেশের নয়, বৈশ্বিক বাজারেও বাংলাদেশের এক গর্বিত ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারে। তাই চাষিদের দাবিÑআরও বাজার স্থাপন, আমচাষী সুরক্ষায় পাইকারি বাজার সম্প্রসারণ এবং আম মেলার আয়োজনÑএসবই বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী প্রস্তাব। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে, সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে এবং চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

Ads small one

শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘সচিত্র বাংলাদেশ ও নবারুণ’ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘সচিত্র বাংলাদেশ ও নবারুণ’ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ‘সচিত্র বাংলাদেশ ও নবারুণ’ নামের দুটি বই বিতরণ করা হয়েছে। চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের এই দুটি প্রকাশনা সোমবার সকালে জেলা তথ্য অফিস থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সোমবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের মাঝে এই বই দুটি বিতরণ করেন। এ সময় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’-এর প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, কমিউনিটি অর্গানাইজার মনির হোসেন, যুব সদস্য সিহাব হোসেন, সাগর হোসেন, সাদিয়া সুলতানা এবং শিশু সদস্য আফিয়া আক্তার রসনী ও আম্বিয়া খাতুনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বই বিতরণকালে জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের বলেন, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার পাশাপাশি দেশের জীববৈচিত্র্য, সংস্কৃতি ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে বর্তমান প্রজন্মের বেশি বেশি পড়াশোনা করা প্রয়োজন।

সীমান্তে বিজিবির অভিযান: সাড়ে ৫৫ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযান: সাড়ে ৫৫ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল পার্টস, চিংড়ির রেণু পোনা এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত বাংলাদেশি ওষুধ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার দিনভর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পদ্মশাখরা বিওপির একটি দল সাতক্ষীরা সদরের বটতলা এলাকা থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ির রেণু পোনা জব্দ করে। বাঁকাল চেকপোস্টের টহল দলও একই রূপ আরও ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার রেণু পোনা আটক করতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে, তলুইগাছা বিওপির বিশেষ দল শালবাগান এলাকা থেকে ক্যানসার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৩৬ লাখ২৭ হাজার৮০০ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি মূল্যবান ওষুধ জব্দ করে, যা অবৈধভাবে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল।
এছাড়া কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি ও রাজপুর সীমান্ত এলাকা থেকে মাদরা এবং কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা পৃথক দুটি অভিযানে যথাক্রমে ৮ লাখ ৪০ হাজার এবং ৩ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করেন।
৩৩ বিজিবি জানায়, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মালামাল অবৈধভাবে সীমান্ত পার করার সময় জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত চোরাচালানি পণ্যের মোট বাজারমূল্য ৫৫ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ টাকা।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ চোরাচালানের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির এমন কঠোর ও জনস্বার্থমূলক অভিযানকে স্থানীয় বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

নগরঘাটায় ফুটবল ম্যাচ শেষে ২৪টি প্রজেক্টর দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় ফুটবল ম্যাচ শেষে ২৪টি প্রজেক্টর দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নে ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা শেষে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক স্থানে ব্যবহারের জন্য ২৪টি প্রজেক্টর বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে মিঠাবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের দশম ম্যাচ শেষে প্রজেক্টরগুলো তুলে দেন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইবাদুল ইসলাম।
বিকেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ২ নম্বর ওয়ার্ডকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ড জয়লাভ করে। খেলা শেষে প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিনিধিদের হাতে সাউন্ডবক্স, পর্দাসহ প্রজেক্টরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
হারুনার রশিদ কলেজের প্রভাষক আতাউর রহমান আতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের এস এম লিয়াকত আলি, ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর, ধারাভাষ্যকার অলিউর রহমান অলি এবং শিক্ষক মিজানুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইবাদুল ইসলাম বলেন, যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারায় ফেরাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ফুটবল বিশ্বকাপ যেন ফুটবলপ্রেমীরা একসঙ্গে উপভোগ করতে পারেন এবং একই সঙ্গে এলাকার মানুষ তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষার সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রজেক্টরগুলো দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিনোদন ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।