বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আলোর কারিগর : ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
আলোর কারিগর : ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়

আখলাকুর রহমান

যে মানুষ চব্বিশ ঘণ্টায় বশ মানিয়েছিলেন প্রমত্তা ঝিলাম নদীকে, নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে তাঁকেই হার মানতে হলো একটা ট্রেনের হুইসেলের কাছে, যা তাঁর বধির কান কোনোদিন শুনতেই পায়নি। সাতক্ষীরার বাবুলিয়া বাজারের কুমোরপাড়া পেরোলেই আজও দাঁড়িয়ে আছে সেই মানুষটির স্মৃতিচিহ্ন, জয়মনি শ্রীনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ইটের পাঁজর বেরিয়ে পড়া দেয়ালগুলোর দিকে তাকালে আজ একে নিছক পুরনো একটা স্কুলবাড়ি বলেই মনে হয়, অথচ এর প্রতিটি কোণে মিশে আছে এক মহৎপ্রাণ মানুষের নিঃসঙ্গ দীর্ঘশ্বাস। আমরা আজ ক জনই বা চিনি সেই মানুষটিকে, যিনি নিজের সঞ্চিত সম্পদ ঢেলে দিয়েছিলেন এই জনপদের অবহেলিত সন্তানদের হাতে আলোর মশাল তুলে দিতে? সময়ের নিষ্ঠুর গ্রোতে সাতক্ষীরার বুক থেকেই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে আমাদের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান, ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়।

১৮৪৭ সালে বাবুলিয়ার এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন এই মানুষটি। কিন্তু তিনি ছিলেন কেবল নামেই জমিদার নন, হৃদয়ের বিচারে ছিলেন এক প্রকৃত মহাজন। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন এমন এক অসম্ভবকে সম্ভব করা কারিগর, যাঁর মেধার কাছে হার মেনেছিল প্রকৃতির রুদ্ররূপও। ভারত ও পাকিস্তানের বুক চিরে বয়ে চলা প্রমত্তা ঝিলাম নদীর ওপর যখন একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছিল, তখন পাহাড়ি ঢল আর উত্তাল গ্রোতের সামনে নতিস্বীকার করেছিলেন বাঘা বাঘা প্রকৌশলীও। অথচ সবাইকে চমকে দিয়ে, প্রকৃতির সেই ভয়াল রূপকে টেক্কা দিয়ে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন সাতক্ষীরার এই কৃতী সন্তান। তাঁর এই অবিশ্বাস্য মেধা আর অসামান্য কীর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ভূষিত করেছিল রাও সাহেব উপাধিতে।

অথচ ইতিহাসের কী নির্মম পরিহাস। যিনি অন্যের চলার পথ মসৃণ করতে নিজের জীবন উজাড় করে দিয়েছিলেন, তাঁর নিজের শেষ জীবনের পথটাই হয়ে উঠেছিল ভীষণ কণ্টকাকীর্ণ। মা বাবার স্মৃতিরক্ষার্থে গড়ে তোলা জয়মনি শ্রীনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল তাঁর প্রাণের চেয়েও প্রিয়। একদিন এই স্কুলেই ক্লাস নেওয়ার সময় তাঁর কাছে খবর আসে, তাঁর বড় ছেলে আর এই পৃথিবীতে নেই। বুকভাঙা সেই আর্তনাদ ভেতরে চেপে রেখে, ছলছল চোখে তিনি সামনে বসে থাকা ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, আজ আমার একটা ছেলে চলে গেছে তো কী হয়েছে, এই যে আমার সামনে শত শত ছেলে বসে আছে, তোমরাই তো আমার সন্তান। এমন হৃদয়ের ঔদার্য ক জন মানুষের মধ্যে দেখা যায়?

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এই মহৎ মানুষটি কানে প্রায় কিছুই শুনতে পেতেন না। ১৯১৬ সালের এক অভিশপ্ত দিনে কলকাতার উখড়া স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। পেছন থেকে ধেয়ে আসছিল একটি দ্রুতগামী ট্রেন। চারপাশের মানুষ আতঙ্কে চিৎকার করে বলছিল, রাও সাহেব থামুন, সরুন। কিন্তু প্রকৃতির নির্মম পরিহাসে সেই বধির কানে পৌঁছায়নি কোনো সতর্কবার্তা। ট্রেনের সেই মরণঘাতী ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে কলকাতার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। অবশেষে ১৯১৬ সালের ১৭ই মার্চ হাসপাতালের চার দেয়ালের মাঝে চিরতরে নিভে যায় এই প্রদীপ্ত প্রাণ।

ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় ছিলেন এক জাদুকরি কর্মবীর, যাঁর দূরদৃষ্টি আর মানবিকতা সাতক্ষীরার প্রত্যন্ত জনপদে পৌঁছে দিয়েছিল শিক্ষার আলো। অথচ আজ আমাদের নতুন প্রজন্ম হয়তো তাঁর নামটাই ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারে না। আমাদের ঘরের কাছের এই মহামানবকে কি আমরা উপযুক্ত সম্মান দিতে পেরেছি? স্থানীয় পত্রিকার পাতায় আজ এই প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে, যিনি আমাদের গর্ব, তাঁকে কি আমরা হৃদয়ে জায়গা দিতে পেরেছি, নাকি বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে দিচ্ছি নিজেদেরই এক সোনালী ইতিহাসকে?

 

Ads small one

কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহতদের ২ জন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকায় খবর পৌঁছানোর পর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন নিহতদের একজনের পরিবারের সদস্যরা।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত. ইউনুচ সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী এবং অপরজন একই উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানান, কোমরে ব্যাথার জন্য চিকিৎসক দেখাতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে যায়। বুধবার বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু রাত ১০টার দিকে বাড়িতে খবর আসে হোটেলে অগ্নিকান্ডে সে নিহত হয়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি জানার পর বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হোটেলটিতে অগ্নিকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশী।

৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উলাশীতে রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে মাসিক ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায় পরিবারের হাতে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত ৫০টি পরিবারের হাতে দেওয়া হয় মাসিক ত্রাণ কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে এসব পরিবার নিয়মিত প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাবেন।
একই অনুষ্ঠানে অসহায় মো. জাহাঙ্গীরের অপারেশনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জন্যও মাসিক ত্রাণ কার্ডের মাধ্যমে এক মাসের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রুবিয়া রহমানের নিজস্ব অর্থায়নে এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

শ্যামল শীল
২০২৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৩ পাশ হয়। ১৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর-এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতীব প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।
একইদিনে নারায়নগঞ্জে আরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন পাশ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়।
জাতীয় সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১০৬ সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং একই সাথে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং থাকলে, তা কতদিনে বাস্তবায়ন হতে পাবে? প্রশ্ন করেন।
উত্তরে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে বর্তমানে সরকার কর্তৃক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আঞ্চলিক বৈষমা হ্রাসের লক্ষ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সরকার সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে থাকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চর্চা, গবেষণামনকতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্ভাবাতা যাচাই এবং অর্থায়নের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। যদি এ সংক্রান্ত কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদিত হয়, তবে প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”
মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় তাঁর প্রশ্নে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) সম্পর্কে যেমন সুনিদিষ্ঠ কিছু বলেননি, ঠিক একইভাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তরেও “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি” উল্লেখ করে আইনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যে আইনটি বিগত সময়ে প্রণয়ন হয়েছিল, সেটি বাতিল হয়েছে এমন কোন তথ্য আমরা খুজে পাইনি। যদি আইনটি থাকে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আর কি কি প্রয়োজন সেটা সম্পর্কেও সুনিদিষ্ঠ কোন তথ্য কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন আমার এমন একজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, আইন পাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ভিসিসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রম যে কোন সময় শুরু করা যেতে পারে।
সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এটা এখন সময়ের দাবী। তবে, রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে আমাদের অনেক দাবীই বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিশ্বাবদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনাটুকু অতিতে সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজন থেকেই এই জনপদে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক-এই দাবীতে সাতক্ষীরাবাসীর দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা এখন জরুরি। এব্যাপারে সকলে এগিয়ে আসুন।