বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক সাংগঠনিক বৈঠক আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা সভাপতি প্রফেসর শাহজাহান হোসেনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ডা. বোরহান উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সোজায়েত আলী।
বৈঠকে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মাসিক সাংগঠনিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয় এবং সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে বিভিন্ন নির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়। এতে ইউনিয়ন পর্যায়ের সভাপতি ও সম্পাদকরা অংশ নেন।

 

Ads small one

ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: একসময় বিজয়া দশমী এলেই দেবহাটার ইছামতি নদীর দুই পাড়ে বসত দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা। নদীতে ভাসত শত শত নৌকা, সীমান্তের দুই পাশে জড়ো হতেন হাজারো মানুষ। উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে উঠত পুরো সীমান্ত এলাকা। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন শুধুই স্মৃতি। মিলনমেলা নেই, নেই আগের সেই জনসমাগম কিংবা নৌকার সারি। সীমান্তের নিজ নিজ অংশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবারের বিজয়া দশমী।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও দেবহাটার ইছামতি নদীতে দুই দেশের মানুষের অংশগ্রহণে কোনো মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সীমিত সংখ্যক নৌকা নদীতে নামতে দেখা গেলেও আগের মতো বড় কোনো আয়োজন ছিল না।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগেও বিজয়া দশমীতে ইছামতি নদীর এই সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের মানুষের মিলনমেলা ছিল অন্যতম আকর্ষণ। দেবহাটার বিভিন্ন প্রান্তসহ দূরদূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ ছুটে আসতেন। ভারতীয় সীমান্তের পাশেও থাকত মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি। কেউ আসতেন সীমান্তের কাছাকাছি উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে, আবার কেউ আসতেন দুই বাংলার মানুষের মিলন দেখার আকর্ষণে। নদীর দুই পাড়ে ভাসত শত শত নৌকা।

২০১২ সালে ভারতের কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নৌকাডুবিতে মারা যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের আয়োজনের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইছামতীর ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা। এরপর থেকে দুই দেশের মানুষ নিজ নিজ সীমান্তের মধ্যে থেকে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে আসছেন।

এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেবহাটা উপজেলার ২১টি পূজাম-পে সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন শেষে বিজয়া দশমীতে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

দুর্গাপূজা নির্বিঘœ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস্ কাউসার আজিজ, পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফায় বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, “এ বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সার্বিকভাবে মনিটরিং করা হয়েছে।”

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।” মিলনমেলার সেই পুরোনো স্মৃতি ইছামতির বুকে আজও থাকলেও বাস্তবে নেই আগের সেই আয়োজন। তবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবহাটায় শেষ হয়েছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

 

কলারোয়ায় ৪৬ ম-পে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ৪৬ ম-পে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন

কলারোয়া প্রতিনিধি: উৎসবমুখর, আনন্দঘন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কলারোয়া উপজেলার ৪৬টি পূজাম-পে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিজয়া দশমীতে পূজা-অর্চনা, দেবীকে সিঁদুর দিয়ে বরণ, সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।

বুধবার সকালে দশমী বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে দেবীকে সিঁদুর দিয়ে বরণ, সিঁদুর খেলা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ছয় দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। গত শুক্রবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল শারদীয় দুর্গোৎসব। এবার মহাসপ্তমীর তিথি দুই দিনে পড়ায় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা ছয় দিনব্যাপী চলে।

এবারের দুর্গোৎসবে দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কলারোয়া পৌরসভার উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়ায় সাদা তিল দিয়ে সাজানো দুর্গাপ্রতিমা এবং দক্ষিণ মুরারিকাটি কাঠের পুলসংলগ্ন পূজাম-পে চুমকি দিয়ে নির্মিত প্রতিমা। ব্যতিক্রমী সাজসজ্জার এসব প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।

উত্তর মুরারিকাটি পূজাম-পের দীপঙ্কর পাল ও দক্ষিণ মুরারিকাটি পূজাম-পের নির্মল ম-ল জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার তাঁদের ম-পে প্রতিমা দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল অনেক বেশি।
দুর্গোৎসবের ছয় দিনে বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম এবং কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন পূজাম-পে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস (দেবু) জানান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব উপজেলার ৪৬টি পূজাম-প পরিদর্শনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম কলারোয়া পৌরসভার আটটি পূজাম-পের প্রতিটিতে পাঁচ হাজার টাকা করে অনুদান দেন।

কল্যাণ ফ্রন্টের এ দুই নেতা বলেন, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উপজেলার সব পূজাম-পে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকায় পূজাম-পগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। সর্বোপরি, সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আনন্দঘন পরিবেশে এবারের দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হলো। এ সোলার প্যানেল চালুর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো আগ্রহী হবে এবং কার্যালয়গুলো সৌরবিদ্যুতের আওতায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সোলার প্যানেল উদ্বোধন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে দুই কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করেছি। ভবিষ্যতে এর পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। এখান থেকে যেটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে তা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট। চাহিদা শেষে অবশিষ্ট বিদ্যুৎ আমরা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে সক্ষম হব। সরকার আশা করছে, দেশে আগামী গ্রীষ্মের আগে ন্যূনতম তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সকালে প্রতিমন্ত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনে যশোরের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন এবং দশমিতে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিমঞ্চ পরিদর্শন করেন।