মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদে সমুদ্রে মাছ ধরা জেলেদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন হতে খাদ্য সহায়তা (চাল) বিতরণ করা হয়। গত ১৫ এপ্রিল হতে ৫৮দিন সমুদ্রে যান্ত্রিক নৌযান ব্যবহার করে মাছ ধরা নিষিদ্ধ, এ নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা হতে বিতরত থাকা জেলেদের মাঝে সরকার খাদ্য সহায়তা বাবদ চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

সদর ইউনিয়নের ৩১২জন কার্ডধারী জেলেদের মাঝে ১৫টন ৬২০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম হোসেনুজ্জামান। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসার উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের ক্যাশিয়ার কবিরুল ইসলাম, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি খায়রুল আহসান, ইউপি সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কার্ডধারী জেলেরা সুষ্ঠুভাবে চাল বিতরণ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

Ads small one

নগরঘাটায় মসজিদের পানির মোটর চুরির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় মসজিদের পানির মোটর চুরির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের হাড়কাটা বিলের মাঝখানে অবস্থিত একটি মসজিদের পানির মোটর চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন ২ যুবক। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নগরঘাটা গাবতলা এলাকার মৃত রুস্তম আলী সরদারের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (২৪) এবং মো. আলাউদ্দীন সরদারের ছেলে মো. আরিজুল ইসলাম (২৬)। তাঁরা দুজনই সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা গাবতলা এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর হাড়কাটা বিলের মাঝখানে অবস্থিত মসজিদের পানি তোলার মোটর চুরির চেষ্টা করেন ওই দুই যুবক। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করেন। পরে বিষয়টি পাটকেলঘাটা থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল হোসেন তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় অনলাইন জুয়া ও মাদক সেবনের অর্থ জোগাড় করতে চুরির ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মসজিদের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শেখ আজহার হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তার দ্রুত সুস্থতা ও পূর্ণাঙ্গ রোগমুক্তি কামনা করে জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় পার্টি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, শেখ আজহার হোসেনের অসুস্থতার খবরে তারা উদ্বিগ্ন। তারা তার দ্রুত সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তার রোগমুক্তি কামনায় সাতক্ষীরার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন তারা। বিবৃতিদাতারা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক এসএম নজরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সরদার, সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম (পিটুল), সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন খান বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ আশরাফ আলী এবং পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক।

এ ছাড়া বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক ফিরোজ ও সদস্যসচিব কমল বিশ্বাস, জেলা যুব সংহতির সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি ও সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আবু ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্র সমাজের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, সদর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান বদু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুব সংহতির সভাপতি নাহিদ সুলতান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন বনি এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিক বিল্লাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লেপনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লেপনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিতিধি : সাতক্ষীরায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি লেপনের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, সাতক্ষীরা জেলা সংসদ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উদীচী সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান। সাধারণ সম্পাদক সুরেশ পান্ডের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন উদীচী সাতক্ষীরার উপদেষ্টা শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, স্বদেশের মাধব দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শরিফুল্লাহ কায়সার সুমন, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জাসদের সুধাংশু সরকার, কমরেড আবুল হোসেন, কবি এস এম তুহিন, বাসদের জেলা সমন্বয়ক নিত্যানন্দ সরকার, বাংলাদেশ জাসদের জেলা সভাপতি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, কবি শুভ্র আহমেদ, কবি ও সাহিত্যিক আবু কাজী প্রমুখ।

সমাবেশের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সংগীতবিষয়ক সম্পাদক বিউটি চক্রবর্তী।

বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন কবি নন; তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বপরিচয় এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর গ্রাফিতিতে কালি লেপনের ঘটনা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত।

তাঁরা বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন, রাজনৈতিক চিন্তা ও ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা ও গবেষণা হতে পারে। মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজে যুক্তিনির্ভর সমালোচনার অধিকার সবার রয়েছে। তবে মতপার্থক্যের কারণে শিল্পকর্ম বিকৃত করা কিংবা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অসম্মান করা গ্রহণযোগ্য নয়।

বক্তারা আরও বলেন, যুক্তির জবাব যুক্তি দিয়ে দিতে হয়, সৃষ্টির জবাব দিতে হয় আরও উন্নত সৃষ্টি দিয়ে। কালি লেপন করে কোনো চিন্তাকে পরাজিত করা যায় না। একই সঙ্গে কোনো ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা যেন ক্ষুণœ না হয়, সে বিষয়েও সবাইকে দায়িত্বশীল থাকতে হবে।

সমাবেশ থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি লেপনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জনপরিসরে শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যুক্তিনির্ভর সমালোচনা ও ন্যায়বিচারের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।