রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সাতক্ষীরায় দেড় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজের নবযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সাতক্ষীরায় দেড় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজের নবযাত্রা

এসএম শহীদুল ইসলাম

ঋতুচক্রে এখন বর্ষাকাল। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা আর রিনিঝিনি বৃষ্টির শব্দে চারদিকের তপ্ত প্রকৃতি শান্ত রূপ নিয়েছে। প্রকৃতির এই নতুন রূপ কেবল দেখার আনন্দই দেয় না, বরং পরিবেশকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়ও এটি। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণের জন্য বর্ষার চেয়ে ভালো সময় আর হতেই পারে না। এই রূপান্তরকে আরও অর্থবহ করতে আজ সোমবার বেলা দুইটায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে শুরু হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ কর্মসূচি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের অধীনে এই কর্মসূচি আয়োজিত হচ্ছে। জেলার প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের দেড় হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই সবুজায়ন অভিযান পালিত হবে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, জেলার প্রায় এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৫০ হাজার বৃক্ষচারার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব চারা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

অন্যদিকে, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবীর জানান, জেলায় প্রায় ৫০০ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় কমপক্ষে একটি ফলজ, একটি বনজ ও একটি ভেষজ উদ্ভিদ রোপণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতে র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনাসভা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা ও দেয়ালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রোপণের পর গাছের সঠিক যতœ ও পরিচর্যার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গাছ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অক্সিজেন সরবরাহ, জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমরা নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হচ্ছি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ। বর্ষাকালে মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকায় এবং বৃষ্টির পানির কারণে চারা গাছের শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করতে পারে। এ সময় প্রখর রোদ না থাকায় চারা মরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে এবং বাড়তি সেচেরও প্রয়োজন হয় না। ফলে প্রকৃতি নিজেই চারা গাছকে পরম যতেœ বড় করে তোলে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশসচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর মাঝে গাছ লাগানোর মানসিকতা তৈরি করা, যেন তারা নিজেদের চারপাশকে সবুজ করে তুলতে উদ্বুদ্ধ হয়।

বর্তমান সময়ে এই সবুজায়নের অভিযান আরও বেগবান করা জরুরি। বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে, পতিত জমি কিংবা ছাদবাগানেÑযেখানেই সুযোগ আছে, সেখানেই অন্তত একটি করে গাছ লাগানো উচিত। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে আমরা যেমন নিজেদের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক চাহিদা মেটাতে পারি, তেমনি পরিবেশকেও বাঁচাতে পারি বিপর্যয়ের হাত থেকে। আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি গাছ লাগানো মানে কেবল একটি জীবন বাঁচানো নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাওয়া।

এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বেশ কিছু প্রেরণাদায়ী স্লোগান তুলে ধরা হয়েছে। যেমন: ‘বন্যা-ঘূর্ণিঝড় করবো জয়, জলবায়ু সচেতনতায় নেই ভয়।’ ‘লেইস প্রকল্পের অঙ্গীকার, সবুজ হবে বিদ্যালয় আমাদের সবার।’ ‘গাছ লাগিয়ে ভরবো দেশ, তৈরি হবে সবুজ বাংলাদেশ।’ ‘একটি গাছ একটু যতœ, লেইসের সবুজায়ন স্বপ্ন’, ‘সবুজ স্কুল সুন্দর মন, লেইস প্রকল্পের আয়োজন’, ‘শিক্ষাঙ্গনে সবুজের বার্তা, সবুজ বাংলাদেশের নবযাত্রা’, এবং ‘আজকের বৃক্ষরোপণ, আগামীর জলবায়ু সুরক্ষা’।

আসুন, এই বর্ষায় আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে চারা গাছ লাগাই এবং সেটির সঠিক যতœ নেওয়ার শপথ নিই। আপনার সামান্য একটু উদ্যোগই পারে এই পৃথিবীকে আরও সবুজ ও সুন্দর করে তুলতে। লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক পত্রদূত, সাতক্ষীরা

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।