মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

কয়রায় পোল্ডার নং-১৪/১ পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ চলছে জোরেশোরে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
কয়রায় পোল্ডার নং-১৪/১ পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ চলছে জোরেশোরে

জি এম আমিনুল হক: বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের উদ্যোগে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন “পোল্ডার নং-১৪/১ পুনর্বাসন” প্রকল্পটি ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২৩১.২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গৃহীত এই প্রকল্পটি ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর একনেক সভায় অনুমোদন পায়।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো পোল্ডারের বাঁধ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং লবণাক্ততা দূরীকরণ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জনজীবনে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নদীর মরফোলজিক্যাল পরিবর্তনের কারণে অনুমোদিত ডিজাইন প্রাপ্তিতে প্রায় দেড় বছর বিলম্ব হওয়ায় টেন্ডার প্রক্রিয়াও পিছিয়ে যায়। ফলে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত প্রকল্প মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বাস্তবতার প্রেক্ষিতে প্রকল্পের মেয়াদ দুই দফা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রকল্পটির অধীনে মোট ৪৮টি প্যাকেজে কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২ বাস্তবায়ন করছে ২৫টি এবং খুলনা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২ বাস্তবায়ন করছে ২৩টি প্যাকেজ। সার্বিক অগ্রগতি ইতোমধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ৯২.৯৩ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং ডিএলএসসি সভাও সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে চার ধারা নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, খুব শিগগিরই জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পোল্ডার ১৪/১ এর প্রায় ৩০.২০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ স্থায়ী সুরক্ষার আওতায় আসবে। এর ফলে কয়রা উপজেলার প্রায় ২৯৩৩ হেক্টর এলাকা সরাসরি উপকৃত হবে। একই সঙ্গে পোল্ডারের অভ্যন্তরীণ খালগুলোতে মিঠা পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা কৃষি জমিতে সেচ প্রদান এবং গৃহস্থালী কাজে ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং লবণাক্ততা হ্রাসের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। উন্নত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা, সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, জোয়ার-ভাটা, ঝড়ো হাওয়া ও মৌসুমি নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে পোল্ডারের অভ্যন্তরে লবণাক্ত পানি প্রবেশ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে, যা উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবমিলিয়ে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলে পোল্ডার ১৪/১ পুনর্বাসন প্রকল্পটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

 

 

 

Ads small one

বর্ণিল আয়োজনে সাতক্ষীরায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বর্ণিল আয়োজনে সাতক্ষীরায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

পত্রদূত রিপোর্ট: ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বর্ণিল শোভাযাত্রায় সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত ১৫ মাসে (জানুয়ারি ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) আওতায় ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জেলা জজ আদালত চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দ্রুত ও কার্যকর বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের লক্ষ্য সাতক্ষীরার গাবুরা থেকে কলারোয়ার ইলিশপুর পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে এই সেবা পৌঁছে দেওয়া।”

তিনি আরও জানান, উল্লিখিত সময়ে ২ হাজার ১২০টি আবেদনের বিপরীতে ৫২০টি মামলা দায়ের হয়েছে। এডিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৪৮১টি বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যা বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব করছে। এই সময়ে ২ হাজার ১৬৫ জন মানুষ সরাসরি আইনি সুবিধা পেয়েছেন, যার মধ্যে বড় একটি অংশ নারী।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে সাতটায় জজ কোর্ট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালতে এসে শেষ হয়। এতে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিলÑ আইনি সহায়তা মেলা। এতে সাধারণ মানুষকে আইনি পরামর্শ দিতে আদালত চত্বরে বসে বিশেষ বুথ। আগত বিচারপ্রার্থীদের জন্য ছিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ। শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নারী ক্যাটাগরিতে উম্মে হাবিবা রূপা এবং পুরুষ ক্যাটাগরিতে মো. আসাদুজ্জামান আসাদকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিকেলে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান বলেন, সরকারি এই উদ্যোগের ফলে এখন অর্থিক অনটনের কারণে কারও বিচারপ্রাপ্তি আটকে থাকছে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুস সালাম, পিপি শেখ আবদুস সাত্তার এবং জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা একমত হন যে, সরকারি খরচে আইনি সহায়তা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থী মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

 

 

সাতক্ষীরায় শুক্রবার ‘ওষুধ বিড়ম্বনা’, দীর্ঘ লাইনে রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শুক্রবার ‘ওষুধ বিড়ম্বনা’, দীর্ঘ লাইনে রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দেখা মিললেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ। জেলা ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি শুক্রবার অর্ধেকের বেশি ফার্মেসি বন্ধ রাখায় তীব্র সংকটে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। খোলা থাকা হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাক্সিক্ষত ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতি (বিসিডিএস) সাতক্ষীরা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শহরের বড় ফার্মেসিগুলো পালাক্রমে প্রতি শুক্রবার বন্ধ রাখা হয়। এক শুক্রবার পপুলার ফার্মেসি, সাতক্ষীরা ড্রাগ ও জিন্না ফার্মেসি বন্ধ থাকলে পরের শুক্রবার বন্ধ থাকে সাতক্ষীরা ফার্মেসি, নাহিদ মেডিকেল ও আলী মেডিকেলের মতো ব্যস্ততম দোকানগুলো।

ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, কর্মচারীদের বিশ্রামের সুযোগ দিতেই এই ‘রোটেশন’ পদ্ধতি। তবে সচেতন মহল বলছে, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত অমানবিক।

শুক্রবার ঢাকা ও খুলনা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেখাতে জেলার সাতটি উপজেলা থেকে কয়েক হাজার রোগী শহরে ভিড় করেন। প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে যখন তাঁরা ওষুধের দোকানে যাচ্ছেন, তখন শুরু হচ্ছে নতুন বিড়ম্বনা।

আশাশুনির প্রতাপনগর থেকে আসা সাধন বিশ্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডাক্তার দেখানো আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করলাম। এখন ওষুধের দোকানে যে ভিড়, কখন বাড়ি ফিরব তার ঠিক নেই।”
অভিযোগ রয়েছে, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কিছু ফার্মেসি কেবল বড় অংকের (এক মাস বা ১৫ দিনের) ওষুধের মেমো করছে। অল্প টাকার ওষুধ নিতে আসা রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে অথবা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্যামনগরের আফজাল শরীফ জানান, অসুস্থ মাকে নিয়ে তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে শহরে এসেছেন। কিন্তু ওষুধের দোকানের দীর্ঘ লাইনে অসুস্থ মায়ের কষ্ট আরও বাড়ছে।

ফার্মেসি বন্ধের এই সিদ্ধান্তে রোগীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করলেও বিসিডিএস সাতক্ষীরার সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শিফট না থাকায় তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাদের বিশ্রামের জন্যই এই ব্যবস্থা। তবে সেবায় বৈষম্য বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।”

এদিকে, জনস্বার্থে শুক্রবার সব ফার্মেসি খোলা রাখা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের মতে, চিকিৎসাসেবা যেখানে জরুরি সেবা হিসেবে স্বীকৃত, সেখানে ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

 

আইনি সহায়তা দিবসে উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’-এর অংশগ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
আইনি সহায়তা দিবসে উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’-এর অংশগ্রহণ

সাতক্ষীরায় ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেয় সংগঠনটি।

সকালে জেলা জজ আদালত চত্বর থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে স্বদেশের মানবাধিকার আইনজীবী ফোরাম (এইচআরএলএফ), বিদ্যালয় নাট্যদল (বিনাদ) এবং ইয়ুথ গার্লস গ্রুপের সদস্যরা ব্যানার ও ফেস্টুনসহ যোগ দেন। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও খুলনা রোড মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত চত্বরে এসে শেষ হয়।

স্বদেশ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলায় মানবাধিকার উন্নয়ন, জেন্ডার সমতা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সহায়তা প্রদান করে আসছে। দিবসের আলোচনা সভায় স্বদেশের প্রতিনিধিরা ছাড়াও জেলা মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি আইনি সেবার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রান্তিক নারীদের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে তাঁদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি