রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

খুলনায় সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
খুলনায় সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা কর্মশালা

খুলনা বিভাগের সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা  (Workshop on Integrated EPI, HPV, Open SRP and Health Program Review in Khulna Division)  শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা আজ (রবিবার) খুলনা হোটেল সিটি ইনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রধান অতিথি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা দেওয়া হচ্ছে। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এইচপিভি টিকার শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এইচপিভি টিকার আওতায় আনতে হবে।

 

দেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় মাইলফলক এইচপিভি টিকা। এই টিকা দিলে কিশোরীরা জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, এইচপিভি টিকার বিষয়ে মিডিয়ায় প্রচার-প্রচারণা বাড়াতে হবে। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সকল মসজিদের ইমামরা এবিষয়ে মুসল্লিদের অবগত করতে পারেন। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে তাহলে একটি সুস্থ জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ ও ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ। কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো: মোজাম্মেল হক, এমআইএস’র পরিচালক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিসেফ খুলনা চিফ মো: কাওসার হোসেন, ইপিআই’র সহকারী পরিচালক ডা. সাব্বির হায়দার ও খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ্বাস। কর্মশালায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ১০ জেলার সিভিল সার্জন, চিকিৎসক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,  ইপিআই সুপার, ১০ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ইউনিসেফ, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

Ads small one

শ্যামনগরের শিক্ষক ও কবি সুপদ বিশ্বাস আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের শিক্ষক ও কবি সুপদ বিশ্বাস আর নেই

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও কবি সুপদ বিশ্বাস (৪৭) শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালী গ্রামের নিরাপদ বিশ্বাসের পুত্র সুপদ বিশ্বাস। তিনি বেশ কিছুদিন যাবত গ্যাস, কিডনি/লিভার জটিলতার কারণে অসুস্থ হয়ে প্রথমে শ্যামনগর সরকারি হাসপাতাল, পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, এরপর খুলনা একটি বেসরকারি ক্লিনিক ও সর্বশেষ ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। বড় কন্যা এইচএসসিতে অধ্যয়নরত ও ছোট কন্যা ৫ম শ্রেণির ছাত্রী।
চাকরির সুবাদে তিনি উপজেলা সদরের বাদঘাটা এলাকায় জমি ক্রয় করে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি কবিতা, গল্প ও সাহিত্য চর্চা করতেন। তাঁর অনেক লেখা বাংলা একাডেমি সহ স্থানীয়, জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। বেশ কিছু বই প্রকাশ করেছেন। শিক্ষকতা জীবনে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রিয় ছিলেন।
সুপদ বিশ্বাসের মরদেহ রবিবার সকালে বিদ্যালয়ে আনা হয়, সেখানে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দসহ অন্যরা পুষ্প অর্পণ করেন। পরবর্তীতে নকিপুর মহাশ্মশানে তাঁর সৎকার্য সম্পন্ন করা হয়।
তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, শ্যামনগর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, উপজেলার শিক্ষক পরিবার, কবি ও সাহিত্যিকবৃন্দ শোক জ্ঞাপন করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

হামের উচ্চঝুঁকি : প্রতিরোধ ও প্রতিকার জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
হামের উচ্চঝুঁকি : প্রতিরোধ ও প্রতিকার জরুরি

এম শফিকুল ইসলাম

২০২৬ সালের মার্চ থেকে দেশে হামের প্রার্দুভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এবং গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মধ্য মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক উপসর্গে ৯০৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৯ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি হলেও রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগেও এর প্রভাব রয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময় মত টিকা না দেওয়া এবং শিশুদের পুষ্টিহীনতা এ মৃত্যুর প্রধান কারণ। বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জাতীয়ভাবে অবস্থা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে মূল্যায়ন করছে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ সংক্রমণ ছড়ানো, বিপুল সংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, সময় মত টিকাদানের অভাবে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটি এ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা বলছে, এ প্রার্দুভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল।

 

হাম প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০০০ সালে ছিল ৮৯ শতাংশ। ২০১৬- তে বেড়ে দাঁড়ায় ১১৮। ২০২৪ সালে তা আরো বেড়ে হয় ১২১ শতাংশ। এ সময় পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীর হার কমে এসেছিল। তবে ২০২৪-২৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে এমআর টিকা ঘাটতির কারণে প্রথম ও দ্বিতীয় ডজের কভারেজ কমে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়মিত টিকা দানের ফাঁক এবং ২০২০ সালের পর দেশব্যাপী নিয়মিত সম্পূরক হাম রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি না থাকা। এসব কারণে সংক্রমনের ঝুঁকিতে থাকা শিশু সংখ্যা বেড়েছে এবং বর্তমান প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই ঝুঁকি ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

 

এ সময় দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণ আরো ছড়াতে পারে। সেজন্য নজরদারি শক্তিশালী করা দূরত্ব রোগ শনাক্ত ও আরোগ্যের পদক্ষেপ নেওয়া কর্তব্য। পাশাপাশি উন্নত মানের টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি পূরণ করণীয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে আরো যেসব পরামর্শ দিয়েছে, সেগুলোর প্রতিপালন শিশুদের সুরক্ষায় সহায়ক হবে। ৮ শতাধিক শিশু মৃত্যুর মর্মান্তিক বেদনার বেদীতে দাঁড়িয়ে দেশবাসী প্রত্যাশা করে, কর্তৃপক্ষের টনক নড়ক। সময় মতো প্রতিরোধ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতার জন্য তাদের মধ্যে অপরাধবোধ জাগুক। ভবিষ্যতের জন্য তারা সচেতন হোক।

 

সব ব্যর্থতার জন্য সরকার বা সরকার প্রধানের দিকে আঙ্গুল তুলেও পার পাওয়া যাবে না। রাষ্ট্রয়ন্ত্রের কোথায় কার কি দায়িত্ব ছিল, কার ব্যর্থতায় এ বির্পযয় ঘটল-তা খোঁজা হবে। কৃতকর্মের দায়ভোগও করতে হবে তাদের। সুতরাং সাধু সাবধান। লেখক: সাংবাদিক ও নাট্যকার

দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর, মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর, মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষ করে অনেক বেকার যুবক, মহিলা, শিক্ষার্থী ও কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। দেবহাটা উপজেলায় এই অফসিজন তরমুজের চাষ করে একদিকে যেমন বেকার ও কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন, অন্যদিকে নতুন এই কৃষিপণ্য চাষে মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ঘেরের জমির পাড়ে মাচা তৈরি করে এই তরমুজের চাষ করা হচ্ছে, যার কারণে বাড়তি কোনো জমিরও প্রয়োজন পড়ছে না।

দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত ৪-৫ বছর ধরে এই অফসিজন তরমুজ ও সবজির চাষ হচ্ছে। গত ২ মাস পূর্বে কৃষক ও বেকার যুবকদের বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া তরমুজের মাচা তৈরি ও প্রশিক্ষণ প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বছর মোট ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অফসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ৩০ হেক্টর। মোট চারটি জাতের বীজÑতৃপ্তি, ব্ল্যাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলালিংক নামের বীজ প্রদান করা হয়।

 

প্রতি বিঘা জমিতে ১০০ গ্রাম থেকে ১২০ গ্রাম বীজ রোপণ করা যায়। এই অফসিজন তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের ঘেরের নিজস্ব জমিতে এই তরমুজের চাষে ঝুঁকছে। এ বছর আশানুরূপ ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বেশি করে এই তরমুজ চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল টিকিট গ্রামের কৃষক কৃঞ্চ চন্দ্র জানান, সে বেকার থাকায় ঘেরের পাশাপাশি দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ তাকে এই অফসিজন তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করে। মোস্তাক আহমেদের পরামর্শে সে তার নিজস্ব জমিতে অফসিজন তরমুজের চাষ করেছে। এখানে পানি লোনা হওয়ার কারণে কোনো সবজি হতো না, কিন্তু তরমুজ চাষ করে ইতোমধ্যে লক্ষাধিক টাকা মুনাফা করেছে এবং আরও ৫০ হাজার টাকার মতো বিক্রি হবে বলে কৃঞ্চ জানান।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ জানান, দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিনি সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। এই অফসিজন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ও বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করেছেন।

দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শওকত ওসমান দেবহাটা উপজেলায় এই তরমুজের আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এই চাষে মহিলারা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। আগামীতে আরও বড় আকারে এই তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, চলতি বছরে ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অফসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে, যা থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা অর্জন করতে পারছেন।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, এই মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ, সার ও সকল প্রকার সহযোগিতা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন এবং দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে।