রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক রহমানের দিল্লি সফরে ঢাকার দুই শর্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের দিল্লি সফরে ঢাকার দুই শর্ত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে দুই দেশের মধ্যে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরিতে দিল্লির কাছে দুই শর্তের কথা উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের পর ওই প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ঢাকার অবস্থান তুলে ধরে মুখপাত্র বলেন, সফরের আগে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এ জন্য দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামির প্রত্যর্পণ অনুরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং হাদি হত্যা মামলার অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এখন দিল্লির জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বাংলাদেশ এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের প্রচলিত আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে হাদি হত্যা মামলার অভিযুক্তদের ফেরত আনার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। চলতি বছরের শুরুতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পশ্চিমবঙ্গ থেকে মামলার সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। ভারত জানিয়েছে, তাদের হস্তান্তরের বিষয়টি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এদিকে তারেক রহমানকে ভারত দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে সফরে তিনি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

Ads small one

‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

এম শফিকুল ইসলাম
হাজার হাজার ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষি উদ্ভাবন এবং সরকারি সহয়তায় সাতক্ষীরার কৃষিখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সাতক্ষীরা ধান উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে এবং ধানের উৎপাদনও বেড়েছে। সবজি, ফল, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে সাতক্ষীরা। সাতক্ষীরার কৃষিখাত বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণের বাস্তবতা সামনে রেখে উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। বর্ধিত উদপাদন, কৃষিপণ্যের গুণমানের প্রক্রিয়াজাতকরণ, জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবন এবং উন্নত কৃষি অনুশীলনসহ শস্য, প্রাণী সম্পদ, জলজ চাষ, সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং কৃষির আরও অনেক ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে সাতক্ষীরাতে।

স্থানীয় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের আমাদের অবশ্যই তথ্যনির্ভর সমাধান এবং প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে আমাদের জ্ঞান সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে, যা আমরা কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারি না। জলবায়ুর যে চ্যালেঞ্জে রয়েছে, তা মোকাবেলা করে কৃষি পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত ও উন্নত করার দিকে আরো গভীর মনোনিবেশ করা দরকার। কৃষি বৈচিত্র্যের সম্ভাবনাও রয়েছে সীমাহীন। কিন্তু এখানে প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ। সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন এবং দরিদ্র হ্রাস করতে আমাদের অবশ্যই বর্ধিত উৎপাদনশীলতা এবং কৃষির বাণিজ্যিককরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাই এ খাতকে জলবায়ু বিষয়ক সমাধানগুলো দরকার হাতের কাছেই এবং খুব কম সময়ের ভিতর। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া ফসল ফলানোর পর নানা কারণে ফসলের ক্ষতি, ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং অপ্রতুল খাদ্য গুদাম ব্যবস্থা এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলা করা অতি জরুরী। এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলার একটি অনস্বীকার্য হাতিয়ার হয়ে উঠবে উন্নত প্রযুক্তি যা বাইরের বিভিন্ন দেশে দেখার সুযোগ তৈরি হবে। সাতক্ষীরার মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। এ ভূমি বড় আশীর্বাদ, এটি দেশের অন্যতম বিস্তৃত নদী ব্যবস্থার অন্তর্গত।

জলের মতো ছড়িয়ে থাকা নদীই এ ভূমিকে উর্বর করে। সহজ শেষ ব্যবস্থাপনায় এতে ফলে সোনার ফসল। তবে নদী যেমন আশীর্বাদ তেমন ঝুঁকিও আছে। বর্ষা মৌসুমে ৫০-৬০ ভাগ জমি পানিতে তলিয়ে যায় আবার শুষ্ক মৌসুমে থাকে কম পানি। বিশেষ করে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে থাকে। এজন্য সঠিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সমগ্র কৃষি ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ, পানি সরবরাহ এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার মূল বিকাশক্ষেত্র। আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা টেকসই সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্র্যকে সমর্থন করতে হবে, যা স্থানীয় বাজারে সঙ্গে আরো ভালোভাবে সংহত, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি গ্রামীন জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। পরিশেষে বলব, সাতক্ষীরার অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখছে অথচ এখনকার কৃষকের অবস্থা এখনও নাজুক। তাদের সামাজিক মর্যাদা নেই বললেই চলে। এই জন্য শিক্ষিত নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো প্রয়োজন। যে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী শহরে বসে কৃষকের ভাগ্য নির্ধারণ করেন তাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের গৃহীত সময়োচিত পদক্ষেপ জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। লেখক: সাংবাদিক ও নাট্যকার

সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের অসুস্থতায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের অসুস্থতায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের উদ্বেগ

দেশ টিভি, দেশ রূপান্তর ও বিডি নিউজের সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন ফেসিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর আশু সুস্থতা কামনায় বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন এবং নির্বাহী সদস্য এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ ও আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ-এর রসুলপুর শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প পরিচালিত হয়।
ক্যাম্পটিতে সেবা প্রদান করেন খুলনা বিএনএসবি আই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল। তারা আগত রোগীদের চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে ২৫০ জন রোগীকে চক্ষু সেবা দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজকরা জানান, চক্ষু পরীক্ষার পর চোখের ছানি ও নালী অপারেশনের প্রয়োজন রয়েছে এমন ৭০ জন রোগীকে বাছাই করা হয়েছে। তাদের চোখের ছানি অপারেশন ও লেন্স বসানোর জন্য খুলনা বিএনএসবি আই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া ৫৫ জন রোগীকে চোখের পাওয়ার পরীক্ষা শেষে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়েছে।
বিনামূল্যে এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ-এর সহ-সভাপতি শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং সমন্বয়কারী মো. জাহিদুর রহমান (শোভন)। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগে স্থানীয় জনসাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।