রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

Ads small one

ব্যালট পেপারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট: আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আস্থা ফেরাতে নতুন ভাবনার সময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
ব্যালট পেপারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট: আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আস্থা ফেরাতে নতুন ভাবনার সময়

শেখ ফরিদ হোসেন

একটি গণতান্ত্রিক দেশের প্রাণভোমরা হলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। তবে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ২’শতাধিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে বেশি সনাতন ব্যালট পেপারে এবং কিছু ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হয়েছে। প্রত্যেকটি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিগত কয়েক দশকে বিভিন্ন নির্বাচনকে ঘিরে জাল ভোট, ব্যালট ছিনতাই, একাধিক ব্যালটে সিল মারা, কেন্দ্র দখল এবং ফলাফল নিয়ে বিতর্কের মতো অভিযোগ বারবার জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হলেও একটি বিষয় স্পষ্ট-নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই আগামী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে মানুষের আস্থা পুনর্গঠনে নতুন ভাবনার সময় এখন সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রযুক্তি আজ বিশ্বের নানা ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করছে। নির্বাচন ব্যবস্থাও এর বাইরে নয়। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নমুক্ত রাখতে বছরের পর বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে অনেক দেশ ইলেকট্রনিক ভোটিং, বায়োমেট্রিক ভোটার শনাক্তকরণ কিংবা ডিজিটাল যাচাই ব্যবস্থার মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যালট পেপারের সঙ্গে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি চমৎকার সুরক্ষা ব্যবস্থা মনে হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে আছে গভীর দার্শনিক ও ব্যবহারিক বিতর্ক। পরিচয়ের নিশ্চয়তা ও জালিয়াতি রোধ-এই পদ্ধতির প্রধান ইতিবাচক দিক হলো ভোটারের শতভাগ পরিচয় নিশ্চিত করা।

অতীতে ‘জাল ভোট’ বা মৃত ব্যক্তির ভোট দেওয়ার মতো যে অভিযোগগুলো উঠত, আঙুলের ছাপের আধুনিক প্রযুক্তির কারণে তা অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভব। যখন একজন ভোটার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সিল মেরে নির্দিষ্ট রেজিস্টারে নিজের আঙুলের ছাপ প্রদান করেন, তখন এটি অকাট্য প্রমাণ হিসেবে কাজ করে যে, সঠিক ব্যক্তিটিই ভোট দিয়েছেন এবং পুনরায় একই ব্যক্তির ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে ভোট দেওয়ার সময় ব্যালট পেপারের নির্ধারিত স্থানে ভোটারের আঙুলের ছাপ গ্রহণ বা প্রযুক্তিগতভাবে তা সংযুক্ত করার ব্যবস্থা থাকলে প্রতিটি ব্যালটের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি হতে পারে। এর উদ্দেশ্য ভোটারকে শনাক্ত করা নয়; ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট করা নয়; বরং ভোট গ্রহণ-পরবর্তী কোনো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য একটি প্রযুক্তিগত যাচাইয়ের সুযোগ রাখা।

যদি কোনো কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয়েছে অথবা একাধিক ব্যালটে একই ব্যক্তির সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান ব্যবস্থায় এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু যদি ব্যালটে নিরাপদভাবে সংরক্ষিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণের সুযোগ থাকে, তাহলে আদালতের নির্দেশ বা আইনসম্মত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন সহজ হতে পারে। এতে দোষী ব্যক্তি, দায়িত্বে অবহেলাকারী কর্মকর্তা কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিরুদ্ধে প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে অনিয়মের প্রবণতা কমানোর ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

তবে এই ধারণার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জও কম নয়। গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মৌলিক ভিত্তি হলো গোপন ব্যালট। কোনো অবস্থাতেই এমন প্রযুক্তি গ্রহণ করা যাবে না, যাতে একজন ভোটার কাকে ভোট দিয়েছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা, তথ্য সংরক্ষণের নীতিমালা, প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা, বাস্তবায়নের ব্যয়, সাংবিধানিক বৈধতা এবং বিদ্যমান নির্বাচনী আইনের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য-সবকিছু গভীরভাবে পর্যালোচনা অপরিহার্য। ফলে প্রযুক্তি যেন স্বচ্ছতা বাড়ানোর পরিবর্তে নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। এবং নির্বাচন কমিশন, প্রযুক্তিবিদ, আইনজ্ঞ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরঅংশগ্রহণে এ বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা বা একটি বিস্তৃত জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে এর সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা আরও স্পষ্ট হবে। প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যকারিতা যাচাই করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

গণতন্ত্রের শক্তি কেবল ভোট গ্রহণে নয়, সেই ভোটের প্রতি মানুষের বিশ্বাসে। সেই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে নতুন প্রযুক্তি, নতুন ধারণা এবং নতুন সংস্কার নিয়ে প্রযুক্তি, আইন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার সমন্বয় অপরিহার্য। নতুন কোনো ধারণা গ্রহণের আগে তা নিয়ে মুক্ত আলোচনা, সমালোচনামূলক মূল্যায়ন এবং বাস্তবসম্মত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হওয়া উচিত। কারণ একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কেবল একটি সরকারের বৈধতা নিশ্চিত করে না; এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকেও আরও শক্তিশালী করে। তাই বাংলাদেশে এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে ফলাফল নয়, পুরো প্রক্রিয়াটিই জনগণের কাছে প্রশ্নাতীতভাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

লেখক: শেখ ফরিদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো, সাতক্ষীরা।

শ্যামনগরে দুই শতক জমি না দেয়ায় ধর্ষণের মামলা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে দুই শতক জমি না দেয়ায় ধর্ষণের মামলা!

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক নারী তার স্বামীর চার নিকটাত্মীয়ের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটার দিকে শ্যামনগর থানায় হাজির হয়ে তিনি উক্ত মামলা দায়ের করেন। মামলায় তার স্বামী আফসার আলীর নিকটাত্মীয় আবু বক্কার, আব্দুল কাদের, মঞ্জুরুল ইসলাম ও রবিউল ফকিরকে আসামী করা হয়।

মামলায় ঐ নারী দাবি করেন স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্যামনগর সদরের চন্ডিপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি স্বামীর কাশিমাড়ী গ্রামের বাড়িতে যেয়ে ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পায়। এসময় কল দিয়ে স্বামীর মোবাইল বন্ধ পেয়ে সাতক্ষীরায় অবস্থানরত ভাশুর আব্দুর রাজ্জাকের পরামর্শে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে বারান্দায় পায়চারী করার সময় অভিযুক্তরা মুখে গামছা বেঁধে ঘর থেকে তুলে নিয়ে পাশের খড়ের ঘরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে বনিবনা না হওয়ায় অভিযোগকারী নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর নিকট থেকে তালাক দাবি করে আসছিলেন। বিনিময়ে স্বামী থেকে দুই শতক জমি বা পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। তবে স্বামী আফছার আলীর এসব নিকটাত্মীয়রা নাসিমা পারভীনকে জমি বা টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা সৃষ্টি করায় নাসিমা তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা ও হয়রানীমুলক এ মামলা করেছেন।

এবিষয়ে জানতে বাদীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার সাথে যা হয়েছে তা নিয়ে কথা বলবো না। তবে আমার বসবাসের জন্য দুই শতক জমি দিলে আমি মামলা করতাম না। আগের রাত পর্যন্ত বার বার বলা সত্ত্বেও জমি দিতে সম্মত না হওয়ায় তিনি মামলা করেছেন বলেও নিশ্চিত করেন।

অভিযোগকারী নারীর স্বামী আফছার আলীর ভাষ্য তাদের স্বামী-স্ত্রী’র এটা দ্বিতীয় বিয়ে। নিজের নামে মাত্র দুই শতক জমি তার অবশিষ্ট রয়েছে। তাই তিনি কোন জমি দিতে সম্মত না হওয়ায় হয়ারনী করতে তার স্বজনদের নামে মামলা দিয়েছে তার স্ত্রী। তিনি বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানান উক্ত নারীর পরীক্ষা করে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তিন/চার দিন পুর্বেও একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শাররীক পরীক্ষা করাতে অস্বীকার করেছিলেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার সাফিউল ইসলাম জানান, বাদীনীর অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ডের পর একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।

 

 

স্ত্রী-সন্তানের চিকিৎসায় দিশেহারা ভ্যানচালক ইমান আলী, চায় মানবিক সহায়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
স্ত্রী-সন্তানের চিকিৎসায় দিশেহারা ভ্যানচালক ইমান আলী, চায় মানবিক সহায়তা

‎জি এম আমিনুল হক: ‎সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর গ্রামের অসহায় ভ্যানচালক মো. ইমান আলী বর্তমানে চরম মানবিক সংকটের মুখোমুখি। একই সময়ে তার ছোট ছেলে ও স্ত্রীর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

‎জানা গেছে, ইমান আলীর চার বছর বয়সী ছোট ছেলে সামিউল গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার খেলতে গিয়ে পড়ে তার বাম হাত ভেঙে যায়। প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে সেখানে অপারেশন সম্ভব না হওয়ায় আজ তাকে সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই শনিবার ডা. হাফিজুল্লাহর তত্ত্বাবধানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

‎এদিকে ইমান আলীর স্ত্রীও গুরুতর অসুস্থ। তার পেটের ভেতরে থাকা টিউমারের জরুরি অপারেশন প্রয়োজন। আগামী ২১ জুলাই মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা রয়েছে।

‎একদিকে শিশুপুত্রের অস্ত্রোপচার, অন্যদিকে স্ত্রীর শাহানারা খাতুনের জরুরি অপারেশন দুইজনের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা একজন স্বল্প আয়ের ভ্যানচালকের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে তিনি চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।

‎এ অবস্থায় ইমান আলী সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনসহ সকলের কাছে আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

‎সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম (বিকাশ/নগদ): ০১৯৪২৪৮৮২৮৭ (মো. ইমান আলী)।