শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

বিনোদন ডেস্ক: তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয় এখন শুধু রূপালি পর্দার নায়ক নন, বরং তামিলনাড়ু রাজনীতির ভোটের মাঠে এক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে উঠে এসেছেন।

নিজের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেটরি কাজগাম (টিভিকে) গঠনের পর তিনি সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে থালাপতি বিজয় নিজের ভোট প্রদান করেন এবং আঙুলে কালি দেখিয়ে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের বার্তা দেন।

একইসঙ্গে তিনি ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু এলাকায় দীর্ঘ লাইন, ভোটগ্রহণে ধীরগতি এবং পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটাররা ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ বিষয়ে তিনি ভোটের সময় বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং ভোটারদের সহজে কেন্দ্রে পৌঁছাতে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যবস্থারও অনুরোধ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলচ্চিত্র জগতে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে থালাপতি বিজয় এবারের নির্বাচনে একটি ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠেছেন, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি একজন অভিনেতা—এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমি রাজনীতিতে অভিনয় করিনি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত বোঝাতে চান যে, রাজনীতিতে তিনি কোনো নাটকীয়তা বা অভিনয়ের ভঙ্গিতে নন, বরং বাস্তব ও সিরিয়াসভাবে ভূমিকা রাখতে চান।

অন্যদিকে তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ চলচ্চিত্র ‘জানা নায়াগান’ ঘিরে ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে বিদায়ী আবেগ তৈরি হয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে নানা জটিলতা ও বিলম্বের কারণে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ব্যস্ততার সঙ্গেও যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ মে ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেদিনই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ এবং সিনেমা ক্যারিয়ার ঘিরে অনিশ্চয়তা—সবকিছু মিলিয়ে থালাপতি বিজয় এখন “নায়ক থেকে জননায়ক” হয়ে ওঠার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন।

Ads small one

আশাশুনিতে সোনালি ধানের মাঠে ব্যস্ততা, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে সোনালি ধানের মাঠে ব্যস্ততা, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরা-আশাশুনি উপজেলার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ জনপদে এখন বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম। ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঠে নেমে পড়ছেন কৃষক-কৃষাণিরা। কাস্তের টুংটাং শব্দ, ধান মাড়াইয়ের ঘূর্ণি আর শ্রমিকদের হাঁকডাকে মুখর চারপাশ। কোথাও মাথায় করে, কোথাও ভ্যানে, আবার কোথাও ট্রলি করে যাচ্ছে সোনালি ফসল-মাঠ থেকে ঘর পর্যন্ত এখন একটিই দৃশ্য, ব্যস্ততার।

 

এবারের মৌসুমে বোরো ধানের ফলন তুলনামূলক ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে প্রথমদিকে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছিল। অনেকেই আশা করেছিলেন, ভালো ফলন মানেই সংসারে স্বস্তি ফিরবে, ঋণের বোঝা কমবে। কিন্তু ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সেই আশায় ভাটা পড়েছে। মাঠপর্যায়ে ধানের দামের অস্থিরতা আর ফড়িয়া-সিন্ডিকেটের প্রভাব এখন কৃষকের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বাজারে যেখানে শুকনো ধানের দাম তুলনামূলক বেশি, সেখানে মাঠ থেকেই কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কৃষক। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক এবং শ্রমিক মিলিয়ে প্রতি মণ ধান উৎপাদনে গড়ে ৮৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ছে। অথচ অনেক কৃষককে ১১০০/১২০০ টাকার মধ্যেই ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।

 

ফলে ভালো ফলনের পরও অনেক কৃষকের মুখে হাসি নেই, বরং বাড়ছে চাপা উদ্বেগ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, অনেক কৃষক ঋণ পরিশোধ ও নগদ টাকার প্রয়োজনে ধান ঘরে না তুলে সরাসরি মাঠেই বিক্রি করছেন। দালাল ও ফড়িয়ারা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কম দামে ধান কিনে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “এবার ধান ভালো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু লাভ হচ্ছে না।

 

সার, শ্রমিক আর ঋণের টাকা দিতে গিয়ে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছি। হাতে টাকা না থাকলে উপায়ও নেই।” একই গ্রামের আরেক কৃষক হাসানুর রহমান বলেন, “আমরা বছরের পর বছর কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে আমাদের জন্য কোনো নিরাপত্তা নেই। সরকার যদি সরাসরি ধান কিনতো, তাহলে আমরা অন্তত ন্যায্যমূল্য পেতাম।” ধান কাটা শ্রমিকরাও বলছেন, কৃষকের মুখে স্বস্তির পরিবর্তে চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। শ্রমিক শিউলি বেগম জানান, “কাজের চাপ অনেক, কিন্তু কৃষকদের অবস্থা ভালো না।

 

দাম কম পাওয়ায় তারা খুব চিন্তায় আছে।” এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের ফলন সন্তোষজনক হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কৃষকের প্রকৃত লাভ নির্ভর করছে বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের ওপর। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, সরকারি ক্রয় কার্যক্রম আরও সক্রিয় হলে কৃষকরা কিছুটা হলেও ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমবে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সচেতন করাও চলছে বলে তিনি জানান।

 

সব মিলিয়ে আশাশুনির গ্রামীণ জনপদে এখন একদিকে সোনালি ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততা, অন্যদিকে বাজারদরের অনিশ্চয়তায় কৃষকের চোখে চাপা হতাশা। ভালো ফলনের আনন্দ যেন পুরোপুরি পরিণত হতে পারছে না স্বস্তিতে। কৃষকের প্রত্যাশা-এই সোনালি মৌসুম যেন শেষ পর্যন্ত তাদের ঘরে নিয়ে আসে ন্যায্যমূল্যের হাসি, না যে শুধু পরিশ্রমের হিসাব।

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে বজ্য অপসারণ, পিলখানা অপসারণ, প্রাণসায়ের খালের পানি প্রবাহ রক্ষা করা, মাছ বাজারের ব্রিজ, শহরের পাকাপোল ব্রিজ, রাধানগর সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সড়ক ও থানা মসজিদ সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার।

 

এসময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। তিনি বলেন, প্রাণসায়ের খাল পাড়ে ময়লার ভাগাড় হতে দেওয়া হবেনা। খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে খালে কোন ময়লা আবর্জনা ও অবৈধ স্থাপনা হতে দেওয়া হবেনা। আজ সরেজমিনে এসে বলে গেলাম। এরপর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন ব্রিজের উপর দোকান পাট ও চলাচলের রাস্তার দু’ধারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোকান পাট ও অবৈধ স্থাপনা দেখতে চাইনা। আগামী শনিবার আবার আসবো পরিদর্শনে। সাতক্ষীরাকে সকলের জন্য বাসযোগ্য করে তুলতে জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ।

 

উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মেদ, সহকারি প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত সাগর দেবনাথ, উপসহকারি প্রকৌশলী মোহাব্বাত হোসাইন, কামরুজ্জামান শিমুল, সাবেক অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম, সহ-সভাপতি তৈয়েব হাসান বাবু, অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড়, আব্দুর রব ওয়ার্ছি, ফারহা দিবা খান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল, মহিলা সম্পাদিকা সোনীয়া সুলতানা, যুগ্ম মহিলা সম্পাদকা রেবেকা সুলতানা, কৃষি ও মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল করিম (ধনি), সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মুছা করিম, পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুল আল মাহমুদ (রিটু), আইটি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আসিফুল আলম, নির্বাহী সদস্য সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিউদ্দিন, সি.এম নাজমুল ইসলাম, সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, সহ-সভাপতি মো. আমিনুর রহমান, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রওশন আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী খাঁ, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালিউল ইসলাম প্রমুখ।

সুলতানপুর বড় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে জানান, সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খালের ধারে পৌরসভার কসাইখানা (পিলখানা) হলে আবারও ময়লা ও বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হবে এবং খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হবে। আদালতে এই পিলখানার জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে। আদালত স্থিতিবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ প্রাণসায়ের খালের ধারে কসাইখানা স্থাপন করার লক্ষ্যে টেন্ডার দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক বলে জানান ব্যবসায়ীরা। খালের পাড়ে পিলখানা না করার অনুরোধ জানান তারা।

শ্যামনগরে চার হত্যাসহ দুই ডজন মামলার আসামী রবিউল র‌্যাবের হাতে আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে চার হত্যাসহ দুই ডজন মামলার আসামী রবিউল র‌্যাবের হাতে আটক

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরের আলোচিত আমিরুল, আকিজ, আছাদুল্লাহ গালিব ও সফি মোড়ল হত্যা মামলার আসামী রবিউল জোয়ারর্দার(৪৫)কে আটক করেছে র‌্যাব। প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-৬ এর বিশেষ টিমের সদস্যরা শুক্রবার রাতে পলাতক অবস্থায় খুলনা থেকে তাকে আটক করে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রাতেই রবিউলকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করে। সে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের পাশের্^মারী গ্রামের অয়েন জোয়ারর্দারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যা, অস্ত্র উদ্ধারসহ নানা অভিযোগে অন্তত দুই ডজন মামলা রয়েছে।
সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান জানান হত্যা মামলার স্বাক্ষীদের হুমকি দেয়ার পাশাপাশি তাদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় সম্প্রতি একটি মামলা হয়। হত্যাকান্ডসহ পুর্বের সব মামলায় জামিনে থাকলেও সর্বশেষ মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ছিল। র‌্যাব সদস্যরা থানায় হস্তান্তরের পর রবিউলকে শনিবার দুপুরের দিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।