শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ও ওষুধসহ ১০ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিনভর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ আটটি সীমান্ত চৌকির (বিওপি) সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন। বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাচালান রোধে বিজিবির তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা, মাদরা, চান্দুরিয়া, হিজলদী, ভোমরা, কালিয়ানী ও কুশখালী বিওপির টহল দল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ভারতীয় মদ, ক্যাটাগ্রা ও টারপেন্টাডল ট্যাবলেট, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, শাড়ি এবং মোবাইল ফোনের পিন উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্য জব্দের তালিকায় রয়েছে চারাবাড়ি ও কেড়াগাছি এলাকা থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ। চান্দা ও কাঁদপুর এলাকা থেকে ২ লাখ ৬ হাজার টাকার ওষুধ ও ক্যাটাগ্রা ট্যাবলেট। লক্ষীদাড়ি ও তালশারী এলাকা থেকে ৩ লাখ ২১ হাজার টাকার মদ, মাদকজাতীয় ট্যাবলেট ও মোবাইলের পিন। ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি ও ওষুধ। বিজিবি জানায়, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। জব্দকৃত মালামালের মোট মূল্য ১০ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্য প্রবেশের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। জনস্বার্থে ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে সীমান্তের এই কঠোর নজরদারি এবং চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ভর্তুকির ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে ফের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আবাসিকসহ সব ধরনের গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে পাইকারি (বাল্ক) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাবও প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগির এসব প্রস্তাব বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারভেদে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে লাইফলাইন বা প্রান্তিক গ্রাহক—যারা মাসে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন—তাদের জন্য কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি।

পাশাপাশি পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ভর্তুকি ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য সমন্বয়ের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দামের পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে মন্ত্রিসভার জন্য সুপারিশ দেবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৮ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে পাইকারি মূল্য ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়।

বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দুই বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম না বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এলএনজি, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং ভর্তুকির পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

এ পরিস্থিতিতে সরকার একদিকে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে, অন্যদিকে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে বেসলোড বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন না ঘটে। তবে এসব পদক্ষেপের কারণে উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়, বর্তমানে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা, যা উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কম। ফলে উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সম্ভাব্য ঘাটতি প্রায় ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকলে এই চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাইকারি দামের তিন বিকল্প
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৪ পয়সা করা হলে ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা কমতে পারে। এক টাকা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৪ পয়সা করা হলে সাশ্রয় হবে প্রায় ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করলে ভর্তুকি কমবে প্রায় ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

খুচরা দামের প্রস্তাব
পাইকারির পাশাপাশি খুচরা পর্যায়েও মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নিম্নআয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষায় লাইফলাইন পর্যায়ে (০-৭৫ ইউনিট) কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি। অন্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারে সর্বনিম্ন ৭০ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও আইএমএফের সুপারিশ
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কায় আবাসিক খাতে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, শিল্প খাতে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি পেট্রল, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরে জ্বালানির মূল্য সরাসরি ট্যারিফে সমন্বিত হওয়ায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৫ সালে বিদ্যুৎ খাত পর্যালোচনায় একটি কারিগরি মিশন পাঠায়, যা বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে টানা দুই সপ্তাহ আলোচনা করে। তাদের সুপারিশে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বাড়ানো এবং ভর্তুকি কমাতে তিন বছরমেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত রেখে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। এর আগে গত শনিবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি দীর্ঘদিন ম্যালেরিয়াসহ অন্যান্য জটিলতায় ভুগছিলেন।

মাহবুবুর রহমান ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন কাস্টম হাউস, কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আজ হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
আজ হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
এদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে, যার মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া ও চারটি ফ্লাইনাস পরিবহন করবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।

সৌদি আরবের সাথে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুসারে মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে। বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে সৌদি আরবের সাউদিয়া শতকরা ৩৫ ভাগ ও ফ্লাইনাস ১৫ ভাগ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

২১ মে প্রি-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়ার ৭৫ টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে হতে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা পহেলা জুলাই শেষ হবে।