বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালের বন্যা কি সাতক্ষীরার জন্যও এক সতর্ক ঘণ্টা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
নেপালের বন্যা কি সাতক্ষীরার জন্যও এক সতর্ক ঘণ্টা?

মো: মামুন হাসান

হিমালয়ের কান্না, সমতলের শঙ্কা

আগস্ট মাসের এক সকালে হিমালয়ের কোলে ঘুমিয়ে থাকা একটি জনপদ চোখের পলকে বদলে গেল ধ্বংসস্তূপে। ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নেপালের লাংটাং জাতীয় উদ্যানে হিমবাহের একাংশ ধসে পড়ার ফলে সৃষ্ট এক ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক প্রবাহ ও বন্যা শুরু হয়, যা চীন সীমান্তের কাছে ঘটে। সেই ধস থেকে সৃষ্ট প্রবল স্রোত ত্রিশূলী নদী ধরে প্রায় একশ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে একের পর এক গ্রাম ভাসিয়ে নেয়, বহু সেতু ও সড়ক গুঁড়িয়ে দেয় এবং হাজার হাজার স্থাপনা তলিয়ে দেয়। এক সপ্তাহের মাথায় জানা যায়, সরকারি হিসাবে তেরো শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ তখনো নিখোঁজ ছিলেন। এমনকি কিছু মৃতদেহ স্রোতের টানে দেড়শ কিলোমিটার দূরে প্রতিবেশী ভারতের সীমানা পর্যন্ত ভেসে যায়।

এই বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে প্রথমে বিভ্রান্তি ছিল। প্রাথমিক খবরে ভূমিকম্পের কথা বলা হলেও পরে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে হিমালয়ের গভীরে বরফ ও পাথরের বিশাল একটি খণ্ড ধসে পড়ে ভোতেকোশি নদীর গতিপথে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। হিমবাহের নিচের শিলাস্তরের ভাঙনই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রশ্ন হলো, নেপালের এই ট্র্যাজেডি কি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন পার্বত্য দুর্যোগ, নাকি এটি গোটা দক্ষিণ এশিয়ার নদীব্যবস্থার জন্য এক গভীরতর বার্তা বহন করছে, যে বার্তা সাতক্ষীরার মতো উপকূলীয় জনপদেও অনুরণিত হওয়ার কথা।

দুই ভূগোল, দুই বিপদ, একই শিকড়

সততার সঙ্গে বলতে হয়, নেপালের হিমবাহ বিধ্বস্ত পাহাড় আর সাতক্ষীরার লবণাক্ত উপকূল ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের এলাকা। নেপালে বিপদ আসে উচ্চতা থেকে, বরফগলা হ্রদ ফেটে যাওয়া বা হিমবাহ ধসে যাওয়ার মাধ্যমে। সাতক্ষীরায় বিপদ আসে সমুদ্রের দিক থেকে, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস আর বাঁধ ভাঙার মাধ্যমে। তাই সরাসরি হাইড্রোলজিক্যাল অর্থে নেপালের বন্যার পানি সাতক্ষীরার কোনো নদীতে পৌঁছায় না।

কিন্তু এই দুটি বিপর্যয়ের নেপথ্যে একটি অভিন্ন চালিকাশক্তি কাজ করছে, আর তা হলো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়ার তীব্রতা বৃদ্ধি। হিমালয়ের হিমবাহ ও হিমবাহী হ্রদগুলো উষ্ণায়নের কারণে দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, আর সেই একই বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়াচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বাড়াচ্ছে এবং বঙ্গোপসাগরের লবণাক্ততা সাতক্ষীরার ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে। অর্থাৎ উৎস আলাদা হলেও কারণ একটাই, আর সেই কারণ দুই প্রান্তের মানুষকেই সমান ঝুঁকিতে ফেলছে।

সাতক্ষীরা ইতিমধ্যেই এক নীরব দুর্যোগের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে

সাতক্ষীরার দুর্যোগচিত্র কোনো কল্পনার বিষয় নয়। এই উপকূলীয় জেলায় লবণাক্ততা দিনে দিনে বাড়ছে, ফলে আগের মতো অনেক ফসল আর আবাদ করা যাচ্ছে না এবং কৃষকদের চাষপদ্ধতি বদলাতে বাধ্য হতে হচ্ছে। একই সঙ্গে এখানকার বহু মানুষ নিরাপদ খাবার পানির সংকটে ভুগছেন, অনেক পরিবারকে টাকা দিয়ে পানি কিনে খেতে হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যে নতুন সংকট তৈরি করছে।এই বাস্তবতা মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগও চোখে পড়ছে। সম্প্রতি উপকূলীয় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে পাঁচ হাজার গাছের চারা রোপণের মতো কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এটি প্রশংসনীয়, কিন্তু বৃক্ষরোপণ একা কোনো বাঁধ শক্ত করতে পারে না, কোনো জলোচ্ছ্বাস ঠেকাতে পারে না।

কেন এই সতর্কতা উপেক্ষা করা যায় না

সাতক্ষীরা নদীমাতৃক ব-দ্বীপীয় ভূগোলের একেবারে প্রান্তে দাঁড়ানো একটি জেলা। ইছামতি, কালিন্দী, কপোতাক্ষের মতো নদী এই জেলাকে ঘিরে রেখেছে, আর এসব নদীর ওপর নির্মিত বাঁধ বহু ক্ষেত্রেই বছরের পর বছর ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত ও দুর্বল। আয়লা ও সিডরের মতো ঘূর্ণিঝড় এই বাঁধগুলোর দুর্বলতা বহুবার প্রকাশ করে দিয়েছে। শ্যামনগর ও তালার মতো উপজেলায় পানি ঢুকে বছরের পর বছর জলাবদ্ধতা লেগে থাকার ঘটনা নতুন কিছু নয়।

নেপালের বিপর্যয় থেকে যে শিক্ষা নেওয়া জরুরি তা হলো, প্রকৃতি কোনো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলে না। ভূতাত্ত্বিক ও জলবায়ুগত পরিবর্তনের গতি এখন এতটাই দ্রুত যে বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাসও প্রায়ই পিছিয়ে পড়ছে। যে হিমবাহ শত বছর স্থিতিশীল ছিল, তা একদিনের মধ্যে ধসে পড়তে পারে। একইভাবে যে বাঁধ কয়েক দশক টিকে ছিল, তা একটি অস্বাভাবিক জোয়ার বা একটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে পড়তে পারে।

করণীয় কী

প্রথমত, সাতক্ষীরার বাঁধ ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত ও বৈজ্ঞানিক তদারকি প্রয়োজন, কেবল দুর্যোগ ঘটার পর মেরামতের চিরাচরিত সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

দ্বিতীয়ত, স্থানীয় পর্যায়ে একটি কার্যকর পূর্বসতর্কীকরণ ব্যবস্থা দরকার, যা কেবল আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকা কেন্দ্রিক তথ্যের ওপর নির্ভর না করে গ্রাম পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।

তৃতীয়ত, নিরাপদ পানীয় জলের সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ দরকার, কারণ এই সংকট প্রতিদিনের জীবনযাত্রাকে দুর্বল করে দিচ্ছে এবং যেকোনো বড় দুর্যোগের সময় মানুষের সহনক্ষমতাও কমিয়ে দেয়।

চতুর্থত, আঞ্চলিক পর্যায়ে হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত পুরো গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র মেঘনা অববাহিকার তথ্য আদানপ্রদান জোরদার করা প্রয়োজন, যাতে উজানের একটি ঘটনা ভাটির জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো সতর্কবার্তা হয়ে পৌঁছাতে পারে।

নেপালের পাহাড়ে যে বরফখণ্ড ভেঙে পড়েছিল তার সরাসরি পানি সাতক্ষীরার মাটি স্পর্শ করবে না, এটা ঠিক। কিন্তু যে জলবায়ু ব্যবস্থা সেই বরফখণ্ডকে অস্থির করে তুলেছিল, সেই একই ব্যবস্থা সাতক্ষীরার সমুদ্র, নদী আর বাঁধকেও প্রতিনিয়ত অস্থির করে তুলছে। দূরত্বের বিভ্রমে যদি আমরা এই সতর্ক ঘণ্টা না শুনি, তাহলে হয়তো আগামী কোনো এক ভরা কটালের রাতে সাতক্ষীরার মানুষকেও একই রকম আকস্মিকতার মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে, যে আকস্মিকতার মুখোমুখি নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার মানুষ দাঁড়িয়েছিল এক আগস্টের সকালে।

লেখক : মো: মামুন হাসান,ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান,ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ,সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

‎বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ: ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কূটনীতির নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
‎বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ: ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কূটনীতির নতুন সম্ভাবনা

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে তিনি দায়িত্ব নেন। এর আগে ২ জুনের গোপন ব্যালট ভোটে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকোরিসকে ৯৯-৯১ ভোটে হারিয়ে তিনি নির্বাচিত হন। প্রায় চার দশক পর আবারও একজন বাংলাদেশি এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তরর্জাতিক দায়িত্বে এলেন।

 

সাধারণ পরিষদের সভাপতি ১৯৩টি দেশের কোনো একটির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন না, তাঁকে সব সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয় ও সংলাপ এগিয়ে নিতে হয়। তাই এই পদে বসে বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তর আদায় করা সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্বরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোচনার পরিসর তৈরি করা, বিভিন্ন পক্ষকে এক টেবিলে আনা এবং আন্তরর্জাতিক মনোযোগ কোনো নির্দিষ্ট সংকটের দিকে ধরে রাখা এসব ক্ষেত্রে সভাপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হতে পারে রোহিঙ্গা সংকট। বছরের পর বছর ধরে এই সংকটের বোঝা বাংলাদেশ বহন করছে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে আন্তরর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখা এখনো জরুরি। একইভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু অর্থায়ন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থের প্রশ্নেও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিশ্বমঞ্চে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।

‎জাতিসংঘের এই দায়িত্বকে বাংলাদেশ যদি শুধু গৌরবের বিষয় হিসেবে উদ্যাপন করে থেমে যায়, তাহলে বড় সুযোগটি অপূর্ণ থেকে যাবে। বরং এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক পরিকল্পনা কোন ইস্যুতে বাংলাদেশ কী অবস্থান নেবে, কোন দেশগুলোর সঙ্গে কীভাবে কাজ করবে এবং দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও কীভাবে এই আন্তরর্জাতিক যোগাযোগকে দেশের স্বার্থে কাজে লাগানো যাবে।

‎ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘকে পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। এই ভাবনাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১৯৪৫ সালের বিশ্ব আর আজকের বিশ্ব এক নয়। জলবায়ু সংকট, যুদ্ধ, শরণার্থী সমস্যা, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার আন্তরর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। জাতিসংঘকেও এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বাংলাদেশের জন্য আরও একটি শিক্ষা এখানে রয়েছে। আন্তরর্জাতিক অঙ্গনে একটি দেশের গ্রহণযোগ্যতা শুধু বড় অর্থনীতি বা সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না। দক্ষ কূটনীতি, দায়িত্বশীল অবস্থান এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাও একটি দেশের প্রভাব বাড়াতে পারে। ড. খলিলুর রহমানের এই দায়িত্বকে বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক পুঁজি হিসেবে দেখা যেতে পারে।

 

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জন্য এখন অভিনন্দনের সময়ের পাশাপাশি কাজের সময়ও। রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ঝুঁকি, অর্থনৈতিক স্বার্থ কিংবা বহুপাক্ষিক সংস্কার প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি কূটনীতি। ড. খলিলুর রহমানের সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য হবে না, তাঁর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে কতটা দায়িত্বশীল, ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সেটিই হয়ে উঠবে বড় প্রশ্ন। জাতিসংঘের এই দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য সম্মানের, আর সেই সম্মানকে স্থায়ী অর্জনে পরিণত করাই হবে আসল সাফল্য।

কালিগঞ্জে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের দল গঠন উপলক্ষে প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের দল গঠন উপলক্ষে প্রতিযোগিতা

বিশেষ প্রতিনিধি: ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ আইজিপি’র নির্দেশনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬। উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কালিগঞ্জ থানার বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠন করা হয়েছে একটি চৌকস কাবাডি টিম। বাছাইপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার কাবাডি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে উপজেলা পরিষদ মাঠে কাবাডি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান। এ সময় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। খেলাধুলার মাধ্যমে সুন্দর, সুস্থ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

সাতক্ষীরায় দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দ্বীন আলী ও সম্পাদক শাহ আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দ্বীন আলী ও সম্পাদক শাহ আলম

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সাতক্ষীরার সাধারণ সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের রাজ হোটেলের ২য় তলার সম্মেলন কক্ষে উক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সাতক্ষীরার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ দ্বীন আলী।

 

এসময় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, চেম্বার অব কমার্স সাতক্ষীরার পরিচালক গোলাম আযম, আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফাসহ বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সাতক্ষীরার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণ সভায় সমিতির হিসাব বিবরণী পেশ ও অনুমোদন, ব্যবসায়ীদের সুবিধা অসুবিধায় সঙ্গে থাকা এবং কোন ধরনের জুলুম অত্যাচেরর বিরুদ্ধে অবস্থান থাকার ঘোষণাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ ছাড়া আগামি ২ বছর মেয়াদের জন্য আলহাজ্ব মোঃ দ্বীন আলীকে সভাপতি ও শাহা আলমকে সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি নির্বাচিত করা হয়।