রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

পাঁচবার ট্রাম্পের ধমক খেয়ে কী করেছিলেন নেতানিয়াহু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
পাঁচবার ট্রাম্পের ধমক খেয়ে কী করেছিলেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুরো রাজনৈতিক ক্যারিয়ারই টিকে থাকার লড়াইয়ের এক অদ্ভুত গল্প। দুর্নীতি মামলার গ্যাঁড়াকল, মিত্রদের ত্যাগ কিংবা আদালতের নিন্দা; কোনো কিছুই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেনি। তার টিকে থাকার মূল সঞ্জীবনী শক্তি হলো যুদ্ধ। এই যুদ্ধ কোনও বিজয় বা নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরানের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত আসা ধ্বংসের হুমকিকে জিইয়ে রাখা। যতদিন ইসরায়েল একের পর এক নৃশংস হামলা চালিয়ে যাবে, ততদিনই নেতানিয়াহুর প্রধানমন্ত্রিত্ব নিশ্চিত।

কারণ, যেই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে আসবে, ঠিক সেই মুহূর্তে নেতানিয়াহুকে তার নিজের দেশের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এই একটি হিসাব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করা সম্ভব—কেন যুদ্ধবিরতি বারবার ভেঙে পড়ে, কেন চুক্তিগুলো কর্পূরের মতো উড়ে যায় এবং কেন মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা বারবার খালি হাতে ফিরে আসেন। হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে পাঁচবার তীব্র ধমক খাওয়ার পরও নেতানিয়াহু প্রতিবারই ট্রাম্পকে বোকা বানিয়েছেন। কারণ, জেল এড়াতে নেতানিয়াহুর এই যুদ্ধগুলো চালিয়ে যাওয়া বড্ড প্রয়োজন।

নিচে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার সেই পাঁচ দ্বন্দ্বের বিবরণ তুলে ধরা হলো:

১ জুন, ২০২৬: ‘তুমি কি পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছ?’

গত ১ জুন দুই নেতার মধ্যকার সব কূটনৈতিক সৌজন্য ভেঙে পড়ে। ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলার হুমকি দিলে ইরান আলোচনা থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করেন, যাকে মার্কিন কর্মকর্তারা ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের পর অন্যতম ‘সবচেয়ে খারাপ ফোনালাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ফোনে চিৎকার করে বলেন, ‘তুমি কি পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছো? আমি না থাকলে তুমি এতদিনে জেলে থাকতে। আমি তোমার পিঠ বাঁচাচ্ছি। আর এখন এই সব কাণ্ডের জন্য সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। পুরো বিশ্ব এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’

ট্রাম্প তাঁকে দুর্নীতির মামলার সময় নিজের ব্যক্তিগত সমর্থনের কথা মনে করিয়ে দেন এবং বৈরুতে হামলা চালালে ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে আরও একঘরে হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন। এক কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্পের এমন প্রচণ্ড চাপের মুখে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে, শুধু নিশ্চিত করো যেন সবকিছু সামলে নেওয়া হয়।’

কিন্তু পরক্ষণেই জনসমক্ষে ভিন্ন বিবৃতি দিয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, ‘আমাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।’ গাজায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পরোয়ানাভুক্ত নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হিজবুল্লাহ না থামলে বৈরুতে হামলা হবেই।

মে, ২০২৬: ‘মাথায় আগুন’

গত মে মাসে ট্রাম্প যখন ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত, যা সফল হলে নেতানিয়াহুর যুদ্ধ জিইয়ে রাখার সবচেয়ে বড় অজুহাতটি হাতছাড়া হয়ে যেত। ২০ মে’র সেই ফোনালাপকে সূত্রগুলো ‘কঠিন’ বলে বর্ণনা করেছে। এক সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানায়, ফোনের পর নেতানিয়াহুর ‘মাথায় আগুন’ ধরে গিয়েছিল। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি হতে যাচ্ছে শুনে প্রচণ্ড শঙ্কিত হয়ে পড়েন নেতানিয়াহু। তিনি প্রকাশ্য ট্রাম্পের অবাধ্য না হলেও পর্দার আড়ালে লবিস্টদের দিয়ে চুক্তিটি ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা চালান। অথচ ট্রাম্প জনসমক্ষে জোর দিয়ে বলছিলেন, ‘নেতানিয়াহু তা-ই করবেন, যা আমি করতে বলব।’ জুনের ঘটনাপ্রবাহ ট্রাম্পের সেই দাবিকে ভুল প্রমাণ করে।

এপ্রিল, ২০২৬: লেবানন যখন সংকটে

গাজায় অবিরাম বোমাবর্ষণের মধ্যেই নেতানিয়াহু লেবাননে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলেন, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনেই ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। ৯ এপ্রিল ট্রাম্প ফোন করে ইসরায়েলি হামলা কমাতে চাপ দেন। এক ইসরায়েলি সূত্র জানায়, নেতানিয়াহু বুঝতে পেরেছিলেন তিনি যদি লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু না করেন, তবে ট্রাম্প তাকে ছাড়াই একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে দেবেন। এই ভয়ে নেতানিয়াহু আলোচনায় রাজি হলেও কয়েক দিন পরই দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান আরও জোরদার করেন।

তার কার্যালয় এই উত্তপ্ত ফোনালাপের খবরকে ‘ভুয়া খবর’ এবং আলোচনাকে ‘বন্ধুসুলভ’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

অক্টোবর, ২০২৫: ‘নৈরাশ্যবাদী বুড়ো’

গাজায় বেসামরিক মানুষের ওপর কয়েক মাসের নৃশংসতার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে ট্রাম্প দ্বিতীয় গাজা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেন। হামাসের পক্ষ থেকে চুক্তির ইতিবাচক সাড়া আসার পর ৪ অক্টোবর ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করেন। কিন্তু নেতানিয়াহু একে ‘প্রত্যাখ্যান’ ও ‘অর্থহীন’ বলে উড়িয়ে দিতে চান। অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, ট্রাম্প তখন ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘আমি বুঝি না তুমি কেন সব সময় এমন ধেড়ে নৈরাশ্যবাদীর মতো কথা বলো। এটি একটি বিজয়, একে গ্রহণ করো।’

পরে টাইম ম্যাগাজিনকে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, ‘বিবি, তুমি পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারো না।’ চাপের মুখে নেতানিয়াহু নরম হয়ে দ্বিতীয় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের শর্ত মানেননি। হামাসও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, প্রথম দফার শর্ত সম্পূর্ণ না মানলে নিরস্ত্রকরণের কোনও আলোচনা হবে না।

জানুয়ারি, ২০২৫: ‘তোমার কোনও উপায় নেই’

২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ট্রাম্প তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে নেতানিয়াহুকে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নিতে চাপ দেন। জো বাইডেনের দল যে ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছিল, এটি ছিল সেটাই। নেতানিয়াহু আপত্তি জানালে ট্রাম্প স্পষ্ট বলে দেন, ‘তোমার আর কোনও উপায় নেই, আমার সঙ্গে তোমাকে ঠিক থাকতেই হবে।’ চুক্তিটি কার্যকর হয় এবং জিম্মিরাও ফিরতে শুরু করে। কিন্তু মাত্র ছয় সপ্তাহের মাথায়, মার্চ মাসে নেতানিয়াহু একতরফাভাবে চুক্তি ভেঙে গাজায় নতুন করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ শুরু করেন। ট্রাম্প প্রশাসন নিজেদের ভাবমূর্তি বাঁচাতে তখন হামাসকে দায়ী করলেও পর্দার আড়ালে নেতানিয়াহু তার চিরচেনা রূপই দেখান–ক্যামেরার সামনে চাপ মেনে নেওয়া এবং ক্যামেরা সরে গেলেই চুক্তি লঙ্ঘন করা।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

Ads small one

বনবিবির সন্তানেরা এবং বাঘের সঙ্গে এক অলিখিত চুক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
বনবিবির সন্তানেরা এবং বাঘের সঙ্গে এক অলিখিত চুক্তি

মো. মামুন হাসান

সুন্দরবনের গহীনে যখন ভোরের কুয়াশা কাটতে শুরু করে, তখন ছোট ছোট নৌকায় চড়ে একদল মানুষ রওনা দেয় এমন এক যুদ্ধযাত্রায়, যার প্রতিপক্ষ পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর শিকারিদের একজন। এরা মৌয়াল। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের হাজার হাজার পরিবারের জীবিকা নির্ভর করে এই মানুষগুলোর সাহসের ওপর, যারা প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন মাসে সুন্দরবনে ঢোকেন কেবল একটি জিনিসের খোঁজে, বন্য মধু।

 

এই পেশাটি শুনতে যতটা রোমান্টিক লাগে, বাস্তবতা ততটাই নির্মম। প্রতিটি মৌসুমে গড়ে কয়েকজন মৌয়াল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের আক্রমণে প্রাণ হারান, আরও অনেকে ফিরে আসেন গুরুতর জখম নিয়ে। সরকারি হিসাবে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, বাস্তব সংখ্যা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি বলে মনে করেন স্থানীয়রা, কারণ অনেক মৃত্যু কিংবা নিখোঁজের ঘটনা কখনো নথিভুক্তই হয় না। যে বনজীবী পরিবার একবার তার উপার্জনক্ষম সদস্যকে বাঘের পেটে হারায়, তার জন্য অপেক্ষা করে থাকে কেবল দারিদ্র্য আর অনিশ্চয়তার এক দীর্ঘ ছায়া।

 

এই ভয়াবহ ঝুঁকির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মৌয়ালরা যে সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক আশ্রয় গড়ে তুলেছেন, তার কেন্দ্রে আছেন বনবিবি। হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মৌয়ালদের কাছেই তিনি সমান শ্রদ্ধার পাত্র, এক অসাম্প্রদায়িক লোকদেবী, যিনি বনের রক্ষাকর্ত্রী বলে বিশ্বাস করা হয়। বনে ঢোকার আগে প্রতিটি নৌকায় বনবিবির পূজা অনুষ্ঠিত হয়, মানত করা হয়, প্রার্থনা করা হয় নিরাপদে ফেরার জন্য। এই আচার কোনো নিছক কুসংস্কার নয়, বরং এক মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি, যা মানুষকে অজানা বিপদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস জোগায়।

 

আরও চমকপ্রদ হলো বাঘের সঙ্গে মৌয়ালদের এক ধরনের অলিখিত সম্পর্কের ধারণা, যাকে স্থানীয় লোকবিশ্বাসে প্রায়ই এক চুক্তির রূপে দেখা হয়। দক্ষিণরায় নামের বাঘ দেবতার কাহিনি এই বিশ্বাসের মূলে। কিংবদন্তি অনুযায়ী বনবিবি ও দক্ষিণরায়ের মধ্যে এক আপসরফা হয়েছিল, যেখানে মানুষ যদি বনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সীমিত পরিমাণে সম্পদ আহরণ করে, তবে বাঘ তাকে আক্রমণ করবে না। মৌয়ালরা তাই মধু সংগ্রহের সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলেন, যেমন প্রয়োজনের অতিরিক্ত মৌচাক না ভাঙা, নির্দিষ্ট আচার পালন করে বনে প্রবেশ করা, কিংবা মুখোশ পরিধান করে বাঘকে বিভ্রান্ত করার কৌশল অবলম্বন করা। এই বিশ্বাস কার্যকর প্রতিরোধমূলক আইন না হলেও এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক গভীর পরিবেশগত প্রজ্ঞা, প্রকৃতি থেকে নিলে সীমা মেনে নেওয়ার শিক্ষা।

 

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই যে জীবনবাজি রেখে মধু সংগ্রহ করে আনা মৌয়ালরা, তাদের প্রাপ্য মূল্য কি তারা পান। বাজারে যে মধু বিক্রি হয় চড়া দামে, সেই মধুর প্রকৃত উৎপাদনকারীর ভাগে জোটে সামান্যই। মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত ঘুরে মুনাফার সিংহভাগ চলে যায় অন্য কারো পকেটে। যে মানুষটি বাঘের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নেন, তার সন্তানের শিক্ষা কিংবা পরিবারের স্বাস্থ্যসেবার ন্যূনতম নিশ্চয়তাও অনেক সময় থাকে না।

 

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মৌয়ালদের জন্য বিমা ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহের যে উদ্যোগ নেওয়ার কথা, তা এখনো অনেকাংশে কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ। বন বিভাগের অনুমতিপত্র নেওয়ার প্রক্রিয়া জটিল, আর দুর্ঘটনার শিকার পরিবারের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ আরও দুর্গম। অথচ এই মানুষগুলোই সুন্দরবনের প্রকৃত রক্ষক, কারণ তারা জানেন বন বাঁচলেই তাদের জীবিকা বাঁচবে।

 

সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদের এই মৌয়াল সম্প্রদায়ের গল্প আসলে বাংলাদেশের এক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র, যারা প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানের এক অনন্য দর্শন ধারণ করেও রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় থেকে যান অবহেলিত। বনবিবির প্রতি তাদের বিশ্বাস আর বাঘের সঙ্গে তাদের সেই নীরব সমঝোতা কেবল লোকজ সংস্কৃতির উপাদান নয়, এটি টিকে থাকার এক আশ্চর্য কৌশল, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পরিমার্জিত হয়ে এসেছে। এই কৌশলকে সম্মান জানিয়ে যদি রাষ্ট্র তাদের পাশে দাঁড়ায়, তবেই সুন্দরবন এবং তার সন্তানেরা উভয়েই রক্ষা পাবে।

 

লেখক: মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক কৃষকের মৃত্যু

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুর রাজ্জাক (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ছোটভেটখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত আব্দুর রাজ্জাক ওই গ্রামের বাসিন্দা।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টার দিকে কৃষক আব্দুর রাজ্জাক নিজ বাড়িতে বিদ্যুতের কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

 

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

 

সাঁতারকুলে ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সাঁতারকুলে ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সাঁতারকুলের ফার্নিচার গোডাউনের অগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের সদরদফতর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ওই ফার্নিচারের গোডাউনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ফায়ার সার্ভিসের দল এবং সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে তারা পৌঁছায়।

সদরদফতর জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পরে পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট যুক্ত হয়।

তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।