শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের জামায়াত নেতা বহিষ্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের জামায়াত নেতা বহিষ্কার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ, দলের প্রতি আনুগত্যহীনতা, উচ্চ পদস্থ নেতাদের সম্পর্কে খারাপ আচরণ করার দায়ে রাড়ুলী ইউনিয়নের এক নেতাকে বহিস্কার করা হয়েছে।

 

জানা যায়, বহিস্কার জামায়াত নেতার নাম শেখ মহিবুল্লাহ। তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮ নং রাড়ুলী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে ইউনিয়নটিতে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সম্প্রতি, একই ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে জামায়াত নেতা সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল মোমিন সানার নাম ঘোষণা হয়।

 

কিন্তু দলের সিদ্ধান্ত না মেনে ঈ দুল আজহার পরদিন (শুক্রবার) ইউনিয়নজুড়ে মোটরসাইকেল শোডাউনের ঘোষনা দেন শেখ মহিবুল্লাহ। ঘোষণা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল শোডাউন করেন তিনি ও তার অনুসারীরা।

এ নিয়ে ২৭ মে খুলনা জেলা জামায়াতের আমির এমরান হোসাইনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, উপজেলার রাডুলী ইউনিয়নের সদস্য (রুকন) জনাব মহিদুল্লাহ সংগঠনের আনুগত্য ও শৃঙ্খলাভঙ্গ করায় এবং দায়িত্বশীলদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অপরাধে তার সদস্যপদ (রুকনিয়াত) সাময়িকভাবে বাতিল করা হলো। একইসঙ্গে তাকে সংগঠনের সমস্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

 

এ বিষয়ে শেখ মহিবুল্লাহ বলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। সেই কারণে ১১ মে আমি দলের থেকে অব্যবহিত জন্য আবেদন করি। আমি বহিষ্কারের চিঠি পেয়েছি। আমি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো।

 

পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা সাঈ দুর রহমান জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারনে রাড়ুলী ইউনিয়নের রোকন পদ থেকে শেখ মহিবুল্লাহকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করেছে জেলা জামায়াতের আমির।

 

Ads small one

আশাশুনিতে পৈতৃক ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পৈতৃক ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার গোদাড়া গ্রামে বংশপরম্পরায় বসবাসকারী একটি পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গোদাড়া গ্রামের মৃত মনতেজ পাড়ের ছেলে গোলাম রসুল এ বিষয়ে একই এলাকার রুহুল আমিন সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
গোলাম রসুল জানান, এসএ ১০১ নম্বর খতিয়ানে তালিকাভুক্ত জমিতে তাঁরা দাদা ও বাবার আমল থেকে স্বত্বদখলীয় অবস্থায় বসবাস করে আসছেন। জমির মালিকানা নিয়ে নি¤œ আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল থেকে তাঁরা নিজেদের পক্ষে রায় ও ডিক্রি পান। পরবর্তীকালে প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় জেলা জজ আদালতে আপিল করলেও তা নামঞ্জুর হয় এবং নি¤œ আদালতের রায় বহাল থাকে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আইনিভাবে পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ এখন জমি জবরদখল করার পাঁয়তারা করছে। গত ২০ মে তাঁরা জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করতে উদ্যত হন এবং জমি দখলের হুমকি দেন। এ ছাড়া তাঁরা তথ্য গোপন করে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নতুন করে মামলা করেছেন, যেখানে নালিশি জমির বর্ণনায় মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বেত্রবতীর কাঠের সাঁকো ও জনদুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বেত্রবতীর কাঠের সাঁকো ও জনদুর্ভোগ

পানির তীব্র স্রোতে কলারোয়া পৌর শহরের কাঁচাবাজার-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর কাঠের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ না নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। নদীর দুই পাড়ের হাজারো মানুষ এখন একটিমাত্র খেয়া নৌকার ওপর ভরসা করে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ সর্বস্তরের সাধারণ পথচারী যেভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
শুরুতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রবল স্রোতের অজুহাত দেওয়া হলেও বর্তমানে নদীর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। স্রোত বা পানির চাপ কমে গেলেও কেন সাঁকোটি সাময়িকভাবে সচল করার কোনো তাগিদ দেখা যাচ্ছে না, সেই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। খেয়া নৌকায় পারাপারের সময় সকাল ও বিকেলে যে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হচ্ছে, তা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এর ওপর দুই পাড়ে কোনো সড়কবাতি না থাকায় সন্ধ্যার পর অন্ধকারাচ্ছন্ন নদীতে পারাপার হতে গিয়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চরম ঝুঁকি পোহাতে হচ্ছে।
এই কাঠের সাঁকোটি কলারোয়া কাঁচাবাজার, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। সাঁকোটি অচল থাকায় বাজারে ক্রেতাদের যাতায়াত কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের ওপর। ফলে জনভোগান্তির পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক স্থবিরতা।
প্রতি বর্ষায় এই সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করার এই চক্রাকার অবহেলা বন্ধ হওয়া দরকার। জনবহুল এই স্থানে এখন আর সাময়িক সংস্কার নয়, বরং একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণই সময়ের দাবি। আমরা আশা করি, কলারোয়ার হাজারো মানুষের প্রতিদিনের এই দুঃসহ ভোগান্তি লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
তালায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইউনিয়ন শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ছাত্রশিবির খেশরা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হাফেজ ইসরাফিল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ডা. শেখ মাহমুদুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।