বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

আজহারুল ইসলাম সাদী
২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও পাম্পে দীর্ঘ সারির খবর লক্ষণীয়। যা জনজীবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে, সরকার সংকট না থাকার দাবি করলেও আতঙ্কিত মানুষের চাহিদার কারণে কৃত্রিম সংকট তীব্রতর হচ্ছে, এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ১৯৭০-এর দশকের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কৃত্রিম সংকট: অভিযোগ উঠেছে যে একটি চক্র কৃত্রিমভাবে তেল সংকট তৈরি করছে, যা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
গণপরিবহনে ভোগান্তি: তেল না পেয়ে অনেকে লোকাল বাসে চড়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক প্রভাব: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল দেশের ভেতরের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ হ্রাসের একটি অংশ।
উত্তরণের প্রচেষ্টা: সরকার কৃত্রিম সংকট তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তেল সংকটের প্রেক্ষাপট ও কয়েকজন সাংবাদিক এর ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট কৃত সমালোচনা এখানে তুলে ধরা হলো:
সাংবাদিক মিলন রুদ্র লেখেন, পেট্রোল পাম্প থেকে লাইভ সম্প্রচার করতে করতে তেল নিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমি নিজেও তেল বঞ্চিত হ ই।
সাংবাদিক সাইদুল বাসার তার পোস্টে লেখেন বাজার হতে আমার মোটরসাইকেল থেকে তিনটি তেল চুরি হয়ে গেছে। ১৫ দিন আগেও ৩ টি তেল চুরি হয়ে গিয়েছিল। গত ২ দিন আগে কপোতাক্ষ পাম্প থেকে ৭ ঘন্টা অপেক্ষা পরে ৫ শত টাকার তেল পেলাম তার থেকে ৩ লিটার তেল চুরি!
পেট্রোল পাম্প থেকে কয়েকদিন পেট্রোল নিতে গিয়ে সাংবাদিক তৌহিদ এর সাথে ঘটে যাওয়া তীক্ত অভিজ্ঞতা কথা তার ফেসবুক পোস্টে যা লিখেছেন….
গত কয়েকদিন আমার সাথে ঘটেছে যে কথা বলতে পারিনি কাউকে।
ঘটনা সুত্রপাত, তেল দিচ্ছে এই খবর শুনে তেল নিতে গিয়েছিলাম আলিপুর সোনালী পেট্রোল পাম্পে। সেখানে প্রায় হাফ কিলোমিটার সিরিয়াল ঠেলে ৪ ঘন্টা পর যখন নজেল ম্যানের কাছে পৌঁছালাম আমার সামনে তখন মাত্র একটা গাড়ি ছিল, হঠাৎ হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা এলো তেল শেষ, তেল দেওয়া হবে না? আপনারা জায়গা খালি করেন!
হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা শুনে পাম্প কতৃপক্ষ এক পূর্ব পরিচিত বড় ভাইয়ের কাছে গিয়ে অনেক অনুনয় বিনয় করলাম, ফিরে যাওয়ার মতো তেল বাইকে ছিল না, সেটিও জানালাম, শান্তনা দিলো, বললো বাইক রাখার জায়গা দিচ্ছি, বাইক রেখে যান। অনুরোধ করলাম অল্প একটু তেলের জন্য। কিন্তু কোন কথাতেই কাজ হলো না। উনারা এক কথার মানুষ!
তবে আমার কথা শুনে একজন করুনা করে একটা স্পিডের বোতলে একটু তেল দিতে চাইলো! নিরুপায় হয়ে ঐ তেল নিয়ে কোন রকমে ফিরে এলাম বাসায়!
রাতে ঘুম হচ্ছে না, তেল তো লাগবেই, এই চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, ভাবতে ভাবতে রাত ভোর হলো। সকালে জানতে পারলাম কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে তেল দিচ্ছে, আবারো ঝুঁকি নিলাম, পাম্পে সেই লম্বা সিরিয়াল!
তার ফাঁকে ফাঁকে পাম্প কতৃপক্ষ দুই ভাই এবং তাদের কিছু শুভাকাঙ্খি তাদের পছন্দের লোকদের সিরিয়ালের বাইরে নিয়ম ভেঙ্গে ট্যাংকি ফুল করে তেল দিচ্ছে!
দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকারদের মধ্য থেকে কেউ কেউ তীব্র প্রতিবাদ করছে– আমি দর্শক সারিতে দাঁড়িয়ে দেখছি, নিয়ম ভেঙ্গে তেল দেওয়া দেখে নিজের পেশার পরিচয় দিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করলাম আমিও!
কোন কথায় কোন কর্ণপাত করছে না, ঘন্টা তিন পরে বললো এভাবে না দাঁড়িয়ে এতোক্ষণ লাইনে দাড়ালে তো তেল পেতেন, আমিও সেটি ভেবে গেলাম লাইনে আবারো সাড়ে তিন ঘণ্টা লম্বা লাইন ঠেলে যেই নজেল ম্যানের কাছাকাছি পৌছালাম সেই ঘোষণা ছাড়াই তেল বন্ধ!!
প্রথমে বললো জেনারেটর গরম হয়ে গেছে, তারপর সবাই যখন হৈচৈ করছে তখন বললো তেল নেই, আবার আসবে তারপর তেল দিবো। একজন বাইক চালক খুব উত্তেজিত হয়ে চিল্লাচিল্লি করছে দেখে পাম্প মালিক এসে তাকে মারধর শুরু করলো! সাথে সাথে তার বাহিনী ও হামলে পড়লো ঐ বাইক চালকের উপর। এই দৃশ্য দেখার পর আর সাহস হলো না ঐখানে দাঁড়িয়ে তেল চাইবো! খুব ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফিরলাম, ঘুম আসছে না, নির্ঘুম রাত কাটলো।
পরের দিন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম ভাই গ্রুপে জানালেন কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে সাংবাদিকদের তেল দিবে, আলাদা লাইনে, ডিসি অফিস থেকে জানানো হয়েছে! গেলাম দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দাঁড়ালাম সাংবাদিক সহকর্মীরা মিলে সুশৃঙ্খল ভাবে আলাদা লাইনে। কিন্তু বিপত্তিটা সেখানে বাঁধলো! স্থানীয় চোরাই তেল সিন্ডিকেটরা সাংবাদিকদের দেখে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।
তারা উস্কানি দিয়ে জনগণকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বাজে স্লোগান দেওয়াচ্ছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলো, সাংবাদিকদের লাইন দীর্ঘ হতে লাগলো। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ পাঠালেন, ততক্ষণে পাম্প কর্তৃপক্ষের কারসাজি শুরু হয়ে গেছে,তারা তাদের তেলের লরি দিয়ে সাংবাদিকদের লাইন টি ব্লক করে দিলো।
ম্যাজিস্ট্রেট এসে আপ্রাণ চেষ্টা করলো লাইনে দাঁড়ানো ৫ জন কে এবং ১ জন সাংবাদিক কে তেল দিবে, এভাবে শুরু হলো, তখন সময় সন্ধ্যা হবে হবে, এভাবে ৪/৫ জন সাংবাদিক তেল পেলো আমি ধৈর্য হারা হয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসলাম বাসায়!
পরে রাত ১২ টায় সহকর্মীরা ফোন দিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বললো তারা তেল না পেয়ে এসেছেন! এমনকি তাদের উপর হামলার চক্রান্ত হয়েছিল!
আমার তবুও ৫ঘন্টা সময় বেঁচে গেছে এই শান্তনায় ঘুমিয়ে পড়লাম। সম্প্রতি চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরের সকল ফিলিং স্টেশন এবং ডিলার পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন দুই শিফটে একযোগে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সরকারের জরুরি পরিষেবা সংশ্লিষ্ট অফিস ও ব্যক্তিগত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। বোতল ও কন্টেনারে পেট্রোল বিক্রয় নিষিদ্ধ পাশাপাশি হাটে বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির উপর ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসনের নির্দেশনায় পেট্রোল পাম্প গুলিতে কতটা সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। সুষ্ঠু ভাবে হয়রানি যুক্ত তেল সরবরাহ করা হোক এটাই সকলের কাম্য। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।