মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থতায় বেনাপোল–খুলনা ও মোংলা ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থতায় বেনাপোল–খুলনা ও মোংলা ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল

Oplus_0

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বকেয়া ভাড়া, ভ্যাট ও কর পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় বেনাপোল-খুলনা ও বেনাপোল-মোংলা রুটে চলাচলকারী দুটি কমিউটার ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ইজারা চুক্তি বাতিল করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফলে দীর্ঘ কয়েক মাস পর আবারও সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরল ‘বেতনা কমিউটার’ ও ‘মোংলা কমিউটার’ ট্রেন দুটি। গত ২৮ এপ্রিল থেকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তিন বছরের জন্য ঢাকার মিরপুর দারুস সালাম রোডের ‘এইচ অ্যান্ড এম ট্রেডিং করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ট্রেন দুটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ব্যবস্থাপনায় ট্রেন দুটি চালানো শুরু করে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রেনের নির্ধারিত ভাড়া, ভ্যাট এবং উৎস কর পরিশোধ করতে না পারায় গত ২৭ এপ্রিল রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের (রাজশাহী) প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার পারভিনা খাতুন বলেন, ‘সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফেরার পর থেকেই যাত্রীসেবার মান ও রাজস্ব আয় দুটোই বাড়ছে। আমরা যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছি।’
যাত্রীদের অভিযোগ, বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার পর ট্রেনের সেবার মান নি¤œমুখী হয়ে পড়েছিল। যাত্রী আরিফা বেগম ও মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেনের বগি দখল করে চোরাই পণ্য বহনের প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। এখন ট্রেনটি সরকারি নিয়ন্ত্রণে আসায় আমরা খুশি। তবে বগির সংখ্যা বাড়ানো এবং তদারকি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।’
রেলওয়ের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯৯৯ সালে এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর পর প্রথম ১১ বছর এটি সরকারি ব্যবস্থাপনায় ছিল। এরপর ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়া হলেও সেবার মান কমে যাওয়া এবং চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বাড়ায় পুনরায় সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। ২০১৭ সাল থেকে লাভজনক এই রুটে দিনে দুবার করে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বারবার রেলকে বেসরকারি খাতে লিজ দিয়ে জনভোগান্তি বাড়ানো হয়। এখন থেকে যাত্রীসেবার মান ধরে রেখে ট্রেন দুটি যেন স্থায়ীভাবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

Ads small one

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশইন ঠেকাতে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে সাধারণ জনতা। কিছু সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারার খবর পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি কলারোয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুরসহ কয়েকটি সীমান্তে অবৈধভাবে পুশইন করতে বহু নারী-পুরুষকে জড়ো করা হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পায়। এরই জের ধরে কলারোয়া সীমান্তজুড়ে কঠোর টহল, নজরদারী ও অবস্থান জোরদার করে বিজিবি। বিভিন্নভাবে বিজিবিকে সহায়তা করছেন স্থানীয় জনতাও।

বছরের পর বছর উপজেলার ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকাটি মাদক ও চোরাকারবারীদের কাছে বিভিন্ন চোরাচালান, অবৈধভাবে মানুষ যাতায়াতের জন্য নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত বলে জানা যায়। এর সাথে যোগ হয়েছে সম্প্রতি পুশইনশংকা। ফলে সতর্কাবস্থনে বিজিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা। উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন স্থলভাগ ও নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত। এর মধ্যে কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের সিংহভাগ ও সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পুরোটা সোনাই নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত, আর চন্দনপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ ইছামতি নদী ও বাকী অংশ স্থলভাগে বিভক্ত।

 

নদী সীমান্তের চেয়ে তুলনামূলক স্থলভাগ দিয়ে পুশইন সম্ভাবনা বেশি থাকায় উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী, সুলতানপুর ও গোয়ালপাড়ার স্থল সীমান্তে বিজিবির টহল ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

 

বিজিবির সুলতানপুর বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার কামরুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে ওই বিওপির অধীনে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। জনগণকে সাথে নিয়ে যেকোন অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করতে সার্বক্ষণিক কঠোর নজরদারী অব্যাহত রয়েছে।

সুলতানপুর ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবীর জানান, হ্যান্ড মাইকে সতর্কতা, সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, রাতে টর্চলাইটের আলো এবং কঠোর অবস্থান রয়েছে।

সাতক্ষীরা, ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের মিডিয়া ইনচার্জ সার্জেন্ট মিলন জানান, এখন পর্যন্ত সাতক্ষীরা সীমান্তে অবৈধ পুশইন রোধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ছাত্রদলের নেতারা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন ইসলামের নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব তামিম রশিদ, সিটি কলেজ ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হাসান, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়ারাজ হোসেন, শহর ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম এবং ছাত্রনেতা মো. গোলাম রাব্বি।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে কলারোয়া হাসপাতাল রোডে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

তিনি জানান, লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, অপরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে মিতালী ডায়গনস্টিক সেন্টারকে ২০হাজার টাকা ও ডক্টরস ডিজিটাল ল্যাবকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় কলারোয়া থানার ওসি এইচএম শাহীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শফিকুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।