শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বজ্রপাতের আগে ও পরে  করণীয় 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বজ্রপাতের আগে ও পরে  করণীয় 
শ্যামল শীল

চলছে বৃষ্টির মৈসুম। এ সময় ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত অনেক বেড়ে যায়। আর বজ্রপাতের কারণে প্রাণহানিসহ জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়:

১.যখনই বজ্রঝড় শুরু হবে তখন বাইরে অবস্থান করবেন না। বজ্রঝড় সচরাচর ৩০-৪৫ মিনিটের মতো স্থায়ী হয়। এই সময়টিতে আপনি ঘরে থাকতে পারলেই ভালো। আর যদি ঘরের বাইরেও থাকেন তাহলে অবশ্যই নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

২. গভীর ও উলম্ব আকৃতির মেঘ দেখলেই বুঝবেন বজ্রঝড় হতে পারে। যদি জরুরি প্রয়োজন থাকেই তাহলে রাবারের জুতো পরে বাইরে যাবেন।

৩. গ্রামীণ অঞ্চলে মাঠে অবস্থান করলে পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে দাঁড়ান। তারপর কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসুন। বজ্রপাতের সময় এভাবে নিজেকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত।

৪. আপনার ভবনে যদি বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে বজ্রঝড়ের সময় সবাই আলাদা আলাদা কক্ষে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করুন।

৫. বজ্রপাতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যদি আক্রান্ত হন তাহলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। বজ্রপাতে আক্রান্ত হলেই সবাই তাৎক্ষণিকভাবে মারা যান এমন না। তাই দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। বজ্রপাতে আহত হলে না ভেবেই ওই ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালান।

১. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।

২. উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৪. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়।

৫. বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

৬. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না।

৭. এমন কোনো স্থানে যাবেন না, যে স্থানে আপনিই উঁচু। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যান। বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু কোনো স্থানে থাকলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে যান।

৮. বজ্রপাতের সময় আপনি যদি ছোট কোনো পুকুরে সাঁতার কাটেন বা জলাবদ্ধ স্থানে থাকেন তাহলে সেখান থেকে সরে পড়ুন। পানি খুব বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী।

৯. কয়েকজন মিলে খোলা কোনো স্থানে থাকাকালীন যদি বজ্রপাত শুরু হয় তাহলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে সরে যান। কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

১০. যদি বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ রাখুন। কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না। মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

১১. আপনার ওপরে বা আশপাশে বজ্রপাত হওয়ার আগের মুহূর্তে কয়েকটি লক্ষণে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন বিদ্যুতের প্রভাবে আপনার চুল খাড়া হয়ে যাবে, ত্বক শিরশির করবে বা বিদ্যুৎ অনুভূত হবে। এ সময় আশপাশের ধাতব পদার্থ কাঁপতে পারে। এমন পরিস্থিতি অনুভব করলে দ্রুত বজ্রপাত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।

১২. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ।

১৩. আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৪. বজ্রপাতের সময় আশপাশের মানুষের খবর রাখুন। কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে এ সময় বজ্রপাতে আহত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখুন।
লেখক:সাবেক জবি শিক্ষার্থী ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় জেলা গণসংহতি আন্দোলনের জরুরি আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা গণসংহতি আন্দোলনের জরুরি আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে জেলা শাখার উদ্যোগে জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক প্রভাষক মামুনুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা গণসংহতি আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলফাত হোসেন, প্রভাষক রবিউল ইসলাম, সদস্য সচিব রুবেল গাইন, শ্যামনগর উপজেলা জিএসএর আহ্বায়ক জিএম মাহফুজ, আশাশুনি উপজেলা জিএসএর সদস্য সচিব ছুরাত আলী, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জিএসএর সংগঠক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সংগঠক মাসুদ, জেলা কমিটির সদস্য নাজনীন নাজরানা বেবীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকারভিত্তিক আন্দোলনকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

কেশবপুরে ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় অভিভাবকরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় অভিভাবকরা

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলার গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬১ বছরের পুরাতন ভবনে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করায় অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ৬১ বছর ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছ ঐতিহ্যবাহী ওই বিদ্যালয়টি।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এতো দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান চলছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, ১৯৬৫ সালে এলাকার কয়েকজন গুণী মানুষের হাত ধরে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। বর্তমানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়টিতে পড়া- লেখা করলেও শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, কমনরুম, শিক্ষকদের জন্য আলাদা টয়লেট ও ভবনের অবস্থা নিয়ে রয়েছে নানা সমস্যা। দীর্ঘদিনের পুরোনো ভবনের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ভবনের দেয়াল ও ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদের মধ্যে দিয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। যে কোন সময় এই জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, পুরোনো ভবনের কারণে তারা অনেক সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিব আল-হাসান বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাস করার সময় ভয় লাগে। আমরা দ্রুত নতুন ভবন চাই।”

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিহাব উদ্দিন বলেন, “ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে ফাটল ধরেছে বিভিন্ন স্থানে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।” একজন অভিভাবক রাবেয়া বেগম বলেন, জরাজীর্ণ ভবনে ছেলে মেয়েদের কাটিয়ে সারাক্ষণ উদ্বেগ উৎকন্ঠায় থাকতে হয়। সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। তিনি আরও বলেন দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা গেলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও উন্নত হবে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জন কুন্ডু বলেন, “বিদ্যালয়ের ভবনটি অনেক পুরোনো এবং জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। ভবনটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। শ্রেণি কক্ষে যাতে কোনো ভাবেই পাঠদান না করানো হয় সেটি বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

 

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান

সংবাদদাতা: ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ কর্মসূচি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে।

সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন (সাতক্ষীরা-১, ২, ৩ ও ৪ আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত)-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন আলমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা ও লিফলেট পৌঁছে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মহসিন আলম নিজে সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে মাইকিং করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কিত বার্তা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।

অভিযানের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা সদর থানার ভেতরের ড্রেন ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের বিভিন্ন স্থানে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানি অপসারণ, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে মহসিন আলম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসন বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার কিংবা প্লাস্টিকের বোতলে সামান্য জমে থাকা পানিতেও এডিস মশা ডিম পাড়ে। তাই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে চারপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে আমাদের বাংলাদেশ আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবল সাতক্ষীরা নয়, সারা দেশেই জোরালোভাবে পালন করা প্রয়োজন। দলীয় নেতা-কর্মী কিংবা সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ একযোগে এগিয়ে এলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।”

আয়োজকরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহরজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হবে এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা জোরদার হবে।