শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বদলে গেছে অভিনেতা সিদ্দিকের জীবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
বদলে গেছে অভিনেতা সিদ্দিকের জীবন

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সিদ্দিক বলেন, আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তির পর গত কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।

অভিনেতা জানান, জেলে ১০ মাস ২২ দিন ছিলাম। ওই সময়টা সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি। তখন ভাবছিলাম আমি শিল্পী মানুষ। সময়টাকে কাজে লাগাই। আল্লাহই আমাকে পরিবর্তন করিয়েছেন।

অভিনেতা বলেন, আগে দ্বীনের কাজে সেভাবে লিপ্ত ছিলাম না। জেলে নিয়মিত কোরআন ধরলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করলাম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে আমার মধ্যে পরিবর্তন আসে। আসলে জেলে প্রচুর চিন্তা করার টাইম পাওয়া যায়। আগের যেসব রুটিন ছিল সেটা পুরোটা পরিবর্তন হয়।

তিনি আরও বলেন, জেলে বসে ১৫টি নাটক ও ৩টি সিনেমার গল্প লিখেছি। নিজের ওপর একটি বই লিখেছি। জেল থেকে বের হয়ে এখনও আমার সেই ট্রমা কাটেনি। শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের রুলসের মধ্যে যাচ্ছে।

সিদ্দিকুর রহমান একসময় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, কিন্তু পাননি।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

Ads small one

হোমিও সম্্রাট হ্যানিম্যান: এক ক্ষণজন্মা আরোগ্য বিপ্লবী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
হোমিও সম্্রাট হ্যানিম্যান: এক ক্ষণজন্মা আরোগ্য বিপ্লবী

আখলাকুর রহমান

১৮৪৩ সালের ২ জুলাই প্যারিসের এক নিস্তব্ধ সকালে চিরবিদায় নিয়েছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের এক অনন্য দ্রোহী পুরুষ, ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। তাঁর সেই প্রয়াণ তিথিতে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করছে এই মহান রতœকে, যাঁর আবিষ্কৃত চিকিৎসাপদ্ধতি আজও বিশ্বজুড়ে লাখো-কোটি মুমূর্ষু প্রাণকে দিচ্ছে আরোগ্যের কোমল পরশ। হ্যানিম্যান কেবল একটি নতুন চিকিৎসা ব্যবস্থার জনক ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন প্রচলিত জরাজীর্ণ প্রথার বিরুদ্ধে এক আপসহীন আলোকমশাল। সংবাদপত্রের পাতায় এই মহামানবের জীবনগাথা তুলে ধরা মানে এক চরম ত্যাগ, ট্রাজেডি এবং সত্য প্রতিষ্ঠার লড়াইকে পুনরুজ্জীবিত করা।

১৭৫৫ সালে জার্মানির মাইসেন শহরের এক দরিদ্র চীনামাটির কারিগরের ঘরে যখন এই ক্ষণজন্মা মহাপুরুষের জন্ম হয়, তখন কেউ ভাবেনি অভাবের কৃষ্ণপক্ষে এমন এক চাঁদের উদয় হয়েছে। শৈশব থেকেই তীব্র মেধাবী হ্যানিম্যান দারিদ্র্যের নিষ্ঠুর কষাঘাতে জর্জরিত ছিলেন, এমনকি তেলের অভাবে রাতে আলো জ্বালিয়ে পড়ার সামর্থ্য পর্যন্ত তাঁর ছিল না। তবুও নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে কাদা দিয়ে তৈরি প্রদীপ জ্বালিয়ে গভীর রাত অবধি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন এই জ্ঞানতপস্বী। বহু ভাষা ও বিজ্ঞানে অগাধ পান্ডিত্য অর্জন করে অবশেষ তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন এবং একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

কিন্তু তৎকালীন প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা ও অবৈজ্ঞানিক রূপ তাঁর সংবেদনশীল মনকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছিল। রোগীকে ভালো করার নামে রক্তমোক্ষণ বা ‘ব্লাড-লেটিং’ এবং পারদের মতো তীব্র বিষাক্ত উপাদানের যথেচ্ছ ব্যবহার দেখে তিনি শিউরে উঠেছিলেন, যেখানে আরোগ্যের চেয়ে রোগীর কষ্ট ও মৃত্যুই ছিল অবধারিত। বিবেকের দংশনে জর্জরিত হয়ে হ্যানিম্যান একদিন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে নিজের লাভজনক চিকিৎসা পেশা পরিত্যাগ করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, মানুষের ক্ষতি করার চেয়ে চিকিৎসা না করাই শ্রেয়। এরপর চরম দারিদ্র্যের মাঝে পরিবার নিয়ে কেবল অনুবাদ ও গবেষণার কাজে নিজেকে সঁপে দেন।
“প্রকৃতির বুকে লুকিয়ে আছে আরোগ্যের এক মহাসত্য, যা বলপ্রয়োগে নয়, বরং মৃদু ও অহিংস উপায়ে মানুষকে সুস্থ করে তোলে।”- ড. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান
এই ত্যাগের অন্ধকার সুড়ঙ্গ পথেই একদিন জ্বলে উঠল এক নতুন আলোর জ্যোতি, যা জন্ম দিল হোমিওপ্যাথির। ১৭৯০ সালে স্কটিশ চিকিৎসক উইলিয়াম কালেনের ‘মেটেরিয়া গবফরপধ’ অনুবাদ করতে গিয়ে তিনি খেয়াল করলেন, সুস্থ শরীরে সিঙ্কোনা গাছের ছাল সেবন করলে তা ম্যালেরিয়ার মতো উপসর্গ তৈরি করে। এই যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ থেকেই তিনি উপলব্ধি করলেন প্রকৃতির সেই চিরন্তন সত্য— ‘সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার’ অর্থাৎ যা রোগ সৃষ্টি করতে পারে, অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাত্রায় তা-ই সেই রোগ নিরাময় করতে সক্ষম। নিজের এবং পরিবারের ওপর শত শত পরীক্ষা চালিয়ে তিনি গড়ে তুললেন এক সম্পূর্ণ নতুন চিকিৎসা বিজ্ঞান।

তবে এই নতুন সত্যের প্রতিষ্ঠা মোটেও সহজ ছিল না, বরং হ্যানিম্যানের জীবন ছিল এক মহাকাব্যিক ট্রাজেডি ও সংগ্রামের উপাখ্যান। প্রচলিত ধারার চিকিৎসক ও ওষুধ বিক্রেতাদের তীব্র রোষাণলে পড়ে তাঁকে বারবার এক শহর থেকে অন্য শহরে যাযাবরের মতো পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। চরম অর্থকষ্টে নিজের সন্তানদের ক্ষুধার্ত মুখ দেখতে হয়েছে, এমনকি উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে তাঁর নিজের সন্তানদের অকালপ্রয়াণ সইতে হয়েছে। জীবনের এই নির্মম ট্রাজেডিগুলো তাঁর বুক ভেঙে দিলেও তাঁর আদর্শকে এক চুলও টলাতে পারেনি।

২জুলাই, সেই মহান সাধকের প্রয়াণ দিবসে দাঁড়িয়ে কৃতজ্ঞ বিশ্ব গভীর শ্রদ্ধায় তাঁর দিকে তাকায়। সমস্ত ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে হ্যানিম্যান যে সত্যের বীজ বুনেছিলেন, তা আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। আধুনিক যুগে এসেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন, মৃদু ও সামগ্রিক আরোগ্যের আশায় বিশ্বের এক বিশাল জনগোষ্ঠী পরম আস্থায় আঁকড়ে ধরে আছে হ্যানিম্যানের সেই অক্ষয় অবদানকে। মৃত্যুর প্রায় দুই শতাব্দী পরেও তিনি বেঁচে আছেন প্রতিটি আরোগ্য লাভ করা রোগীর হাসিতে, প্রতিটি চিকিৎসকের পরম শ্রদ্ধায়। লেখক: উদ্যোক্তা

 

রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন: স্পিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন: স্পিকার

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন রাষ্ট্রপতির সই করা পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদে স্পিকারের দফতরে পৌঁছে দেন। পরে বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্পিকার বলেন, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের দফা (৩) অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তার স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আজ ২৪ জুলাই বিকাল ৫টা ১ মিনিটে আমার কাছে দাখিল করেছেন। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পদত্যাগপত্রটি আমি গ্রহণ করেছি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রেকর্ডে সংরক্ষণ ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্পিকার বলেন, ‘কেন তিনি পদত্যাগ করেছেন, এটি নিশ্চয়ই জানার কৌতূহল আপনাদের মধ্যে রয়েছে। তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় তিনি ভুগছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামে একটি রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব রোগের প্রাদুর্ভাব এবং শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। এই কারণেই তিনি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে আমি এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি।’

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য দেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনেরও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও যখন শপথ নেন, তখন শপথের অংশে উল্লেখ থাকে যে, কোনও কারণে স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।’

দেশে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান নানা আলোচনা-সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের নানা ধরনের কথাবার্তা চলছে। আমি দুপুরে এসেই শুনছি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে তিনি শারীরিক অসমর্থ্যের কারণেই পদত্যাগ করেছেন।’

ব্রিফিংয়ের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতির সুস্থতা কামনা করে স্পিকার বলেন, ‘আমি তার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, তিনি মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে যে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, তার প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।’

অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মেসি!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মেসি!

 

লিওনেল মেসি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা না জানালেও আর্জেন্টিনার জার্সিতে তিনি যে শেষ বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছেন, তা প্রায় নিশ্চিত। ৩৯ বছর বয়সী মেসি বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাঠে নিজের ক্যারিশমা দেখিয়ে যাচ্ছেন।

আট গোল ও চার অ্যাসিস্টে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে হতাশাজনক হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা জানাননি তিনি।

তবে কোচ লিওনেল স্কালোনি মেসির জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। কিন্তু আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, অবসরের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। তবে এখনই নয়। আরো কয়েক মাস জাতীয় দলের জার্সি পরতে চান তিনি।

মেসি জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবছেন। তার শূন্যতা যেন দলে তৈরি না হয়, তাকে ছাড়া যেন খেলোয়াড়রা মাঠে মানিয়ে নিতে শেখে, সেই সময়টা তিনি দিতে চান। তবে আগামী বিশ্বকাপে তিনি আর খেলবেন না। শিগগিরই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন তিনি।

আরো কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাদের কিংবদন্তিকে মহাসমারোহে বিদায় জানাতে চায়। মেসির শেষ ম্যাচ বিশেষভাবে আয়োজন করার পরিকল্পনা তাদের। দেশের সেরা খেলোয়াড়কে যেন মাঠে এসে বিদায় জানাতে পারেন দর্শকরা, সেই ব্যবস্থা নেবে দেশটির ফুটবল সংস্থা। এক কথায়, মেসি আরো কয়েক মাস আর্জেন্টিনার সক্রিয় ফুটবলার হিসেবেই থাকছেন।