শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বাবার গ্রেফতার ইস্যুতে পূজা চেরী: ‘আমাকে জড়াবেন না’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
বাবার গ্রেফতার ইস্যুতে পূজা চেরী: ‘আমাকে জড়াবেন না’

অভিনেত্রী পূজা চেরীর বাবা দেব প্রসাদ রায়ের গ্রেফতার এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে আলোচনার মধ্যে এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এই চিত্রনায়িকা।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “আমার বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই।”

পূজা চেরী লেখেন, বাবার গ্রেফতারের পর থেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে অসংখ্য ফোন কল ও বার্তা পাচ্ছেন তিনি। তাই বিভ্রান্তি এড়াতে মুখ খুলেছেন।

তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে আমি মিডিয়াতে কাজ করছি। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার ও জীবনযাপনের খরচ সম্পূর্ণভাবে নিজেই নির্বাহ করে আসছি।”

 

অভিনেত্রী আরও জানান, “আমার বাবার কোনও ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।” পাশাপাশি বর্তমানে কোনও প্রোডাকশন হাউজ বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গেও তিনি যুক্ত নন বলে উল্লেখ করেন।

এই পরিস্থিতিকে মানসিকভাবে কষ্টদায়ক উল্লেখ করে পূজা চেরী বলেন, “পরিবারের সদস্য হওয়ার সূত্রে উদ্ভূত এই পরিস্থিতি আমার জন্য কষ্টদায়ক, তবে এটি একান্তই তার ব্যক্তিগত আইনি বিষয়।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি আশা করি আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং সত্য উদঘাটিত হবে।”

সবশেষে পূজা চেরী অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “এই স্পর্শকাতর সময়ে অহেতুক আমাকে বা আমার কাজকে এই ঘটনার সঙ্গে না জড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।” একই সঙ্গে দর্শক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পূজা চেরী। সম্প্রতি ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘দম’ সিনেমায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। ছবিটিতে তিনি আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি আসন্ন সিনেমা ‘টগর’ নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন এই নায়িকা।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ ইটভাটার টানে উপকূলের শ্রমজীবী মানুষ: দরকার স্থানীয় কর্মসংস্থান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ইটভাটার টানে উপকূলের শ্রমজীবী মানুষ: দরকার স্থানীয় কর্মসংস্থান

উপকূলীয় জনপদগুলোতে কাজের সংকট ও আকাশছোঁয়া নিত্যপণ্যের বাজারে টিকতে না পেরে প্রতি বছরই হাজারো শ্রমজীবী মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে দূরদূরান্তে পাড়ি জমাচ্ছেন। পাইকগাছা কিংবা সাতক্ষীরার উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোতে বর্ষার শেষেই চোখে পড়ে এই বিষাদময় অভিবাসনের ছবি। কৃষি কাজ শেষ হওয়ার পরপরই জীবিকার তাগিদে পুরো পরিবার নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইটভাটাগুলোতে গিয়ে ওঠার এ চিত্র কেবল এক উপজেলার নয়, বরং গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক নির্মম বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে আসে।

দাদন কিংবা অগ্রিম পারিশ্রমিকের সুদে-আসলে বাঁধা এ জীবন সহজ নয়। ভোর থেকে দুপুর এবং রাতভর দীর্ঘ দুই শিফটের হাড়ভাঙা খাটুনি, ধোঁয়া-ধুলার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং টিনের ঝুপড়ি ঘরে পশুর মতো দিনযাপন—এই রূপেই কাটে ইটভাটার শ্রমিকদের মাসগুলো। আরও মর্মান্তিক হলো, জীবনসংগ্রামে আয়ের পাল্লা ভারী করতে শ্রমজীবী মা-বাবারা সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন শিশুসন্তানদেরও। ফলে একদিকে যেমন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে শ্রমিকের শরীর, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের মুখ না দেখে অকালেই শিক্ষা থেকে ছিটকে পড়ছে এক সম্ভাবনাময় প্রজন্ম।

সাতক্ষীরাও এ বাস্তবতা থেকে মোটেই বিচ্ছিন্ন নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, বারংবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষি জমিতে লবণাক্ততার বিস্তার এবং শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে বাধ্য হয়েই বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় ঘর ছাড়তে হয়। যদি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে তোলা যেত, নদী-খাল পুনখননের মতো সরকারি টিআর বা কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচিগুলোকে এই শুষ্ক মৌসুমে সমন্বিত ও বেগবান করা সম্ভব হতো, তবে হাজারো পরিবারকে এভাবে ভিটামাটি ছেড়ে যাযাবরের জীবন বেছে নিতে হতো না।

উন্নয়নের মহাসড়কে উপকূলের এই নিম্নআয়ের মানুষদের পেছনে ফেলে রাখা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শ্রমজীবী মানুষদের জীবনের নিরাপত্তা, সন্তানদের নিয়মিত শিক্ষা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কাজের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের উচিত দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া—যাতে বেঁচে থাকার তাগিদে উপকূলের মানুষকে আর দূরদূরান্তে কঠিন প্রবাস জীবনযাপন করতে না হয়।

খোলা কলাম/ সাংবাদিকদের জাহান্নাম যখন ডাক্তারের হাতে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
খোলা কলাম/ সাংবাদিকদের জাহান্নাম যখন ডাক্তারের হাতে!

এম. এম. হায়দার আলী

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ফেসবুকে সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের বিতর্ক নয়; এটি প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ, পেশাগত শিষ্টাচার ও গণমাধ্যমের মর্যাদার প্রশ্ন।

গত ২০ অক্টোবর রাতে তাঁর ফেসবুক আইডিতে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার (২৪ অক্টোবর) তালা প্রেসক্লাব ও উপজেলা প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তিনি তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—কোনো সংবাদে ভুল থাকলে প্রতিবাদ, সংশোধনী কিংবা আইনগত প্রতিকারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য কেন?

সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ। তাঁদের দায়িত্ব সমাজের বাস্তব চিত্র, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ জনসমক্ষে তুলে ধরা। আয়নায় নিজের মুখের দাগ দেখে আয়নাকে দোষারোপ করলে দাগ মুছে যায় না। তেমনি কোনো সংবাদে প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা কিংবা অনিয়মের অভিযোগ উঠে এলে প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান এবং ভুল থাকলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।

অবশ্যই সাংবাদিকেরা ভুলের ঊর্ধ্বে নন। সংবাদে তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রতিবাদ জানাতে পারেন, সংশোধনী চাইতে পারেন কিংবা প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রতিকার নিতে পারেন। কিন্তু একটি পেশার মানুষকে সামগ্রিকভাবে হেয় করে বক্তব্য দেওয়া দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় বহন করে না। সরকারি পদমর্যাদা কাউকে সামাজিক শিষ্টাচারের ঊর্ধ্বে স্থান দেয় না; বরং দায়িত্ব যত বড়, আচরণে সংযমের প্রত্যাশাও তত বেশি।

স্বাস্থ্য বিভাগের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালের সেবার মান, রোগীদের ভোগান্তি কিংবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার জবাব হওয়া উচিত তথ্য ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, হাসপাতালের মালামাল বিক্রি এবং অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় অতিরিক্ত ৪০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ মানববন্ধনে উত্থাপন করেছেন বক্তারা। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ উঠলেই তা প্রমাণিত সত্য হয়ে যায় না, আবার তদন্ত ছাড়াই তা উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য দ্রুত বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তার বক্তব্যকে অনেকে দায়িত্বশীল প্রশাসনিক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখেন। তাই মত প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি সংযম, শালীনতা ও দায়িত্ববোধও জরুরি।
ডা. মিজানুর রহমান পরবর্তী সময়ে তাঁর পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিরোধ নিরসনে এটি ইতিবাচক উদ্যোগ হতে পারে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্বশীল আচরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার মানসিকতা।

অন্যদিকে সাংবাদিকদেরও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় তথ্যের নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে। অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ। ভুল হলে সংশোধন করাও পেশাগত সততার পরিচয়। তবে সাংবাদিকদের ভুলের সম্ভাবনাকে অজুহাত করে তাঁদের সামগ্রিকভাবে অবমাননা করার সুযোগ নেই।

প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নয়; জনস্বার্থে সহযোগিতার। সাংবাদিকেরা প্রশাসনের শত্রু নন, আবার প্রশাসনের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করাও তাঁদের দায়িত্ব নয়। যেখানে ভালো কাজ হবে, সেখানে প্রশংসা থাকবে; অনিয়মের অভিযোগ উঠলে প্রশ্নও থাকবে। সেই প্রশ্নের জবাব তথ্য দিয়ে দেওয়াই দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

আমি প্রত্যাশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবেন। অভিযোগের সত্যতা ও প্রযোজ্য বিধিবিধান অনুযায়ী অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলোরও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

আমার এই দাবি প্রতিহিংসার নয়; ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির। কাউকে আগাম দোষী সাব্যস্ত করা নয়, বরং সত্য উদ্ঘাটন ও প্রমাণিত অপরাধের যথাযথ প্রতিকারই হোক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য। কারণ, সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা করা মানে শুধু একটি পেশার সম্মান রক্ষা করা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা, জনগণের জানার অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি।

মনে রাখতে হবে, সরকারি পদ সাময়িক, কিন্তু দায়িত্বশীল আচরণের দৃষ্টান্ত দীর্ঘদিন মানুষের মনে থাকে। সাংবাদিকের কলমকে অবজ্ঞা করে নয়, সত্যের মুখোমুখি হওয়ার সাহস দিয়েই একজন কর্মকর্তা তাঁর যোগ্যতার পরিচয় দেন। তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপই এখন প্রত্যাশা। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা

 

চলমান অস্থিরতার মাঝে নতুন করে বড় ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ইতালির মিলানসহ একাধিক শহরে ১৫০টি বাড়িতে একযোগে অভিযান চালিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভের নামে সহিংসতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে ৫১ জন অপ্রাপ্তবয়স্কসহ একাধিক সন্দেহভাজনের বাড়িতে এ তল্লাশি চালানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

 

‘১৭ অক্টোবর মুভমেন্ট’-এর ব্যানারে শনিবার বিকেলে মিলান, তুরিন, রোম, বোলোনিয়া, নেপলসভিসহ দেশটির ছোট-বড় বিভিন্ন শহরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। জিনিসপত্রের উচ্চমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনসহ নানা দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

 

 

এর আগে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলোতে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে মিলান শহরের প্রাণকেন্দ্রে মুখে কাপড় বাঁধা একদল যুবক দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

 

ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন

গত সপ্তাহের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ও নতুন করে গোলযোগের আশঙ্কায় মিলান ও নেপলসহ বিভিন্ন শহরের বহু ব্যবসায়ী নিজ নিজ দোকানপাটের জানালা কাঠের তক্তা দিয়ে ঢেকে ঢেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছেন।