রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে দুটি কথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে দুটি কথা

আজহারুল ইসলাম সাদী

বাংলাদেশের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, বিবাহের ক্ষেত্রে ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি এমন নারী এবং ২১ বছর পূর্ণ হয়নি এমন পুরুষ অপ্রাপ্তবয়স্ক। বিয়ের কোনো এক পক্ষ বা উভয় পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে তা বাল্যবিবাহ হিসেবে গণ্য হয়।

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ একটি দীর্ঘদিনের সামাজিক সমস্যা। দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার, যৌতুক, নিরাপত্তাহীনতা, সামাজিক চাপ ও শিক্ষার অভাব এর অন্যতম কারণ। এসব কারণে অনেক পরিবার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়। কখনো আর্থিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি কিংবা ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা ভেবে পরিবার এমন সিদ্ধান্ত নেয়। আবার সামাজিক প্রথা ও কুসংস্কারের কারণে কম বয়সে বিয়েকে স্বাভাবিক বলেও মনে করা হয়।

নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক চাপও বাল্যবিবাহের অন্যতম কারণ। ইভটিজিং বা হয়রানির আশঙ্কায় অনেক পরিবার মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করে বিয়ের ব্যবস্থা করে। ফলে শিক্ষাজীবন অসমাপ্ত থেকে যায় এবং মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সংকুচিত হয়।

বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। অল্প বয়সে গর্ভধারণের ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে; প্রসবকালীন জটিলতার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সে বিয়ের ফলে শিক্ষা, মানসিক বিকাশ ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশে আইন রয়েছে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, কোনো প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। অপ্রাপ্তবয়স্কের বিয়েতে সহায়তা বা অনুমতি দেওয়া অভিভাবক এবং বাল্যবিবাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্যও শাস্তির বিধান রয়েছে। বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করলে বিবাহ নিবন্ধকের শাস্তি এবং তাঁর লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিলের বিধানও আইনে উল্লেখ আছে।

আইনের ১৪ ধারায় বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত অপরাধকে আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আপস-অযোগ্য বলা হয়েছে। আর ১৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

কোনো বাল্যবিবাহের আয়োজন বা এমন বিয়ের খবর পাওয়া গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পরও অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে। বয়স যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও পাসপোর্ট আইনে স্বীকৃত দলিল।

তবে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হলেই বিয়েটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়। আইনটির মূল উদ্দেশ্য বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার এবং অপ্রাপ্তবয়স্কের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা। আইনের ১৯ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতিতে অপ্রাপ্তবয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় আদালতের নির্দেশ, অভিভাবকের সম্মতি ও বিধিতে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে বিয়ের একটি ব্যতিক্রমী বিধান রাখা হয়েছে। তবে এটি সাধারণভাবে কম বয়সে বিয়ের অনুমোদন নয়।

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করতে হবে। মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা, নিরাপদ পরিবেশ তৈরি, দারিদ্র্য কমানো এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে পরিবার ও সমাজকে সচেতন করতে হবে।

বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না; প্রয়োজন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক বিকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তাই আসুন, বাল্যবিবাহকে না বলি এবং শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। পত্রদূত অনলাইন এবং পত্রদূত- এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Ads small one

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সরকারি খাসজমি বণ্টন, বেদখল জমি উদ্ধার এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন জেলা শাখা।

গত শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম গাজী। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. আহম্মদ আলী।

সভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মো. লাভলু, আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রাজু হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহারসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য খাসজমি বরাদ্দ এবং ব্যারাক নির্মাণের কার্যক্রম চললেও অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার এখনো এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঁচ বিঘার বেশি খাসজমির নামে যেসব ডিসিআর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বণ্টনের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বেদখলে থাকা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এতে ভূমিহীনদের আবাসনের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়বে।

এ ছাড়া খুলনা থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারি পরিকল্পনা ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত শেষ করার দাবি জানানো হয়। সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ মানুষকে যথাযথ পুনর্বাসন, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের ব্যবস্থা করারও দাবি তোলেন বক্তারা।