রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

অন্নকূট মহোৎসব: ভক্তি, কৃতজ্ঞতা ও প্রকৃতিপ্রেমের উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
অন্নকূট মহোৎসব: ভক্তি, কৃতজ্ঞতা ও প্রকৃতিপ্রেমের উৎসব

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

অন্নকূট মহোৎসব হিন্দুধর্মের একটি প্রাচীন ও তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। ‘অন্ন’ অর্থ খাদ্য এবং ‘কূট’ অর্থ স্তূপ বা পাহাড়। অর্থাৎ, বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য দিয়ে পাহাড়ের মতো স্তূপ তৈরি করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে নিবেদন করাই অন্নকূটের মূল আয়োজন। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা, অন্নের মর্যাদা, প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং জীবের কল্যাণ কামনার প্রকাশ ঘটে।

অন্নকূট মহোৎসবের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন লীলার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বৈষ্ণব ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, একসময় বৃন্দাবনবাসী বৃষ্টির দেবতা ইন্দ্রের পূজা করতেন। বালক শ্রীকৃষ্ণ তাঁদের বোঝান, মানুষের জীবনধারণ ও জীবিকার জন্য প্রকৃতি, গোবর্ধন পর্বত, বনভূমি, নদী এবং গবাদিপশুর অবদান অপরিসীম। তাই প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

শ্রীকৃষ্ণের পরামর্শে বৃন্দাবনবাসী গোবর্ধন পর্বতের পূজা ও অন্নভোগের আয়োজন করেন। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে দেবরাজ ইন্দ্র প্রবল বৃষ্টি ও ঝড় সৃষ্টি করেন। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে গোবর্ধন পর্বত তুলে ধরে টানা সাত দিন বৃন্দাবনবাসী ও গবাদিপশুকে আশ্রয় দেন। অবশেষে ইন্দ্র নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এই লীলাকে স্মরণ করেই গোবর্ধন পূজা ও অন্নকূট মহোৎসব পালিত হয়।

সাধারণত দীপাবলি বা কালীপূজার পরদিন কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথিতে অন্নকূট মহোৎসব উদ্‌যাপিত হয়। এদিন মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের বিশেষ পূজা, আরতি, কীর্তন ও অন্নভোগ নিবেদনের আয়োজন করা হয়।

উৎসবের প্রধান আকর্ষণ নানা ধরনের খাবার দিয়ে অন্নের পাহাড় তৈরি করা। ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, ডাল, তরকারি, মিষ্টি, ফলমূল, দুধ, দই, মাখন ও পায়েসসহ বিভিন্ন নিরামিষ পদ শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে নিবেদন করা হয়।

অনেক মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশে ৫৬ ধরনের খাবার নিবেদন করা হয়, যা ‘ছাপ্পান্ন ভোগ’ নামে পরিচিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ সাত দিন গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন। প্রতিদিন আটবার আহারের হিসাব অনুযায়ী সাত দিনে ৫৬ বার ভোগ নিবেদনের ধারণা থেকেই এই প্রথার প্রচলন হয়েছে।

পূজা শেষে নিবেদিত খাবার প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। অনেক স্থানে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যেও অন্ন বিতরণের আয়োজন করা হয়।

অন্নকূট মহোৎসব কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এর মধ্যে নিহিত রয়েছে গভীর জীবনদর্শন। অন্ন মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান অবলম্বন। কৃষক, মাটি, পানি, বৃষ্টি ও প্রকৃতির সম্মিলিত অবদানেই খাদ্য উৎপাদিত হয়। তাই অন্নের অপচয় রোধ এবং ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এই উৎসবের অন্যতম মানবিক শিক্ষা।

গোবর্ধন লীলার মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণ প্রকৃতির গুরুত্ব ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দিয়েছেন। পাহাড়, নদী, বনভূমি, জলাশয় ও জীববৈচিত্র্য মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। প্রকৃতিকে অবহেলা করে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

বিশেষ করে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নদী-খাল ভরাট, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট ও পরিবেশের অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে অন্নকূটের প্রকৃতিবান্ধব শিক্ষা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্পদের সুষম ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার যে বার্তা এই উৎসব দেয়, তা বর্তমান সময়েও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্দির ও আশ্রমে ভক্তি, আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অন্নকূট মহোৎসব পালিত হয়। এ উৎসব মানুষে মানুষে সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধন দৃঢ় করে।

অন্নকূট আমাদের শেখায়, অন্নের প্রতি শ্রদ্ধা মানে জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা মানে নিজের অস্তিত্বের উৎসকে সম্মান করা। ঈশ্বরের উদ্দেশে অন্ন নিবেদনের প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন সেই অন্ন ক্ষুধার্ত মানুষেরও উপকারে আসে।

অন্নের পাহাড় শুধু প্রাচুর্যের প্রতীক নয়, এটি ভাগ করে নেওয়ারও শিক্ষা। ভক্তির সঙ্গে মানবসেবা, অন্নের সঠিক ব্যবহার এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের অঙ্গীকার যুক্ত হলেই অন্নকূট মহোৎসবের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব।

(লেখক: সংবাদকর্মী)

Ads small one

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সরকারি খাসজমি বণ্টন, বেদখল জমি উদ্ধার এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন জেলা শাখা।

গত শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম গাজী। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. আহম্মদ আলী।

সভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মো. লাভলু, আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রাজু হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহারসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য খাসজমি বরাদ্দ এবং ব্যারাক নির্মাণের কার্যক্রম চললেও অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার এখনো এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঁচ বিঘার বেশি খাসজমির নামে যেসব ডিসিআর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বণ্টনের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বেদখলে থাকা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এতে ভূমিহীনদের আবাসনের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়বে।

এ ছাড়া খুলনা থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারি পরিকল্পনা ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত শেষ করার দাবি জানানো হয়। সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ মানুষকে যথাযথ পুনর্বাসন, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের ব্যবস্থা করারও দাবি তোলেন বক্তারা।