বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্ব জললেখবিজ্ঞান ও মানবতাবাদী দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ব জললেখবিজ্ঞান ও মানবতাবাদী দিবস আজ

সাকিবুর রহমান বাবলা

২১ জুন, বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে—সংকট ও দুর্যোগের মুহূর্তে মানুষই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি ও পরম আশ্রয়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র কিংবা আদর্শিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক মর্যাদা, যুক্তিবোধ, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের নিরন্তর সংগ্রামই এই দিবসের মূল উপজীব্য।

মানবতাবাদ কেবল একটি মতবাদ নয়, বরং একটি সমন্বিত জীবনদর্শন। ১৯৮৬ সালে; বছরের দীর্ঘতম দিন ২১ জুনকে এ দিবস হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে গভীর প্রতীকী তাৎপর্য; এটি নির্দেশ করে যে, অন্ধকার বা অজ্ঞতার বিরুদ্ধে জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও মানবিকতার আলোই মানুষের বৈজ্ঞানিক যাত্রাপথকে আলোকিত করতে সক্ষম।
বর্তমান বিশ্ব নানামুখী সংকটে আচ্ছন্ন। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রকট সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য, বৈশ্বিক রাজনীতি কুটকৌশল, যুদ্ধ, বানিজ্য স্বার্থ, জাতিগত কুসংস্কার এবং অসহিষ্ণুতা আজ উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মানবিক মূল্যবোধের চর্চার অভাব। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে অন্যের যন্ত্রণাকে নিজের অনুভব করা, প্রান্তিক ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা জানানো এবং বৈচিত্র্যের মাঝে সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই হলো মানবতাবাদের প্রকৃত চর্চা।

বিশ্ব মানবতাবাদী দিবসটি আনুষ্ঠানিকতার দিন নয়; এটি আত্মসমালোচনা এবং নতুন অঙ্গীকারের ক্ষেত্র। আমরা যদি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মানবিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিতে পারি, তবে ঘৃণা নয় বরং সহমর্মিতা, বিভেদ নয় বরং সম্প্রীতি এবং অজ্ঞতার পরিবর্তে বিজ্ঞানমনস্ক জ্ঞানের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও মানবিক পৃথিবী গড়তে আমাদের প্রত্যেকের অবস্থান থেকে অবদান রাখার এখনই সময়।

জললেখবিজ্ঞান: নিরাপদ সমুদ্র, সুরক্ষিত পরিবেশ ও টেকসই ভবিষ্যতের ভিত্তি
সাকিবুর রহমান বাবলা
২১ জুন আন্তর্জাতিক জললেখবিজ্ঞান দিবস। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য— মহাসাগরীয় তথ্য আদান-প্রদানের রূপান্তর”। এই প্রতিপাদ্য আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সমুদ্র ও জলসম্পর্কিত সঠিক তথ্য কেবল নৌ-চলাচলের নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্যও অপরিহার্য।
জললেখবিজ্ঞান হলো সমুদ্র, নদী, উপকূল এবং অন্যান্য জলভাগের গভীরতা, তলদেশের গঠন, স্রোত, জোয়ার-ভাটা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও মানচিত্রায়নের বিজ্ঞান। আধুনিক যুগে এই বিজ্ঞান উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সমুদ্রের তথ্য দ্রুত, নির্ভুল ও সমন্বিতভাবে বিশ্বব্যাপী আদান-প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে জললেখবিজ্ঞানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রের গভীরতা ও তলদেশের গঠন সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রবালপ্রাচীর, ম্যানগ্রোভ বন এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল চিহ্নিত ও সংরক্ষণে সহায়তা করে। একই সঙ্গে জোয়ার-ভাটা, স্রোত ও পলি প্রবাহের তথ্য উপকূলীয় ক্ষয় ও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় প্লাবন ও সামুদ্রিক পরিবেশের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণেও এই বিজ্ঞান অপরিহার্য।

তেল দূষণ, প্লাস্টিক বর্জ্য কিংবা শিল্পবর্জ্যের বিস্তারের গতিপথ নির্ধারণে জললেখবিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে, যা পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় দুর্যোগের পূর্বাভাস ও ঝুঁকি নিরূপণেও এর অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় ও নদীমাতৃক দেশের জন্য জললেখবিজ্ঞান আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। সমুদ্র সৈকত, সামুদ্র বন্দর, সুন্দরবন, বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় চরাঞ্চল এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় এর কার্যকর প্রয়োগ দেশের ব্লু ইকোনমি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পথকে আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

আন্তর্জাতিক জললেখবিজ্ঞান দিবস আমাদের শেখায়— সমুদ্রের সঠিক তথ্য মানেই নিরাপদ নৌপথ, সুরক্ষিত পরিবেশ, সংরক্ষিত জীববৈচিত্র্য এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ। তাই জললেখবিজ্ঞানের উন্নয়ন ও তথ্যের উন্মুক্ত আদান-প্রদান আজ কেবল আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রয়োজন নয়, বরং সম্মিলিত দায়িত্ব ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা।

 

 

 

 

 

Ads small one

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সেবায় রোগীর চাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সেবায় রোগীর চাপ

২৩ দিনে ১২৮ জনের চিকিৎসা; পথপ্রাণীর উপদ্রব নিয়ে উদ্বেগ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সেবা নিতে রোগীর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি মাসের ১ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত মাত্র ২৩ দিনে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা ও টিকা গ্রহণ করেছেন ১২৮ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন মানুষের সচেতনতার ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরছে, অন্যদিকে উপজেলায় পথকুকুর ও অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণের উদ্বেগজনক বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে আসছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৬ জন রোগী জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন। কোনো কোনো দিনে এ সংখ্যা বেড়ে ১৮ জন পর্যন্ত পৌঁছেছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের শিকার বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও জনবহুল এলাকায় পথকুকুরের উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু, বৃদ্ধ ও পথচারীরা প্রায়ই আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করছেন। তবে এ সমস্যা নিরসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে জনস্বাস্থ্য সচেতন মহল বলছেন, শুধু আক্রান্তদের চিকিৎসা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পথপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ, পোষা প্রাণীর বাধ্যতামূলক টিকাদান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৩ দিনে ১২৮ জনের জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা গ্রহণের ঘটনা যেমন সচেতনতার ইতিবাচক বার্তা বহন করে, তেমনি এটি উপজেলায় প্রাণীর কামড়ের ঘটনার সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও স্থানীয় সরকার, প্রাণিসম্পদ বিভাগ এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। নইলে হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে রোগীর এই দীর্ঘ সারি ভবিষ্যতে আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, “জলাতঙ্ক শতভাগ প্রাণঘাতী হলেও সময়মতো চিকিৎসা নিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। ফলে মানুষ এখন দ্রুত চিকিৎসা নিতে আসছেন।”

তালায় বাসচাপায় স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত বাবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
তালায় বাসচাপায় স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত বাবা

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় বাসচাপায় কুশল রায় সরদার (১৩) নামে এক স্কুলশিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার বাবা কানাই লাল সরদার।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল প্রায় ৯টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে খুলনা-পাইকগাছা মহাসড়কের তালা সদর ইউনিয়নের শাহপুর বাজারে ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কুশল রায় সরদার তালা ব্রজেন দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে তালা উপজেলার নলতা গ্রামের বাসিন্দা এবং রথখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কানাই লাল সরদারের ছেলে। চাকরির সুবাদে কুশলের বাবা-মা বর্তমানে চুকনগরে বসবাস করেন এবং উভয়েই শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর সবুর জানান, পাইকগাছা থেকে খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস (রেজি. নং খুলনা জ-০৫-০০৪৯) বৃষ্টির মধ্যে শাহপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে চুকনগর থেকে তালাগামী একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা কুশল বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তার বাবা কানাই লাল সরদার গুরুতর আহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত কানাই লাল সরদারকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালা থানার ওসি (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

কালিগঞ্জে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সঞ্জিব সরকার (৩৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার কুশলিয়া ইউনিয়নের তুলাকঠি এলাকার একটি মাছের ঘেরের সামনে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সঞ্জিব সরকার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্র সরকারের ছেলে।

নিহতের বাবা গোপাল চন্দ্র সরকার (৫৮) জানান, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত ৮টার দিকে সঞ্জিব এবং তিনি বাড়ি থেকে নিজ নিজ মাছের ঘেরের উদ্দেশ্যে বের হন। রাতে সঞ্জিব বাড়িতে না ফেরায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত ৪ টার দিকে সঞ্জিবের ঘেরের বাসার সামনে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের পরিবারের দাবি, এটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। তারা বলেন, জমিজমা নিয়ে শরিকদের সাথে বিরোধ ছিল। তারা প্রায়ই সঞ্জিবকে মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দিতো। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হবে। এ ঘটনার যথাযথ তদন্ত ও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।