শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের আবহে রঙিন এক সন্ধ্যার সাক্ষী হলো রাজধানী। দেশের শীর্ষস্থানীয় মডেলদের অংশগ্রহণে বর্ণিল জার্সির সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’র বিশেষ ফ্যাশন শো। ফুটবলপ্রেম আর ফ্যাশনের মেলবন্ধনে আয়োজিত এই পর্ব যেন বিশ্বকাপ উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি পরে র‌্যাম্পে হাঁটেন জনপ্রিয় মডেলরা। সাইয়েদ রুমার কোরিওগ্রাফিতে প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে বিশ্ব ফুটবলের রঙিন সংস্কৃতি। আলোকসজ্জা, সংগীত আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন পরিণত হয় এক ফুটবল উৎসবে।

মডেলিংয়ে ছিলেন, সাদিয়া শাবনাজ ইমি, রাখি, আলিশা, দিলরুবা দোয়েল, অ্যাঞ্জেল ডি কস্টা, আসিফ আহমেদ প্রমুখ।

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে আয়োজিত ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’য় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া, গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো, ফুটবলার মোরসালিনসহ দেশের ফুটবলের বিভিন্ন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে তারা বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব দেখার স্বপ্নের কথা জানান।

 

হাউজ ও অ্যাথলিট স্পোর্টস গিয়ারের যৌথ উদ্যোগে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ১৩টি ‘ফ্যান জোন’ তৈরির ঘোষণাও দেওয়া হয়। বিশ্বকাপ চলাকালে এসব ফ্যান জোনে বড় পর্দায় খেলা দেখার পাশাপাশি থাকবে ফুড স্টল, গেমিং জোন, জার্সি ফেস্ট ও নানা আয়োজন।

 

সব মিলিয়ে ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়, যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুটবলের রঙে রাঙানো এই বর্ণিল ফ্যাশন শো।

Ads small one

মোহাম্মদপুরে চার্চ থেকে দেড় মণ ওজনের ঘণ্টা কীভাবে চুরি হলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
মোহাম্মদপুরে চার্চ থেকে দেড় মণ ওজনের ঘণ্টা কীভাবে চুরি হলো

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউয়ে সেইন্ট ক্রিস্টিনা চার্চের দোতলার খোলা জায়গা থেকে পিতলের একটি ভারী ঘণ্টা চুরি হয়েছে। চার্চ কর্তৃপক্ষের হিসাবে এর ওজন ৫৫ থেকে ৬০ কেজি, পুলিশের হিসাবে প্রায় ৭০ কেজি। চুরির কয়েক ঘণ্টা পর জাকির হোসেন রোডের একটি ডাস্টবিনের পাশে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত একজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চার্চে গিয়ে বিষয়টি প্রথম বুঝতে পারেন পাল-পুরোহিত ফাদার কাজল জোয়াকিম গোমেজ। তিনি দেখতে পান, সামনের ছোট গেটটি তালাবিহীন ও ভেড়ানো অবস্থায়। উপরে তাকিয়ে দেখেন দোতলায় থাকা ঘণ্টাটি নেই।

ফাদার কাজল জোয়াকিম গোমেজ বলেন, পরে চার্চের সবকিছু পরীক্ষা করে দেখা যায়, সিসিটিভি ক্যামেরায় রাত ১২টার পর আর কোনও রেকর্ড নেই। এরপর তারা মোহাম্মদপুর থানায় যোগাযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে গোয়েন্দা পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা ৩ মিনিটের পর কোনও একসময় চোর বা চোরেরা ঘণ্টাটি নিয়ে যায়। ওই সময়ের পর চার্চের সিসিটিভি রেকর্ডিংও বন্ধ ছিল। ঘটনাস্থলের সরাসরি ফুটেজ না পাওয়ায় আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা শুরু করে পুলিশ।

পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করার পর চোরেরা ঘণ্টাটি ফেলে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে জাকির হোসেন রোডের একটি ময়লার ডাস্টবিনের পাশে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি পাওয়া যায়। এটি এখন থানার হেফাজতে রয়েছে।

 

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও গ্রেফতারের স্বার্থে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম  বলেন, ‘জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। চার্চ কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা করেছে। সিসিটিভি রেকর্ডিং কেন বন্ধ ছিল, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। চার্চের কেউ এটি বন্ধ করেছে, নাকি অন্য কেউ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ঘণ্টাটি কীভাবে চুরি করা হয়েছে, তার কিছু চিহ্নও পেয়েছে চার্চ কর্তৃপক্ষ। চার্চের কেয়ারটেকারের দায়িত্বে থাকা এক তরুণ জানান, চোরেরা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে। সামনের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তারা একদিক দিয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করলেও সেখানে তালা থাকায় অন্যদিক দিয়ে বারান্দায় ওঠে।

ওই তরুণের ভাষ্য, উপরে ওঠার জায়গায় হাতের ছাপ ও কাদার দাগ পাওয়া গেছে। এরপর চোরেরা ঘণ্টাটি যেখানে রাখা ছিল সেখানে যায়। ঘণ্টাটি অনেক উঁচুতে বাঁধা ছিল। সেটি নামাতে তারা ঘণ্টার জন্য রাখা মোটা দড়ি ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফাদার কাজল জোয়াকিম গোমেজ বলেন, এত ভারী ঘণ্টা এত উপর থেকে নামানো সহজ নয়। তার ধারণা, তিন-চার জন না হলে চোরেরা এটি নামাতে পারতো না। ঘটনাস্থলে হাতের ছাপও পাওয়া গেছে।

চার্চে থাকা ওই তরুণ বলেন, ঘণ্টাটি পুরোপুরি পিতলের এবং ওজন প্রায় ৭০ কেজি। এত উঁচু জায়গা থেকে কীভাবে সেটি নামানো হয়েছে, তা নিয়ে তারা অবাক হয়েছেন।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সংগৃহীত আলামত ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সম্পাদকীয়/ সুন্দরবন রক্ষায় স্থানীয় উদ্যোগ ও প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সুন্দরবন রক্ষায় স্থানীয় উদ্যোগ ও প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা লোকালয় ও বাজারগুলোতে প্লাস্টিক দূষণ এখন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর বাজারে ব্যবসায়ীদের মাঝে বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির সহায়তায় ৪০টি ডাস্টবিন বিতরণের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও প্রশংসনীয়। ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলি, সুন্দরবনকে রক্ষা করি’Ñএই মূলনীতিকে সামনে রেখে নেওয়া এ পদক্ষেপ উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষায় এক ইতিবাচক বার্তা দেয়।

ভৌগোলিক ও পরিবেশগত দিক থেকে নীলডুমুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। সুন্দরবন ভ্রমণে আসা পর্যটক এবং স্থানীয় নদীভিত্তিক অর্থনীতির একটি বড় কেন্দ্র এটি। প্রতিদিন এখানকার দোকানপাট ও পর্যটনভিত্তিক ব্যবসাগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ একক ব্যবহারের প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন ও মোড়কজাত বর্জ্য তৈরি হয়। এতদিন সুনির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা না থাকায় এসব ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য সরাসরি নদী-নালা ও খালের পানিতে গিয়ে পড়ত, যা জোয়ারের তোড়ে ভেসে প্রবেশ করে সুন্দরবনের গহিন জলাভূমিতে। প্লাস্টিক বর্জ্যের এমন অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহ ম্যানগ্রোভের শ্বাসমূল ঢেকে দেয়, জলজ প্রাণীর প্রজনন ও খাদ্যশৃঙ্খলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায় এবং মাটি ও পানির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে।

এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের কাছে ডাস্টবিন পৌঁছে দেওয়ার অর্থ শুধু পাত্র দেওয়া নয়, বরং একটি সচেতনতাভিত্তিক অভ্যাসের চর্চা শুরু করা। বাজার সমিতি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যদি সততার সঙ্গে ডাস্টবিনগুলো ব্যবহার করেন এবং গৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ নিশ্চিত করা যায়, তবেই এর প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায়িত্ব হবে এই বর্জ্য যেন ডাস্টবিন উপচে আবার নদীতে না পড়ে, তার সঠিক অপসারণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

তবে কেবল একটি বাজারে ডাস্টবিন বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় এটি হতে পারে সূচনা মাত্র। শ্যামনগরসহ সুন্দরবনসংলগ্ন সব বাজার ও ঘাট এলাকায় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি সিঙ্গেল ইউজ বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ ও কার্যকর করা ছাড়া সুন্দরবনকে পলিথিনমুক্ত করা সম্ভব নয়।

পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনসম্পৃক্ততার কোনো বিকল্প নেই। নীলডুমুর বাজারের এ উদ্যোগ যেন কেবল একদিনের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে; ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং সাধারণ মানুষকে নিজ উদ্যোগে সুন্দরবন বাঁচানোর এ লড়াইয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, সুন্দরবন বাঁচলেই উপকূলের অস্তিত্ব টিকবে।

বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন (ইন্না…রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার (বাংলাদেশ সময়) দিকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিডিনিউজের এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তার সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, তিনি কিছু দিন আগে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। সেখানে বৃহস্পতিবার রাতে হোটেল কক্ষে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় ৭টার দিকে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সাল থেকে নিজ মালিকানাধীন বাংলাদেশি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক এবং সম্পাদক পদে কাজ করেন।

খালিদী ডিসেম্বর ২০১৭ সালে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উন্নয়নে ‘বিশেষ স্বীকৃতি ও সম্মাননা’ হিসেবে জাতীয় আইসিটি পুরস্কার অর্জন করেন।