মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

‎মনিরামপুরে যুবকদের মাঝে ফুটবল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
‎মনিরামপুরে যুবকদের মাঝে ফুটবল বিতরণ

মণিরামপুর (যশোর) সংবাদদাতা: মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে স্থানীয় যুবকদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর ভোজগাতী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হুরগাতী স্কুল মাঠে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এইচ এম শামিম এই ক্রীড়াসামগ্রী তুলে দেন।
ফুটবল বিতরণকালে এইচ এম শামিম উল্লেখ করেন, যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকা- থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তাদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত রাখে। একটি মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও উন্নত ভোজগাতী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করা সমাজের সকলের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা রহমত আলী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিপুল সংখ্যক যুবক উপস্থিত ছিলেন। ফুটবল পেয়ে স্থানীয় যুবকেরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের সুস্থ রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Ads small one

বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করে বলতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করে বলতে চাই

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

বাবা—মাত্র দুটি অক্ষরের একটি শব্দ। কিন্তু এই ছোট্ট শব্দের ভেতরে লুকিয়ে আছে একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় শক্তি, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়, সবচেয়ে সাহসী অভিভাবক এবং সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সন্তানই মায়ের ভালোবাসার প্রকাশ সহজে দেখতে পায়, কিন্তু বাবার ভালোবাসা অনেক সময় নীরব থাকে। তিনি কম কথা বলেন, নিজের কষ্ট আড়াল করে রাখেন, কিন্তু সন্তানের সুখের জন্য নিজের সবকিছু নিঃশব্দে বিলিয়ে দেন।

একজন বাবা হয়তো কখনো বলেন না, “আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।” কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে তিনি সেই ভালোবাসারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ রেখে যান। নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন এবং শখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন পূরণের জন্য সংগ্রাম করেন। অনেক বাবা নিজের প্রয়োজনকে দূরে সরিয়ে রেখে সন্তানের শিক্ষার খরচ জোগান, নতুন পোশাক না কিনে সন্তানের জন্য বই কিনে দেন, নিজের ক্লান্তি লুকিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন।

জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে বাবাই হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। সন্তান যখন প্রথম হাঁটতে শেখে, তখন তাঁর হাতই ভরসা দেয়। সন্তান যখন হোঁচট খায়, তখন বাবাই তাকে আবার উঠে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেন। সন্তান যখন ব্যর্থ হয়, তখন তিনিই নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগান। অথচ এই মানুষটিই নিজের কষ্ট, দুঃখ আর চোখের জলকে সবার আড়ালে লুকিয়ে রাখেন।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তান বড় হয়ে যায়, নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু বাবা একইভাবে অপেক্ষা করেন একটি ফোনকলের জন্য, একটি খোঁজখবরের জন্য কিংবা সন্তানের সামান্য সময়ের জন্য। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চুলে পাক ধরে, শরীর দুর্বল হয়ে আসে, কিন্তু সন্তানের প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনো কমে না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভালোবাসা আরও গভীর হয়।

আজকের এই ব্যস্ত পৃথিবীতে আমরা অনেক সময় বাবার সেই নীরব ত্যাগগুলো ভুলে যাই। আমরা হয়তো তাঁকে ধন্যবাদ বলি না, তাঁর কষ্টের কথা জানতে চাই না কিংবা তাঁর সঙ্গে সময় কাটানোর প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করি না। অথচ আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নায়ক, সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা এবং সবচেয়ে বড় নিরাপত্তার নামই হলো বাবা।

আমি গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ। আমার জীবনের প্রতিটি সফলতা, প্রতিটি অর্জন এবং বড় হয়ে ওঠার পেছনে আমার বাবার অবদান অপরিসীম। তাঁর দোয়া, ত্যাগ, পরিশ্রম এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা ছাড়া আমি আজকের আমি হতে পারতাম না। পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য এবং বিলাসিতার চেয়েও আমার কাছে বাবার মূল্য অনেক বেশি। কারণ অর্থ-সম্পদ হারালে তা আবার ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু বাবার মতো একজন অভিভাবক, একজন পথপ্রদর্শক এবং একজন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মানুষকে কখনো ফিরে পাওয়া যায় না।

তবে আজকের এই লেখা শুধু আমার বাবাকে নিয়ে নয়। এটি পৃথিবীর প্রতিটি বাবার প্রতি একজন সন্তানের হৃদয়ের গভীরতম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ। কারণ প্রতিটি বাবাই তাঁর পরিবারের জন্য একজন নীরব যোদ্ধা। কেউ রোদে পুড়ে, কেউ বৃষ্টিতে ভিজে, কেউ দিন-রাত পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের ত্যাগের গল্প হয়তো সংবাদ শিরোনাম হয় না, কিন্তু প্রতিটি সন্তানের সফলতার পেছনে একজন বাবার অদৃশ্য অবদান জড়িয়ে থাকে।

বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করলে হয়তো একটি বাক্যই দাঁড়ায়—
“সন্তান, আমি তোমার জন্যই বেঁচে আছি। তোমার হাসিই আমার সুখ, তোমার সফলতাই আমার গর্ব, আর তোমার নিরাপত্তাই আমার সবচেয়ে বড় শান্তি।”

বাবা দিবস আমাদের শুধু একটি দিন উদযাপনের কথা মনে করিয়ে দেয় না; এটি আমাদের দায়িত্ব, ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। আসুন, আমরা শুধু বাবা দিবসে নয়, বছরের প্রতিটি দিন বাবাকে সম্মান করি, তাঁর খোঁজ নিই, তাঁর কষ্ট বুঝতে চেষ্টা করি এবং তাঁকে জানাই— তিনি আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ।
হে আল্লাহ, পৃথিবীর সকল বাবাকে সুস্থতা, দীর্ঘ নেক হায়াত, মানসিক প্রশান্তি ও সম্মান দান করুন। যেসব বাবা জীবিত আছেন, তাঁদের আপনার হেফাজতে রাখুন। আর যারা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন, তাঁদের কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমিন।

বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও অন্তহীন কৃতজ্ঞতা।

 

 

 

ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম

* ব্রাশ করার পর সঙ্গে সঙ্গে কিছু খাবেন না।
* ব্রাশ করা হয়ে গেলে কিছুক্ষণ দাঁতকে বিশ্রাম দিয়ে তারপর খাবার খাবেন।
* ব্রাশ করার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না, সময় নিয়ে যত্ন করে ব্রাশ করুন।

আপনার মুখের ভিতরের অংশটিকে চারটি ভাগে ভাগ করুন এরপর প্রত্যেকটি ভাগকে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দিন। শক্ত ব্রাশের তুলনায় নরম ব্রাশ পচ্ছন্দ করুন কারণ শক্ত ব্রাশ আপনার দাঁতের এনামেল ও গামের প্রচুর ক্ষতি করতে পারে। তাই নরম আঁশ যুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করাই ভালো। আপনার দাঁতের প্রতিটি গামলাইনকে সুন্দর করে ব্রাশ করুন একটি লাইনকেও ছেড়ে যাবেন না।

আপনি যে টুথব্রাশটি ব্যবহার করবেন সেটি যেন পরিষ্কার থাকে। ব্রাশ করার পর আপনার টুথব্রাশটি কোন কভারের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখুন না হলে নোংরা টুথব্রাশ থেকে আপনার দাঁতে নতুন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।

কখনো ভুলবেন না রেশমের ফেঁসোর কথা আর মাউথওয়াশ নিয়ে কোন চিন্তা করবেন না। দাঁতের ফাঁক থেকে ময়লা বার করার জন্য যে মোমের সুতো ব্যবহার করা হয়, এই পদ্ধতিটি ব্রাশ করার মতোই গুরুতপূর্ণ। মাউথওয়াশ আমাদের স্বাস প্রশ্বাসে সুগন্ধ নিয়ে এলেও আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করে না।

ব্রাশ করার সময় খুব বেশি দাঁতের ওপর চাপ দেবেন না।
আপনি আপনার তর্জনী ও অঙ্গুষ্ঠ ব্যবহার করতে পারেন ব্রাশ করার সময়। কখনোই এই দুটি অংশ ছাড়া বাকি হাতের অংশ ব্যবহার করবেন না । তার ফলে দাঁতের উপর অধিক চাপ পড়তে পারে।

খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করবেন না। এর ফলে আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হতে পারে।

সব সময় উন্নতমানের টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। সস্তা বা দামি এই দুটি শব্দ কখনই টুথব্রাশের গুণমান নির্ধারণ করে না, গুণমান নির্ধারণ করে – ব্রাশ এবং অবশ্যই প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার আপনার ব্রাশ পাল্টে নেবেন।

দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে আইনজীবীদের সহযোগিতা চাইলেন বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে আইনজীবীদের সহযোগিতা চাইলেন বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া

বদিউজ্জামান: অধস্তন আদালত মনিটরিং কমিটির খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া বলেছেন, বার ও বেঞ্চের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে তা দূর করা এবং যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমার নিষ্পত্তি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। এজন্য দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনজীবীদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা আড়াইটায় সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া বলেন, বর্তমানে মামলা নিষ্পত্তির হার আশানুরূপ নয়, যা উদ্বেগের বিষয়।

 

বিচারপ্রাপ্তির পথে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকলে—তা বিচারক সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কিংবা পদ্ধতিগত সমস্যা যাই হোক না কেন—সেসব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। বেঞ্চের পক্ষ থেকে কোনো অসহযোগিতা থাকলে সেটিও জানাতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন, সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট অসীম কুমার ম-ল, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুস সাত্তার, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ, অ্যাডভোকেট সোমনাথ ব্যানার্জী, অ্যাডভোকেট মোস্তফা আসাদুজ্জামান দিলু, অ্যাডভোকেট তারক কুমার মিত্র, অ্যাডভোকেট কু-ু তপন কুমার, অ্যাডভোকেট ফেরদৌসী আরা লুসি, অ্যাডভোকেট খায়রুল বদিউজ্জামান ও অ্যাডভোকেট আকবার আলীসহ আহ্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের অন্যতম প্রধান সংকট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে ওই ট্রাইব্যুনালে চার হাজারেরও বেশি মামলা বিচারাধীন থাকলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেখানে কোনো বিচারক নেই। দ্রুত বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি আরও একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের দাবি জানান তারা।

এছাড়া অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের সময়ে নতুন আদালত সৃষ্টি হলেও প্রয়োজনীয় বিচারক, জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে বিচারিক কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা। বর্তমানে জেলায় প্রায় ৩০টি বিচারকের পদ এবং শতাধিক সহায়ক কর্মচারীর পদ শূন্য থাকায় সংশ্লিষ্টরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন বলে তারা জানান। বিচারিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক ও জনবল নিয়োগের দাবি জানান আইনজীবীরা।

সভায় আইনজীবী নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সামগ্রিক কর্মকা-ের প্রশংসা করে বলেন, দেড় বছর আগে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ঘুষ ও দুর্নীতি রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকা-ে গতিশীলতা এনেছেন। আদালতের অবকাঠামোগত সংস্কার ও বিচারাঙ্গনের সৌন্দর্যবর্ধনে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কিছু কাজ চলমান রয়েছে।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া আইনজীবী নেতৃবৃন্দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে বিচারপ্রার্থীরা যাতে দ্রুত ন্যায়বিচার পান, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের ইতিবাচক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আইনজীবী সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরায় পৌঁছালে বিচার বিভাগ ও আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিকেলে তিনি জেলার কর্মরত বিচারকদের সঙ্গেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। পরে সন্ধ্যায় তিনি খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।