বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মাঠে সোনালি ধান, তবুও কৃষকের মুখে দুশ্চিন্তার রেখা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
মাঠে সোনালি ধান, তবুও কৃষকের মুখে দুশ্চিন্তার রেখা

সচ্চিদানন্দ দে সদয়
বিস্তীর্ণ গ্রামীণ জনপদে এখন বোরো ধান কাটার মৌসুম। তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, শ্যামনগর-সবখানেই একই দৃশ্য। মাঠজুড়ে সোনালি ধানের ঢেউ, উঠোনে মাড়াই, গোলায় নতুন ফসল তোলার প্রস্তুতি। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাস্তের শব্দে মুখর গ্রামবাংলা। প্রথম দেখায় এটি প্রাচুরে‌্যর এক উজ্জ্বল ছবি-একটি সফল মৌসুমের প্রতিচ্ছবি। কিন্তু এই দৃশ্যের আড়ালে রয়েছে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা-বাম্পার ফলনের মাঝেও কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি নেই। এই বৈপরীত্য-উৎপাদন বাড়লেও আয় না বাড়া-বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতির একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার প্রতিফলন। সাতক্ষীরার মতো উপকূলীয় জেলায় এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে ওঠে, কারণ এখানে প্রাকৃতিক ঝুঁকি ও বাজারব্যবস্থার দুর্বলতা একসঙ্গে কাজ করে। সাতক্ষীরা মূলত একটি উপকূলীয় জেলা। এখানে কৃষি শুধু পেশা নয়, জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা-এই সব প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেই কৃষকেরা প্রতিবছর ফসল ফলান। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। উন্নত জাতের বীজ, সেচব্যবস্থা এবং কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমের কারণে উৎপাদন বেড়েছে। অনেক কৃষক জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় ফলন বেশি হয়েছে। কিন্তু এই সাফল্য কৃষকের জীবনে প্রত্যাশিত স্বস্তি এনে দিতে পারছে না। কারণ, উৎপাদনের পরবর্তী ধাপ-বাজার-এখনো তাদের জন্য অনিশ্চিত ও প্রতিকূল। উৎপাদন খরচের চাপ: লাভের সীমা সংকুচিত, গত কয়েক বছরে কৃষি উপকরণের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সারের দাম বৃদ্ধি, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, যার প্রভাব সেচে, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্য, শ্রমিক সংকট ও মজুরি বৃদ্ধি,এসব কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। সাতক্ষীরার মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে-প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ: ৭৫০-৯০০ টাকা, অনেক ক্ষেত্রে বিক্রি: ৭০০-৯৫০ টাকার মধ্যে অর্থাৎ, লাভের পরিসর অত্যন্ত সীমিত, অনেক সময় শূন্যের কাছাকাছি। ফলে কৃষকের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। সাতক্ষীরার কৃষকদের একটি বড় অংশ দাদন বা আগাম ঋণের ওপর নির্ভরশীল। মৌসুম শুরুর আগে তাদের হাতে পর্যাপ্ত মূলধন থাকে না। ফলে তারা মহাজন, এনজিও বা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঋণ নেন। এই ঋণের বিনিময়ে অনেক সময় অঘোষিত শর্ত থাকে-ফসল উঠলে নির্দিষ্ট দামে সেই ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করতে হবে। ফলে কৃষক বাজারে ভালো দাম পেলেও সেই সুবিধা নিতে পারেন না। তিনি হয়ে পড়েন ‘বাধ্য বিক্রেতা’। এই কাঠামো কৃষকের দরকষাকষির ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে। মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব: বৈষম্যমূলক মূল্য শৃঙ্খলধান উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেটে পৌঁছানো পর্যন্ত একটি দীর্ঘ সরবরাহ শৃঙ্খল রয়েছে। এতে ফড়িয়া, আড়তদার, মিলার, পাইকার-অনেকেই যুক্ত। সমস্যা হলো, এই শৃঙ্খলে সবচেয়ে কম লাভ পান উৎপাদক কৃষক। ফড়িয়ারা মাঠ থেকে কম দামে ধান কিনে-সংরক্ষণ করে বা দ্রুত বাজারে বিক্রি করেপরে সেই ধান মিল হয়ে চাল হিসেবে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। এই ব্যবস্থায়-ঝুঁকি নেয় কৃষকলাভ পায় মধ্যস্বত্বভোগী, ফলে কৃষি অর্থনীতিতে একটি বৈষম্য তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। গ্রামীণ সাতক্ষীরায় আধুনিক সংরক্ষণ অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। ধান কাটার পর কৃষকের সামনে দুটি পথ- সংরক্ষণ করা, দ্রুত বিক্রি করা, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা দ্বিতীয় পথটি বেছে নেন, কারণ-নগদ অর্থের প্রয়োজন, ঋণ পরিশোধের চাপ, সংরক্ষণের সুবিধার অভাব, ফলে মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সরবরাহ বেড়ে গিয়ে দাম কমে যায়। সাতক্ষীরার বিশেষ বাস্তবতা হলো এর জলবায়ু ঝুঁকি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা কৃষিকে অনিশ্চিত করে তোলে। এই অনিশ্চয়তা কৃষকের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। তিনি নিশ্চিত কম দামে বিক্রি করাকে অনেক সময় বেশি নিরাপদ মনে করেন। এটি একটি ‘ঝুঁকি এড়ানোর অর্থনীতি’, যা বাজারের স্বাভাবিক গতিকে প্রভাবিত করে। সরকারি ক্রয়নীতি: সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতা-সরকারি ধান সংগ্রহ কর্মসূচি কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। কিন্তু সাতক্ষীরার বাস্তবতায় এটি পুরোপুরি কার্যকর নয়। সমস্যাগুলো হলো-ক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা কম, প্রক্রিয়া জটিল, প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ, ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। কৃষকের মনস্তত্ত্ব: তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের অগ্রাধিকার-কৃষকের সিদ্ধান্ত শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিকও। পরিবারের খরচ-ঋণের চাপ, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা-এই সবকিছু মিলিয়ে তিনি দ্রুত নগদ অর্থকে অগ্রাধিকার দেন। ফলে সম্ভাব্য বেশি দামের অপেক্ষা না করে কম দামে বিক্রি করাই বাস্তবসম্মত মনে হয়। সমাধানের পথ: কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি-এই সমস্যার সমাধানে কিছু মৌলিক পদক্ষেপ প্রয়োজন-সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র বাড়াতে হবে, প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়ন-গ্রাম পর্যায়ে আধুনিক গুদাম স্থাপন করতে হবে। সমবায়ের মাধ্যমে বাজারে দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। মধ্যস্বত্বভোগীদের অনিয়ন্ত্রিত প্রভাব কমাতে হবে। কৃষককে বাজারদরের তথ্য সহজলভ্য করতে হবে। সাতক্ষীরার মাঠে আজ যে সোনালি ধান দুলছে, তা শুধু খাদ্য উৎপাদনের প্রতীক নয়-এটি কৃষকের পরিশ্রম, সংগ্রাম ও আশার প্রতিচ্ছবি। কিন্তু যদি সেই ফসলের ন্যায্যমূল্য কৃষকের ঘরে না পৌঁছায়, তাহলে এই সাফল্য অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। বাম্পার ফলন তখনই সত্যিকার অর্থে সাফল্য হবে, যখন কৃষকের ঘরেও স্বস্তি, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত হবে। সাতক্ষীরার এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়-কৃষির সাফল্য শুধু উৎপাদনের অঙ্কে নয়,কৃষকের জীবনের মানে তার প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয়। লেখক: সংবাদ কর্মী

Ads small one

তালায় নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
তালায় নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

সংবাদদাতা: তালার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার (ইউএনও) সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা। বুধবার (০৬ মে) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম খান, সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস কুদ্দুস পাড়, দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ, প্রচার সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মুফতি এনামুল হক, আরিফুল ইসলামসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ তালা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

শ্যামনগরে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের সংলাপ

শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে উপকারভোগীদের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক রণজিৎ কুমার বর্মণ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারী।

লিডার্সের আয়োজনে মানুষের জন্য ফাউনডেশন (এমজেএফ) ও এ্যাম্বাসি অফ সুইডেন এর সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচী (সিআরইএ) প্রকল্পের আওতায় বুধবার (০৬ মে) উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল প্রোগ্রাম অফিসার, ওসি তদন্ত শ্যামনগর থানা, শিক্ষা কর্মকর্তা, শ্যামনগর প্রেসক্লাব, শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টাস ইউনিট, সুন্দরবন প্রেস ক্লাব, উপকূলীয় প্রেস ক্লাব এর সাংবাদিকবৃন্দ, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু জোট সভাপতি ও সিডিও নির্বাহী পরিচালক, ফ্রেন্ডশিপ এর প্রতিনিধি, বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের উপকারভোগী সদস্যরা।

উপকারভোগী সুদিপ্তা মন্ডল বলেন, নারী শ্রমিকরা লবণাক্ত পানিতে কাজ করার ফলে যে সকল শারীরিক সমস্যা হয় তার চিকিৎসা কমিউনিটি ক্লিনিকে দেওয়া হয় না এবং চিকিৎসা সেবার কোন প্রচারণা হয় না। তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন ডাক্তার এর দাবী করেন।

উপকারভোগী খোকন চন্দ্র হালদার বলেন, নারী শ্রমিকদের শ্রমের স্থানে কোন স্যানিটেশন এর সুব্যবস্থা না থাকায় নারীরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এছাড়া তিনি আরও বলেন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পর্যায় নারী ও শিশু কমিটির প্রয়োজন।

গাবুরা থেকে আগত জেবুন্নেছা বলেন, দুর্যোগের সময় আশ্রয় কেন্দ্র গুলিতে নারী বান্ধব না হওয়ায় নারীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন। তিনি আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে নারী বান্ধব করার দাবী করেন। তারা এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল প্রোগ্রাম অফিসার প্রণব কুমার বিশ্বাস ইউনিয়ন পর্যায় নারী ও শিশু কমিটি গঠন করার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস নারীর ক্ষমতায়ন এর ক্ষেত্রে পারিবারিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ এর কথা বলেন।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, উপকূলীয় এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহকে একযোগে কাজ করতে হবে। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার সুলতা সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন

আহবায়ক এম কামরুজ্জামান, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাংবাদিক এম কামরুজ্জামানকে কমিটির আহবায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জলকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘরে সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সভায় উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর প্রধান নির্বাহী এডভোকেট সাইদুর রহমান।

 

নেটওয়ার্কের সম্পাদক এডভোকেট মুনির উদ্দীনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক ইত্তেফাক ও একুশে টেলিভিশনের জিএম মনিরুল ইসলাম মিনি, বেতার বাংলাদেশ, ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি ও আজকের পত্রিকার আবুল কাশেম, সময় টিভির মমতাজ আহমেদ বাপি, এটিএন বাংলার এম কামরুজ্জামান, আমাদের সময় ও মাছরাঙা টিভির মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঢাকা টাইমস/দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস এর মো. হোসেন আলী, এখন টিভির আহসানুর রহমান রাজিব, দৈনিক ভোরের এডভোকেট দিলিপ কুমার দেব, বণিক বার্তার গোলাম সরোয়ার, দৈনিক মানবজমিনের এসএম বিপ্লব হোসেন, বাংলা ট্রিবিউন এর আসাদুজ্জামান মধু, ডিবিসি টিভির বেলাল হোসেন প্রমুখ।

 

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাংবাদিক এম কামরুজ্জামানকে আহবায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জলকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ঠ সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সাংবাদিক আব্দুল বারীর মাতা এবং সাংবাদিক আসাদুজ্জামানের ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।