মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে রামিসাকে ধর্ষণেরও প্রমাণ মিলেছে। রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে প্রথমে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।

এদিকে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার (২৩ মে) তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা চ্যানেল 24 কে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

অন্যদিকে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল জোরপূর্বক তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এতে শিশু রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর মধ্যেই তার মা রামিসার খোঁজে তাদের দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন।

ওই সময় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ছোট্ট রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে শরীর থেকে আলাদা করেন। সেই সঙ্গে দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। একই সময় শিশুটির সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই রুমে ছিল। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল।

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে করা ‎পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে কাটা মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Ads small one

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশইন ঠেকাতে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে সাধারণ জনতা। কিছু সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারার খবর পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি কলারোয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুরসহ কয়েকটি সীমান্তে অবৈধভাবে পুশইন করতে বহু নারী-পুরুষকে জড়ো করা হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পায়। এরই জের ধরে কলারোয়া সীমান্তজুড়ে কঠোর টহল, নজরদারী ও অবস্থান জোরদার করে বিজিবি। বিভিন্নভাবে বিজিবিকে সহায়তা করছেন স্থানীয় জনতাও।

বছরের পর বছর উপজেলার ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকাটি মাদক ও চোরাকারবারীদের কাছে বিভিন্ন চোরাচালান, অবৈধভাবে মানুষ যাতায়াতের জন্য নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত বলে জানা যায়। এর সাথে যোগ হয়েছে সম্প্রতি পুশইনশংকা। ফলে সতর্কাবস্থনে বিজিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা। উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন স্থলভাগ ও নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত। এর মধ্যে কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের সিংহভাগ ও সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পুরোটা সোনাই নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত, আর চন্দনপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ ইছামতি নদী ও বাকী অংশ স্থলভাগে বিভক্ত।

 

নদী সীমান্তের চেয়ে তুলনামূলক স্থলভাগ দিয়ে পুশইন সম্ভাবনা বেশি থাকায় উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী, সুলতানপুর ও গোয়ালপাড়ার স্থল সীমান্তে বিজিবির টহল ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

 

বিজিবির সুলতানপুর বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার কামরুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে ওই বিওপির অধীনে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। জনগণকে সাথে নিয়ে যেকোন অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করতে সার্বক্ষণিক কঠোর নজরদারী অব্যাহত রয়েছে।

সুলতানপুর ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবীর জানান, হ্যান্ড মাইকে সতর্কতা, সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, রাতে টর্চলাইটের আলো এবং কঠোর অবস্থান রয়েছে।

সাতক্ষীরা, ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের মিডিয়া ইনচার্জ সার্জেন্ট মিলন জানান, এখন পর্যন্ত সাতক্ষীরা সীমান্তে অবৈধ পুশইন রোধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ছাত্রদলের নেতারা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন ইসলামের নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব তামিম রশিদ, সিটি কলেজ ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হাসান, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়ারাজ হোসেন, শহর ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম এবং ছাত্রনেতা মো. গোলাম রাব্বি।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে কলারোয়া হাসপাতাল রোডে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

তিনি জানান, লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, অপরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে মিতালী ডায়গনস্টিক সেন্টারকে ২০হাজার টাকা ও ডক্টরস ডিজিটাল ল্যাবকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় কলারোয়া থানার ওসি এইচএম শাহীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শফিকুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।