বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে গরুর ঘাস খাওয়াতে বাধা, ১০জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে গরুর ঘাস খাওয়াতে বাধা, ১০জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম

পত্রদূত রিপোর্ট: জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে গরু চরানোর সময় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ১০ জন জখম হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামের গীতা রানী গাইন, রণজিৎ গাইন, শিবপদ গাইন, ধর্মদাস গাইন, বিষ্ণুপদ গাইন, রবীন্দ্রনাথ গাইন,, অনিমেষ গাইন, ইন্দ্রজিৎ গাইন, সুরেন গাইন ও কৌশল্যা গাইন।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন জেলেখালি গ্রামের কৃষ্ণপদ গাইনের স্ত্রী গীতা রানী গায়েন জানান, জমি নিয়ে তাদের সঙ্গে পাশর্^বর্তী মথুরাপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ পাইকের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।

 

স্থানীয়ভাবে শালিসি বৈঠক হলেও প্রতিপক্ষরা মানে না। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি নিজেদের পোষা গরু নিজেদের জমিতে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুৃল মজিদ ও তার ছেলে চোরাকারবারি হাসান পাইকসহ কয়েকজন বাধা দেন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার একপর্যায়ে তার মাথায় কোপ মেরে জখম করা হয়।

 

খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্য রণজিৎ গায়েন, শিবপদ গায়েন, ধর্মদাস গায়েন, বিষ্ণুপদ গায়েন, রবীন্দ্রনাথ গায়েন, অনিমেষ গায়েন, ইন্দ্রজিৎ গায়েন, সুরেন গায়েন ও কৌশল্যা গায়েন ছুঁটে এলে আব্দুল মজিদ পাইক, তার ছেলে হাসান পাইক ও হোসেন পাইক, ভা-ারীর ছেলে জাহিদ হোসেন বাবু, ইসলাম গাজীর ছেলে বিল্লাল হোসেন, তার স্ত্রী খুকুমনি, হাসান পাইকের ছেলে মিলন পাইকসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২জন তাদেরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় হামলাকারিরা তাদের একটি স্মার্ট ফোন নিয়ে নেয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আব্দুল মজিদ পাইক জানান, বিরোধপূর্ণ জমির উপর দিয়ে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। এতে তাদেরও দুইজন আহত হয়েছে।

ইউপি সদস্য দেবাশীষ গাইন জানান, এটা একটি ববর্রোচিত হামলা।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ খালিদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় রণজিৎ গায়েন বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পত্রদূত রিপোর্ট: মানব পাচার প্রতিরোধ করতে হলে ঘরে ঘরে গণসচেতনতার গড়ে তুলতে হবে। স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বিশেষ করে যেসব সরকারি অফিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরকারের পরিসেবা বা ভাতা গ্রহন করে থাকে সেসব দপ্তরগুলোকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে।

 

যেসব পরিবারের সদস্যরা একবার মানব পাচারের শিকার হন সেসব পরিবারে সারা জীবনের লালিত স্বপ্ন ধ্বংস হয়ে যায়। বিধায় মানব পাচার প্রতিরোধে যেসব আইন আছে তা কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। আজ বুধবার সকালে সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলা শহরের একটি আবাসিক হোটেল সম্মেলন কক্ষে সুইজারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় উইনরক ইন্টারন্যাশনাল- এর বাস্তবায়নে এবং উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির জেলা সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

 

সম্মেলনে রুপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত প্রমুখ।

রুপান্তরের প্রকল্প সমন্বয়কারী সুবল কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির এই জেলা সম্মেলনে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম অফিসার মাসনুন হকসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্য, সিটিসি কমিটির সদস্য, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

 

 

মানছে না ঘের নীতিমালা, হুমকির মুখে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক, স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
মানছে না ঘের নীতিমালা, হুমকির মুখে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক, স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ও জেল-জরিমানার পরেও মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে ঘের ব্যাবসায়ীদের বৈরি আচারণে শতাধিক কাচা-পাকা গ্রামীণ সড়ক এখন হুমকির মুখে, জনমনে তৈরী হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা।

খোজ নিয়ে জানাগেছে, এ উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮ টি মৎস্য ঘের রয়েছে। এসব ঘেরের মালিকরা শতাধিক সরকারি সড়ক মাছের ঘেরের ভেড়ি (বাঁধ) হিসেবে ব্যবহার করায় গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

একই সঙ্গে সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে এসব মাছের ঘের গড়ে তোলায় উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

ফলে কৃষি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিলাঞ্চলের হাজার ও নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকা সংকটে পড়েতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন ও সুধীজন।

কেশবপুর পৌরসভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার ছোট-বড় বিল ও জলাশয় রয়েছে। এর মধ্যে বিল বলদহালি, টেপুর বিল, গরালিয়া বিল, পদ্মবিল, ঘোচমারা বিল, কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিল, হাজোয়ার বিল, খুকশিয়া বিল, বোয়ালিয়ার বিল, গঙ্গাধার বিল ও বিষ্ণুপুর বিল উল্লেখযোগ্য।

সূত্রে জানাগেছে, নব্বইয়ের দশক থেকে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকায় মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা সরকারি রাস্তা ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ফলে বিলভিত্তিক মৎস্যসম্পদে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার কমে যায় এবং জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা সংকুচিত হয়ে পড়ে।

 

অভিযোগ রয়েছে, অনেক ঘের মালিক সরকারি খালের পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে ব্যক্তিগতভাবে কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এতে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে উপজেলার নিন্মাঞ্চল স্থায়ী জলাবদ্ধতা শুরু হয়। যা দিনে দিনে প্রকট আকার ধারণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মধ্যে রয়েছে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক, কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়ক, কেশবপুর-ভেরচী সড়ক, কেশবপুর-ফতেপুর সড়ক, কলাগাছী-চুকনগর সড়ক, মঙ্গলকোট-হিজলডাঙ্গা সড়ক, মঙ্গলকোট-পাঁচপোতা সড়ক, বাকাবর্শি-গড়ভাঙ্গা সড়ক, মজিদপুর-লক্ষীনাথকাটি সড়ক, কেশবপুর-চিংড়া সড়ক, কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়ক, মনোহরনগর-বাকডাঙ্গা সড়ক, ব্যাসডাঙ্গা-ইমাননগর সড়ক, গোলাঘাটা বাজার-মঙ্গলকোট সড়ক, শ্রীফলা-মঙ্গলকোট সড়ক ও সাবদিয়া-সরফাবাদ সড়ক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ফকির রাস্তা এলাকা থেকে কেশবপুর বাস-ট্রাক টার্মিনাল পর্যন্ত অংশ মাছের ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কসহ অন্তত ১০টি পাকা সড়ক এবং আরও শতাধিক গ্রামীণ রাস্তা ঘেরের ভেড়ী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে সড়কের ঢাল, শোল্ডার ও পিচের অংশ ভেঙে গিয়ে যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. জাসির বলেন, ঘের মালিকরা অবৈধভাবে সড়ককে ভেড়ি হিসেবে ব্যবহার করায় সড়কের শোল্ডার ও পিচের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী সড়ক থেকে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, মৎস্য ঘের নির্মাণ আইন সম্পর্কে অবহিত করতে বিভিন্ন এলাকা ঘের ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনা সভা করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেখ সোনা খাতুন বলেন, যাঁরা মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে অবৈধভাবে ঘেরের পাড় হিসাবে সরকারি রাস্তা ব্যবহার করছে উপজেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ২ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলার কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মুজিদ।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফা জামান, অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পী, অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার হাসিব, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট জি এম ফিরোজ আহমেদ, এ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, এ্যাডভোকেট শহিদ হাসান, অ্যাডভোকেট মো. শিহাব মাসউদ সাচ্চু, অ্যাডভোকেট আব্দুল জলিল (৩), অ্যাডভোকেট তারিক ইকবাল অপু, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বাবলু, এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসাইন সুজন, এ্যাডভোকেট সোহেল, এ্যাডভোকেট মাকফুর, এ্যাডভোকেট আসাদ, অ্যাডভোকেট সরদার সাঈদ, এ্যাডভোকেট মনোয়ারাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত ঐক্য, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, আইন পেশার মর্যাদা অক্ষুণœ রাখা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

শেষে উপস্থিত আইনজীবীরা পরস্পরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, প্রবীণ ও নবীন আইনজীবীসহ বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।