শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

শ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জামায়াত নেতা হাজী নজরুলসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জামায়াত নেতা হাজী নজরুলসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে এবার জামায়াত নেতাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৫ মে) রাতে শ্যামনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদ ও সুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে। এছাড়া তার ছেলে আব্দুর রহমান, বিশ্বজিৎ মন্ডলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের আগস্ট থেকে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন এবং কাজ বন্ধের জন্য চাপ প্রয়োগ করছিলেন।

এজাহারে বলা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হলে অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রকাশ্যে ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ মে দুপুরে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমান ও স্থানীয় কয়েকজন মোটরসাইকেল বহর নিয়ে প্রকল্প সাইটে যান। সেখানে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসকেও মারধর করা হয়। পরে প্রকৌশলী জাহিদের হাতে থাকা একটি অ্যাপল আল্ট্রা স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

মামলার বাদী দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ রয়েছে। আহত জাহিদ হাসান ও ফেরদৌস শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে এবং সাইটে থাকা কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এর আগে গত ১৩ মে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, খোলপেটুয়া, মালঞ্চ ও কালিন্দী নদীর তীররক্ষা এবং বাঁধ সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে স্থানীয়ভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্ষার আগে বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করা না গেলে উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থায়নের এই প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হলে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সবুজ আলী খান বলেন, বর্ষার আগে কাজ শেষ করা না গেলে পুরো উপকূলীয় এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়বে। অথচ বারবার বাধা ও হুমকির কারণে কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আর যেদিন হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে, ওই সময় আমি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে ছিলাম।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুর রহমান বলেন, সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া যায়। এর কয়েক দিন পর আবারও প্রকল্প এলাকায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হামলা ও মারপিটের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

তিনি জানান, পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি সরকারের চলমান এই প্রকল্প যাতে নির্বিঘেœ বাস্তবায়ন করা যায়, সে ব্যাপারেও পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Ads small one

পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ যেন থামছেই না। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে অনেকটাই ক্লান্ত খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের সিলেমানপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ মো. সাকাত মোড়ল। অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বসবাস করছেন জরাজীর্ণ একটি ঘরে। ঘরটির একাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। বাকি অংশও যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘরের চালের কোথাও ভাঙা টিন, কোথাও মাটির টালি, আবার কোথাও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। মাটির দেয়াল জরাজীর্ণ, ভরসা বলতে বাঁশের খুঁটি আর পলিথিনের বেড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, এটি পরিত্যক্ত কোনো ঝুপড়ি। অথচ এই ঘরেই স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাকাত মোড়ল।

ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে তাঁর। স্থায়ী আয়ের কোনো উৎস নেই। বয়স্ক ভাতা ছাড়া সরকারি কোনো সহায়তাও পান না। জমি বলতে আছে মাত্র দুই শতক, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের জীর্ণ ঘরটি।

বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ঘরের চাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন সাকাত মোড়ল। তারপরও বৃষ্টি বা বন্যা হলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে কাদা হয়ে যায়। তখন সেখানে থাকা সম্ভব হয় না; আশ্রয় নিতে হয় প্রতিবেশীদের ঘরে। এমনকি ঘরে থাকার মতো একটি খাটও নেই। মেঝেতে পলিথিন বিছিয়ে রাত কাটান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

এত কষ্টের মধ্যেও সাকাত মোড়লের স্বপ্ন, তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর হবে। ঝড়-বৃষ্টি এলেও অন্তত অন্যের কাছে আশ্রয় চাইতে হবে না।

সাকাত মোড়ল বলেন, “সরকারের দেওয়া বয়স্ক ভাতা ছাড়া আর কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। প্রতিবেশীদের কেউ খাবার দেন, কেউ টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেন। বৃষ্টির সময় তাঁদের ঘরেও আশ্রয় নিতে হয়। বলা যায়, তাঁদের দয়াতেই টিকে আছি। মানুষের সাহায্যে দুমুঠো ভাত জোটে। কেউ সাহায্য না করলে না খেয়েও থাকতে হয়। থাকার জায়গাটুকু ছাড়া আর কোনো সম্বল নেই। সরকার অনেককে ঘর দিয়েছে। আমাকেও একটি ঘর দিলে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো।”

স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ গাজী বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন, মানবিক সংগঠন ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন এই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়ান। তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর তৈরি করে দেওয়া গেলে অন্তত শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।”

 

যশোর-বেনাপোল সড়কে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
যশোর-বেনাপোল সড়কে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

পত্রদূত ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট মোড়ের বড় মেঘলা এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী এলাকার শামিম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন এবং শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন রোডের শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জয়। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

আহত ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাতকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম, ওমর ও রাকিব একই মোটরসাইকেলে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। নতুনহাট মোড় পার হয়ে বড় মেঘলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন নিহত হন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, নিহতদের একজনের কাছ থেকে আরিফুল ইসলাম জয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও স্বজনদের সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।

পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও চালকুমড়া চাষ করছেন কৃষকেরা। কম খরচে চাষ করে ভালো লাভ হওয়ায় দিন দিন এ সবজির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া চালকুমড়া চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ফলে এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বাড়ির সৌন্দর্যও বাড়াচ্ছে।

চালকুমড়া চাষের জন্য আলাদা জমি চাষ করার প্রয়োজন হয় না। বাড়ির কোণে বা আঙিনার পতিত জায়গায় মাদা তৈরি করে বীজ বপন করা হয়। পরে গাছের লতা বড় হলে তা ঘরের চাল বা বাঁশের মাচায় তুলে দেওয়া হয়। ঘরের চালে বেড়ে ওঠে বলে এ সবজির নাম হয়েছে চালকুমড়া।

সাধারণত জুন-জুলাই মাসে বাড়ির আঙিনা বা ফাঁকা জায়গায় চালকুমড়ার বীজ বপন করা হয়। এ সবজি চাষে খুব বেশি রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। সামান্য পরিচর্যা ও জৈব সার ব্যবহার করেই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। এতে উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন।

চালকুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি। পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত চালকুমড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন অনেকেই। পাইকগাছার স্থানীয় বাজারগুলোতে এ সবজির চাহিদা থাকায় কৃষকেরা বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ার আশা করেন। এতে গ্রামীণ পরিবারের সবজির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

চালকুমড়া দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়। এ ছাড়া এটি দিয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার বড়ি তৈরি করা হয়। পরিপক্ব চালকুমড়া দীর্ঘদিন ঘরে সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন বলেন, “বিনা চাষে ও কম খরচে বাড়ির চালে চালকুমড়া উৎপাদন করা যায়। সবজি হিসেবে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চালকুমড়া চাষ করে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। বাড়ির কোণে বা আঙিনার পতিত জমি ফেলে না রেখে সেখানে চালকুমড়া কিংবা মিষ্টিকুমড়া চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নত ও হাইব্রিড জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি গাছ থেকে প্রচুর চালকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে। এসব চালকুমড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকেরা ভালো আয় করতে পারছেন।