মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র মেনে তৈরি দুর্গা প্রতিমা পবিত্র শিল্পকর্ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র মেনে তৈরি দুর্গা প্রতিমা পবিত্র শিল্পকর্ম

প্রকাশ ঘোষ বিধান
সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র এবং ঐতিহ্য মেনে দুর্গা প্রতিমা তৈরি একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং নিয়মতান্ত্রিক শিল্পকর্ম। প্রতিমা তৈরির প্রতিটি পদক্ষেপে সুনির্দিষ্ট আধ্যাত্মিক এবং সামাজিক নিয়ম জড়িয়ে রয়েছে, যা মূলত শুল্বসূত্র এবং মৎস্যপুরাণ-এর মতো প্রাচীন গ্রন্থে বর্ণিত শিল্পশাস্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র ও পুরাণ অনুসারে দুর্গা প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম, ধ্যানমন্ত্র এবং গঠনগত বিধান অনুসরণ করা হয়। ইচ্ছেমতো বা বিকৃত রূপ দিয়ে প্রতিমা তৈরি শাস্ত্রসম্মত নয়।
ধর্মীয় নীতি ও শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে দুর্গা প্রতিমা তৈরি একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মৎস্যপুরাণ ও দেবীমাহাত্ম্য; শ্রীশ্রীচন্ডী অনুযায়ী, দুর্গা প্রতিমা তৈরির প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট আচার ও নিয়ম মেনে চলতে হয়। সনাতন ধর্মে প্রতিমা নির্মাণ কেবল একটি শিল্প নয়, এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা ও লোকাচারের অংশ।
প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয় কাঠামো পূজার মাধ্যমে। সাধারণত রথযাত্রার দিন বা জন্মাষ্টমীর মতো শুভ তিথিতে প্রতিমা তৈরির কাঠের ভিত্তি বা কাঠামোটি পূজা করা হয়। কাঠ এবং বাঁশ দিয়ে দেবীর অবয়ব বা কঙ্কাল তৈরি করা হয়, যা প্রতিমার পুরো ওজন ধরে রাখে।
শাস্ত্রীয় ও ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুসারে, প্রতিমা তৈরির মাটি সাধারণ কোনো মাটি নয়। এতে কয়েকটি বিশেষ উপাদান মেশানো বাধ্যতামূলক। শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, দুর্গা প্রতিমা তৈরিতে বিশেষ কিছু স্থানের মাটির প্রয়োজন হয়, যাকে পঞ্চমৃত্তিকা বা পাঁচ ধরনের মাটি বলা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বেশ্যালয়ের বা পতিতালয়ের দরজার মাটি প্রতিমা তৈরির জন্য আবশ্যক। মনে করা হয়, একজন ব্যক্তি যখন সেখানে প্রবেশ করেন, তখন তিনি তার সমস্ত পুণ্য ও পবিত্রতা দরজায় রেখে ভেতরে যান। তাই ওই মাটি অত্যন্ত পবিত্র হয়ে ওঠে। সমাজ থেকে অবহেলিত এই নারীদের সম্মান জানানো এবং দেবীর সর্বজনীন রূপ ফুটিয়ে তুলতেও এই প্রথা পালন করা হয়। এই মাটি পুরোহিত নিজে গিয়ে চেয়ে নিয়ে আসেন, এটি জোর করে বা টাকা দিয়ে কেনার নিয়ম নেই। এ ছাড়া নদীর তীরের মাটি, গোয়ালঘরের মাটি, চৌমাথার (চার রাস্তার মোড়) মাটি এবং রাজপ্রাসাদের বা রাজদ্বারের মাটি সংগ্রহ করতে হয়।
বৃহন্নন্দিকেশ্বর পুরাণ বা অন্যান্য শাক্ত ও পৌরাণিক শাস্ত্রের নির্দেশিত ধ্যানমন্ত্র অনুসারে দেবীর রূপ কল্পনা করতে হয়। নিজের ইচ্ছামতো বা দৃষ্টিকটু আধুনিক থিমের নামে শাস্ত্রবিরোধী রূপ দেওয়া অনুচিত। দেবী দুর্গা সাধারণত দশটি হাতে বিভিন্ন অস্ত্রধারী এবং সিংহবাহিনী রূপে মহিষাসুরমর্দিনী হিসেবে প্রতিমা তৈরি হন। তার পদমূলে মহিষাসুর অবস্থান করে।
শাস্ত্রে প্রতিমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুনির্দিষ্ট পরিমাপ দেওয়া আছে। দেবী দুর্গার মূর্তি সাধারণত দশতাল (মাথার পরিমাপের দশ গুণ) নিয়মে তৈরি হয়। দেবী দুর্গার দশটি হাত মহাবিশ্বের দশটি দিক রক্ষা করার প্রতীক।
ঐতিহ্যগতভাবে প্রতিমায় রাসায়নিক রঙের বদলে খড়িমাটি, ভূষো কালি, শিউলি ফুলের বোঁটার রস, এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে রং করার নিয়ম। সাধারণত প্রতিমার ভেতরের কাঠামো তৈরি করা হয় বাঁশ ও খড় দিয়ে। শাস্ত্রে দেবীর গায়ের রং তপ্তকাঞ্চনবর্ণ (গলানো সোনার মতো উজ্জ্বল হলুদ বা সোনালী) বা অতসী পুষ্পবর্ণ (উজ্জ্বল হলুদ) হওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনো কৃত্রিম বা প্লাস্টিকের জিনিস এখানে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
মা দুর্গা দশভূজা এবং তিনি মহিষাসুরমর্দিনী রূপে সিংহের পিঠে চড়ে অসুর বধ করছেন। দেবীর পায়ের নিচে মহিষাসুর এবং সিংহের অবস্থানও শাস্ত্রীয় পরিমাপ অনুযায়ী নিখুঁত হতে হয়। দেবীর ডানে থাকেন দেবী লক্ষ্মী ও গণেশ এবং বামে থাকেন দেবী সরস্বতী ও কার্তিক। প্রতিমার চালচিত্রে বা দেবীর মাথার ওপরে ভগবান শিবের ছবি বা ছোট মূর্তি থাকা বাধ্যতামূলক, কারণ শিব ছাড়া দুর্গা পূজা অসম্পূর্ণ।
দেবী দুর্গার চোখ বা চক্ষুদান এটি প্রতিমা তৈরির সবচেয়ে পবিত্র অংশ। মহালয়ার দিন বা শুক্লা দ্বিতীয়া-তৃতীয়া তিথিতে শিল্পী সম্পূর্ণ উপবাস থেকে অত্যন্ত ভক্তি সহকারে দেবীর চোখ আঁকেন, যাকে চক্ষুদান বলা হয়। চক্ষুদান সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রতিমার নির্মাণ কাজ ধর্মীয়ভাবে সমাপ্ত বলে গণ্য হয় এবং প্রতিমাটি পূজার মন্ডপে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। পরবর্তীতে ষষ্ঠীর দিন বোধন ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা আচারের মাধ্যমে এই মৃন্ময়ী (মাটির) প্রতিমায় দেবীর চিন্ময়ী রূপ বা প্রাণের আবাহন জানানো হয়।
সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র মেনে তৈরি দুর্গা প্রতিমা অবশ্যই একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং উচ্চমানের শাস্ত্রীয় শিল্পকর্ম। এটি কেবল মাটির তৈরি কোনো সাধারণ ভাস্কর্য নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন, কঠোর শাস্ত্রীয় নিয়ম এবং শিল্পীর নিষ্ঠা। দুর্গা প্রতিমা হলো নান্দনিক শিল্পকলা এবং বৈদিক আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলন, যা ভক্তদের মনে ভক্তিভাব জাগিয়ে তোলে এবং একই সাথে মৃৎশিল্পের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

উপকূলীয় লোনাঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘদিনে লালিত একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটির উন্নয়ন ও বাঁক সরলীকরণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। ৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে খুলনা ও সাতক্ষীরার চার উপজেলার সড়ক যোগাযোগে এক নতুন দিগন্ত সূচিত হবে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, বিশাল বিশাল গর্ত আর ধূলিবালির নরকযন্ত্রণা সহ্য করা পথচারী ও এলাকাবাসীর জন্য এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা।
প্রকল্পের সুফল নিয়ে কোনো দ্বিধা না থাকলেও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যেসব অভিজ্ঞতা ও প্রশ্ন রেখে যাচ্ছে, তা এড়ানো অসম্ভব। ২০২০ সালে ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালে এসে পৌঁছানো এবং ব্যয় প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা বেড়ে ৫৩৫ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকার বিষয়টি আমাদের পরিকাঠামো খাতের এক পুরনো ও পরিচিত ব্যাধির কথাই স্মর করিয়ে দেয়Ñপ্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও সময়মতো জমি অধিগ্রহণে ব্যর্থতা।
সড়ক ও জনপথ দপ্তর (সওজ) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাষ্যমতে, ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করার ক্ষেত্রে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং জেলা প্রশাসন ও ভূমি মালিকদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই এই বিলম্ব। প্রয়োজনীয় অর্থ বা চেক প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও ভূমি মালিকরা সঠিক সময়ে ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় আন্দোলন-বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের মতো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকল্পের শুরুতেই সঠিকভাবে নিবৃতি ও সমন্বয় করা গেলে আজ চার বছরের বাড়তি বিলম্ব এবং জনগণের দীর্ঘ ভোগান্তি এড়ানো যেত।
যেকোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ। এই অঞ্চলের মানুষের কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ, জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ এবং দৈনিক যাতায়াত সহজ করতে সড়কটির অবদান হবে অনস্বীকার্য। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং কপিলমুনি ও গোলাবাটি মোড়সহ শেষদিকের বাকি কাজটি চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করে বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
আমরা আশা করব, সওজ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট এই স্বল্প সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে সড়কটির অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করবে। একই সাথে, জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত যেসব জটিলতা এখনো বিক্ষিপ্তভাবে রয়ে গেছে, স্থানীয় জেলা প্রশাসন তা দ্রুত ও সঠিকভাবে নিষ্পত্তি করবে। উন্নয়নের মিষ্টি ফলের পাশাপাশি যেন সময় ও অর্থের অপচয়ের তেঁতো অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রকল্পে পুনরায় দেখতে না হয়Ñসে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লাখ বীজ ও চারা সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লাখ বীজ ও চারা সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ

সংবাদদাতা: জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনপদে ১০ লাখ বীজ রোপণের পর এবার রোপিত বীজ ও জন্ম নেওয়া চারাগাছের সুরক্ষায় যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ের তদারকি কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্যামনগরে বারসিকের উপকূলীয় আঞ্চলিক কেন্দ্রে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য কমলা রানী। বারসিকের ক্যাম্পেইন অ্যান্ড নেটওয়ার্ক ফ্যাসিলিটেটর স ম ওসমান গনী সোহাগের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহীন ইসলাম, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ােিলশনের সভাপতি মো. জিল্লুর রহমান, কৈখালী ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ােিলশনের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ােিলশনের সভাপতি মো. আশরাফ হোসেন, সর্বোচ্চ বীজদাতা লতা রানী এবং প্রভাষক কিশোর কুমার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কেবল সবুজায়নের কর্মসূচি নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার একটি সামাজিক আন্দোলন। তবে এর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে চারার যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষার ওপর। উন্মুক্ত আলোচনায় চারাগাছের চারপাশে ঘের ও বেড়া নির্মাণ, নিয়মিত পাহারা এবং ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে পরিচর্যা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮ জুলাই শ্যামনগরে এই ১০ লাখ বীজ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছিল।

‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’: সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’: সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা

সংবাদদাতা: ‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’ স্লোগান এবং ‘সম্মান, শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও প্রো-অ্যাক্টিভনেস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে মাসিক সার্ভিস উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাসপাতালের কনসালটেশন সেন্টারে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হাসপাতাল ইনচার্জ মুহা. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, পুষ্টি ও ডায়েট বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ তাছনীম জান্নাত প্রার্থী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনজুরুল ইসলাম খান, সিনিয়র অফিসার ও হিসাব কর্মকর্তা শেখ শরিফুল আউয়াল, আরএমও ডা. আসলাম হোসেন এবং বিভিন্ন বিভাগের ইনচার্জসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।