শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ৬ কোটি টাকার ‘কুশ’ মাদক জব্দ, আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ৬ কোটি টাকার ‘কুশ’ মাদক জব্দ, আটক ১
এসএম বিপ্লব হোসেন: সাতক্ষীরায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ কোটি টাকার ১২ কেজি ‘কুশ’ (Kush) নামের নতুন ধরনের মাদক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তারিকুজ্জামান (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদক, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনের মোট আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাধবকাঠি বাজার এলাকায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) পরিচালিত বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে এসব জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায়, ‘কুশ’ নামের নতুন ধরনের মাদক মোটরসাইকেলযোগে সাতক্ষীরা শহর থেকে ঝাউডাঙ্গা বাজার এলাকায় নেওয়া হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল মাধবকাঠি বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সন্দেহভাজন একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালালে চালকের কাছ থেকে ১২ কেজি ‘কুশ’ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তি কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের বাসিন্দা মো. তারিকুজ্জামান (২৪)। তিনি মো. ওহিদুজ্জামানের ছেলে।
বিজিবির তথ্যমতে, জব্দ করা ১২ কেজি ‘কুশ’ মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। এছাড়া জব্দ করা মোটরসাইকেলের মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোনের মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
বিজিবি জানিয়েছে, ‘কুশ’ মূলত মারিজুয়ানা গাছের ফুল বা কুঁড়ি থেকে প্রস্তুত করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর সঙ্গে অতিরিক্ত টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (THC) মিশিয়ে তরল, পাউডার বা ট্যাবলেট আকারেও এটি সিনথেটিক মাদক হিসেবে তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি বলেন, ভারতের সঙ্গে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের ৫৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধিরও প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।

Ads small one

কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ ২৯ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর, চান্দুরিয়া বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ, পাতার বিড়ি, মেহেদী ও চা-পাতা।

বিজিবি জানায়, কলারোয়ার গেড়াখালি, ভাদিয়ালি, তালসারি ও কাঁদপুর সীমান্ত এলাকা এবং সাতক্ষীরা সদরের হরিণা স্কুল মোড় থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও দেশীয় শিল্প রক্ষায় চোরাচালানবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস: মুক্তচিন্তা, দর্শন ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস: মুক্তচিন্তা, দর্শন ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

সাকিবুর রহমান বাবলা

মানুষের ইতিহাস মূলত এক অনন্ত অনুসন্ধানের ইতিহাস। আদিম মানুষ যখন প্রথম আকাশের তারাগুলোর দিকে বিস্ময়ে তাকিয়েছিল, তখন থেকেই শুরু হয়েছিল দূরের অজানাকে জানার সেই যাত্রা। সভ্যতার বিকাশ, বিজ্ঞানের আবিষ্কার, দর্শনের প্রশ্ন এবং শিল্প-সাহিত্যের সৃজনশীলতা-সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে একটি চিরন্তন ধারণা, আর সেটি হলো অসীমতা। এই অসীম সম্ভাবনা, জ্ঞান ও মুক্তচিন্তার উদযাপনেই প্রতি বছর ৮ আগস্ট বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস।

১৯৮৭ সালে মার্কিন দার্শনিক, কবি, সাংবাদিক ও কল্পবিজ্ঞান লেখক জঁ-পিয়েরে আদি ফেনিও এই দিবসের সূচনা করেন। তিনি ফ্রি অ্যাডভাইস ম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, মানুষকে কেবল প্রচলিত ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিজ্ঞান, দর্শন ও শিল্পের আলোকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে উৎসাহিত করতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস। দিনটি হিসেবে ৮ আগস্ট নির্বাচনও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ গণিতে ব্যবহৃত অসীমতার প্রতীক (∞) দেখতে অনেকটা আড়াআড়িভাবে শোয়ানো ইংরেজি ‘৮’ সংখ্যার মতো। ফলে ৮ম মাসের ৮ম দিন, অর্থাৎ ৮/৮, অসীমতার ধারণার সঙ্গে এক সুন্দর প্রতীকী সম্পর্ক তৈরি করে।

গণিতের জগতে অসীমতা একটি বিস্ময়কর ধারণা। এটি এমন একটি পরিমাণ যা কখনও শেষ হয় না, কখনও পূর্ণ হয় না। ক্যালকুলাস, জ্যামিতি, বীজগণিত এবং সংখ্যাতত্ত্বের বহু মৌলিক তত্ত্ব অসীমতার ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক জেনোর প্যারাডক্স থেকে শুরু করে আধুনিক গণিতের অসীম ধারা ও সীমা নির্ণয়ের ধারণা পর্যন্ত অসীমতা মানুষের চিন্তাকে নতুন নতুন দিগন্তে নিয়ে গেছে। গণিতবিদ জন ওয়ালিস ১৬৫৫ সালে অসীমতার প্রতীক (∞) ব্যবহার করে এই ধারণাকে আরও সুসংহত রূপ দেন, যা আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

তবে অসীমতা শুধু গণিতের বিষয় নয়; এটি মহাবিশ্বকে বোঝারও একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। মহাকাশতত্ত্ব বা কসমোলজিতে বিজ্ঞানীরা আজও অনুসন্ধান করছেন-মহাবিশ্বের কি কোনো শেষ আছে, নাকি এটি সত্যিই অসীম? কোটি কোটি গ্যালাক্সি, অসংখ্য নক্ষত্র এবং রহস্যময় ব্ল্যাক হোলের বিস্তৃতি আমাদের সামনে এমন এক বাস্তবতা তুলে ধরে, যার পরিধি কল্পনারও বাইরে। এই প্রসঙ্গে ৮ সংখ্যাটির সঙ্গে বিজ্ঞানের কিছু চমৎকার মিলও উল্লেখযোগ্য। আমাদের সৌরজগতের প্রধান গ্রহ সংখ্যা ৮টি, সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট এবং জীবনের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যাও ৮। এসব তথ্য দিবসটির প্রতীকী গুরুত্বকে আরও সমৃদ্ধ করে।

দর্শনের জগতে অসীমতা মানুষের অস্তিত্ব, সময়, মহাবিশ্ব এবং চেতনা সম্পর্কে গভীর প্রশ্ন উত্থাপন করে। মানুষ কোথা থেকে এসেছে, কোথায় বা যাবে? মহাবিশ্বের শেষ কোথায়? সময় কি অনন্ত? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই দর্শন ও বিজ্ঞান একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস তাই কেবল একটি গাণিতিক প্রতীকের উদযাপন নয়; এটি প্রশ্ন করার সাহস, নতুন করে ভাবার ক্ষমতা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চার প্রতীক।

সাহিত্য ও শিল্পকলায়ও অসীমতার উপস্থিতি সুস্পষ্ট। কবিরা অনন্ত প্রেমের কথা বলেন, শিল্পীরা আঁকেন সীমাহীন আকাশ, লেখকেরা সৃষ্টি করেন কল্পনার অসংখ্য জগৎ। মানুষের সৃজনশীলতার কোনো সীমানা নেই-এই সত্যটিই অসীমতার ধারণাকে শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত করেছে। ফলে এই দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জ্ঞান যেমন অসীম, তেমনি মানুষের কল্পনাশক্তিও সীমাহীন।

মানুষের মস্তিষ্ক সীমিত হলেও তার কল্পনাশক্তি অসীম; আর এই অসীম কল্পনারই বাস্তব রূপ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এই মেলবন্ধন মানবসভ্যতার সামনে উন্মোচন করেছে এক নতুন দিগন্ত। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আজ মহাকাশ গবেষণা, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং জলবায়ু সংকটের মতো জটিল সমস্যা সমাধানে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় মানুষের সৃজনশীলতাই হলো মূল চালিকাশক্তি; আর এক্ষেত্রে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মও তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণায় উন্মোচন করেছে সম্ভাবনার নতুন সব দ্বার।

বর্তমান বিশ্বে যখন বিভাজন, সংকীর্ণতা ও অসহিষ্ণুতার নানা চ্যালেঞ্জ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, ঠিক তখন আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস নিয়ে আসে এক নতুন বার্তা। সেই বার্তাটি হলো-জ্ঞানকে সীমাবদ্ধ না রেখে বিস্তৃত করতে হবে, প্রশ্নকে ভয় না পেয়ে সানন্দে গ্রহণ করতে হবে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান জানাতে হবে। মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী মননই একটি মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, দর্শন ও উদ্ভাবনের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার ক্ষেত্রেও এই দিবসটি পালন করছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কারণ, আজকের এই কৌতূহলী শিক্ষার্থীই আগামী দিনের একেকজন কৃতি বিজ্ঞানী, দার্শনিক, গবেষক কিংবা উদ্ভাবক।

আন্তর্জাতিক অসীমতা দিবস আমাদের একটি গভীর সত্যের সামনে দাঁড় করায়-মানুষের শেখার কোনো শেষ নেই, জানার কোনো সীমা নেই এবং সম্ভাবনার কোনো পরিসীমা নেই। পৃথিবীর ক্ষুদ্র একটি কোণে বসেও মানুষ তার চিন্তার ডানায় ভর করে মহাবিশ্বের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। তাই ৮ আগস্ট কেবল একটি দিবস নয়; এটি জ্ঞান, কৌতূহল, সৃজনশীলতা এবং মানব সম্ভাবনার অনন্ত যাত্রাকে সম্মান জানানোর এক অনন্য উপলক্ষ। আমরা সীমাবদ্ধ পৃথিবীতে বাস করলেও মানুষের স্বপ্ন, চিন্তা ও সম্ভাবনা সত্যিই অসীম।

 

পাইকগাছায় শ্মশানের কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় শ্মশানের কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় শ্মশানের কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়ানের বাঁকা ঘোষ পাড়া শ্রী শ্রী শ্মশানের কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ৬ আগস্ট রাতের কোনো এক সময়ে এ ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে মুন্দিরের পূজারী দেবলা ঘোষ মন্দিরে এসে দেখে মন্দিরের দুইটি কলাপসিবল গেটের ৪ টি তালা নেই। ভিতরে ঢুকে দেখে সব ছড়ানো ছিটানো। চোরেরা মন্দিরের ৭টি তালা কেটে মন্দিরে ঢুকে কালী মায়ের হাতের সোনায় বাধানো শাখা, পায়ের নুপুর, ১৫টি সোনার কপালের টিপ, কানের দুল, ৬টি শাড়ী কাপড়, পূজার উপকরণ, বাক্স ও দানবাক্স ভেঙ্গে চুরি করে করে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা হবে বলে মন্দির কমিটি জানায়।

এ ঘটনায় বাঁকা ঘোষ পাড়া শ্রী শ্রী শ্মশান কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মানিক চন্দ্র ঘোষ পাইকগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সকালে ঘটনাস্থাল বাঁকা ঘোষ পাড়া শ্রী শ্রী শ্মশানের কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন, সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ আমির হামজা ও পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আউয়াল কবির। বাঁকা শ্রী শ্রী শ্মশান কালী মন্দিরের ভক্তরা এই চুরির ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।